সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬
সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম
advertisement
সিলেট বিভাগ

সিলেট জেলা ছাত্রদলের কাণ্ডারি হতে যাচ্ছেন হিলাল উদ্দিন শিপু

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে যে কোনো মুহূর্তে আলোর মুখ দেখতে যাচ্ছে সিলেট জেলা ছাত্রদলের নতুন পূর্ণাঙ্গ কমিটি। চায়ের আড্ডা থেকে শুরু করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম—সর্বত্রই এখন বইছে নতুন নেতৃত্ব নিয়ে চুলচেরা বিশ্লেষণের জোয়ার। বিশেষ করে জেলা ছাত্রদলের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ‘সাধারণ সম্পাদক’ পদটি নিয়ে নেতাকর্মীদের আগ্রহ এখন তুঙ্গে। পদপ্রত্যাশী একাধিক প্রার্থীর নাম আলোচনায় থাকলেও মাঠপর্যায়ের সাধারণ কর্মী-সমর্থকদের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন রাজপথের লড়াকু ও পরীক্ষিত ছাত্রনেতা—হিলাল উদ্দিন শিপু।

 

তিনি বর্তমানে সিলেট জেলা ছাত্রদলের সহ-সাংস্কৃতিক সম্পাদক হিসেবে সততা ও স্বচ্ছতার সাথে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। মূলত তাঁর সততা, পরিচ্ছন্ন রাজনীতি এবং রাজপথে ত্যাগের ইতিহাস তৃণমূল নেতাকর্মীদের মনে নতুন আশার সঞ্চার করেছে। কর্মীদের প্রত্যাশা, শিপুর মতো তৃণমূলের একজন ‘আশার আলো’ যদি জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পান, তবে সংগঠন তার হারানো গৌরব পুরোপুরি পুনরুদ্ধার করতে সক্ষম হবে।

 

কিন্তু কেন এই সংকটময় ও সম্ভাবনাময় সন্ধিক্ষণে তৃণমূলের নেতাকর্মীরা শিপুকেই কাণ্ডারি হিসেবে চাইছেন? তাঁর রাজনৈতিক পথচলা বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, এটি ক্ষমতার পালাবদলে হঠাৎ তৈরি হওয়া কোনো নেতার গল্প নয়; বরং দেড় দশকের ফ্যাসিবাদবিরোধী লড়াইয়ে রক্ত, ঘাম, মামলা আর পুরো পরিবারের ওপর নেমে আসা নির্মম নির্যাতনের এক জীবন্ত দলিল।

 

হিলাল উদ্দিন শিপুর রাজনীতিতে হাতেখড়ি স্কুলজীবনেই, সিলেট বিএনপির আপসহীন নেতা অ্যাডভোকেট সামসুজ্জামান জামানের বলয়ের রাজনীতির মাধ্যমে। শুরু থেকেই তিনি ‘জামান গ্রুপ’-এর একনিষ্ঠ ও নির্ভীক কর্মী হিসেবে রাজপথে সক্রিয় হন। সৈয়দ হাতিম আলী উচ্চ বিদ্যালয়ে পড়ার সময় জাতীয়তাবাদী আদর্শের রাজনীতি করতে গিয়ে তিনি তৎকালীন ক্ষমতাসীনদের চক্ষুশূলে পরিণত হন। মাধ্যমিক (এসএসসি) পরীক্ষার ঠিক আগমুহূর্তে সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আজাদুর রহমান আজাদ গ্রুপের সন্ত্রাসীদের বর্বর হামলার শিকার হন তিনি; ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় তাঁর একটি হাত। কিন্তু সেই নির্মম ক্ষত আর প্লাস্টার করা হাত নিয়েই তিনি পরীক্ষায় অংশ নেন—যা তৎকালীন সময়ে সিলেটের রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল।

 

সৈয়দ হাতিম আলী উচ্চ বিদ্যালয়, মদন মোহন কলেজ কিংবা সিলেট ল’ কলেজ—প্রতিটি শিক্ষাঙ্গনেই ফ্যাসিবাদী ছাত্রলীগের একচ্ছত্র আধিপত্যের বিরুদ্ধে ছাত্রদলের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে সামনের সারিতে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন শিপু। মদন মোহন কলেজে বৈরী ক্যাম্পাসে দফায় দফায় ছাত্রলীগের সশস্ত্র হামলার মুখে দাঁড়িয়েও তিনি জাতীয়তাবাদের পতাকা নামতে দেননি এবং সেখান থেকেই সফলভাবে স্নাতক (সম্মান) সম্পন্ন করেন।

 

পরবর্তীতে সিলেট ল’ কলেজে যখন ছাত্রদল কিছুটা কোণঠাসা, তখন সাধারণ শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়াতে অসচ্ছলদের মাঝে বিনামূল্যে বই বিতরণের মানবিক উদ্যোগ নেন তিনি। সেখানেও ছাত্রলীগ সশস্ত্র হামলা চালালে সাধারণ শিক্ষার্থীদের তাৎক্ষণিকভাবে সংগঠিত করে তীব্র পাল্টা প্রতিরোধ গড়ে তুলে ছাত্রলীগকে ক্যাম্পাসছাড়া করেন তিনি। সৈয়দ হাতিম আলী স্কুল থেকে শুরু করে ল’ কলেজ ও রাজপথের প্রতিটি লড়াইয়ে ছাত্রলীগ-যুবলীগের সন্ত্রাসীদের মোকাবিলা করতে গিয়ে একাধিকবার জীবনবাজি রেখেছেন শিপু, রক্ত ঝরেছে তাঁর বহু সহযোদ্ধারও।

 


২০১২ সালে এম ইলিয়াস আলী গুম হওয়ার পর রাজপথ কাঁপানো ‘ইলিয়াস মুক্তি সংগ্রাম পরিষদ’-এর সক্রিয় সদস্য হিসেবে বুলেটের ভয় উপেক্ষা করে মিছিলে নেতৃত্ব দেন শিপু। পরবর্তীতে ২০১৪ সালের নির্বাচনবিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে ধারাবাহিক প্রতিটি আন্দোলনে তিনি ছিলেন সম্মুখসারির যোদ্ধা।

 

বিশেষ করে ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে ফরমায়েশি রায় ঘোষণার দিন সিলেট বিএনপির আপোষহীন নেতা অ্যাডভোকেট সামসুজ্জামান জামানের নেতৃত্বে সিলেটের কোর্ট পয়েন্টে স্বৈরাচারের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন তিনি। ওই বছরই বেগম খালেদা জিয়া হযরত শাহজালাল (রহ.) ও হযরত শাহপরাণ (রহ.)-এর মাজার জিয়ারতে সিলেটে এলে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগ তাঁকে সার্কিট হাউসে ঢুকতে না দেওয়ার ঘোষণা দেয় এবং মাজার এলাকায় কুরুচিপূর্ণ পোস্টারিং করে। তৎকালীন সময়ে মাথায় শতাধিক মামলার হুলিয়া নিয়ে কেন্দ্রীয় বিএনপি নেতা ও সিলেট বিএনপির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা অ্যাডভোকেট সামসুজ্জামান জামান ফেসবুক লাইভে এসে স্বৈরাচার আওয়ামী লীগকে ২০ মিনিটের মধ্যে সিলেটের রাজপথ ছাড়ার আল্টিমেটাম দিলে নেতাকর্মীদের মাঝে সাহসের সঞ্চার হয়। অ্যাডভোকেট সুমসুজ্জামান জামানের নির্দেশে শিপু ও তাঁর সহযোদ্ধারা শেরপুর সীমান্ত থেকে বেগম খালেদা জিয়াকে রিসিভ করার পাশাপাশি দরগাহ এলাকায় অবস্থান নেন। সেখানে সিলেট মহানগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুল আলীম তুষারের নেতৃত্বাধীন ক্যাডারদের ধাওয়া দিয়ে বিতাড়িত করার সময় সংঘর্ষে শিপুর বাম পা মারাত্মকভাবে জখম হয়।


শিপুর রাজনীতি ও সাহসিকতার কারণে ফ্যাসিবাদী আক্রোশ নেমে এসেছিল তাঁর পুরো পরিবারের ওপরও। ২০২৩ সালের ২৮ অক্টোবর ঢাকায় বিএনপির মহাসমাবেশে পুলিশের বর্বরোচিত ক্র্যাকডাউনের পর সারাদেশে যখন সরকারবিরোধী তীব্র আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে, তখন অ্যাভোকেট সামসুজ্জামান জামানের নির্দেশে সিলেটেও রাজপথে আন্দোলন জোরদার করেন শিপু ও তার সহযোদ্ধারা।

তৎকালীন সময়ে শিপুকে রাজপথে না পেয়ে সিলেট নগরীর মিরাবাজারে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি নাজমুল হোসেন ও সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি কাউন্সিলর রুহেল আহমদের নেতৃত্বে শতাধিক সশস্ত্র সন্ত্রাসী শিপুর ওপর হামলা চালাতে যায়। কিন্তু শিপুকে খুঁজে না পেয়ে তাঁর জমজ ভাই সাংবাদিক নিজাম উদ্দিন টিপুর ওপর নৃশংস হামলা চালানো হয়। টিপু নিজেকে পেশাদার সাংবাদিক হিসেবে পরিচয় দিলেও ছাত্রলীগ সন্ত্রাসীরা কোনো তোয়াক্কা না করে তাঁকে নির্মমভাবে কুপিয়ে রক্তাক্ত করে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁকে নগরীর ইবনে সিনা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল।


শুধু শারীরিক নির্যাতনই নয়, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার বশবর্তী হয়ে সাংবাদিক নিজাম উদ্দিন টিপুর বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনসহ প্রায় ৬টি মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়। এছাড়া শিপুর অপর ভাই সিলেট জেলা তাঁতী দলের যুগ্ম আহ্বায়ক এম ইসলাম আলী ফ্যাসিবাদের আমলে রাজনৈতিক কারণে প্রায় ২০টিরও অধিক মামলার শিকার হয়ে জেল-জুলুম সহ্য করেছেন।

 

স্বৈরাচারী শাসনামলে আন্দোলন দমাতে যখনই নিষেধাজ্ঞা বা সান্ধ্য আইন (কারফিউ) দেওয়া হয়েছে, তখনই অ্যাডভোকেট সামসুজ্জামান জামানের নির্দেশে নির্ভীকভাবে কারফিউ ভঙ্গ করেছেন শিপু ও তাঁর সহযোদ্ধারা। বিশেষ করে চব্বিশের জুলাই-আগস্টে যখন স্বৈরশাসকের বুলেট ও বুটের তলায় পুরো দেশ অবরুদ্ধ, সিলেটে জারি ছিল কারফিউ—তখনও জীবনের মায়া ত্যাগ করে অ্যাডভোকেট জামানের নির্দেশে সিলেটে প্রথম কারফিউ ভঙ্গ করে রাজপথ কাঁপিয়ে তোলেন শিপু। স্বৈরাচার পতনের প্রতিটি ক্ষণে টিয়ারশেল ও রাবার বুলেটে ক্ষতবিক্ষত হয়েও ৫ আগস্টের ঐতিহাসিক বিজয় পর্যন্ত তিনি ফ্রন্টলাইনেই ছিলেন।

 

ফ্যাসিবাদের পতনের পর অনেক নেতা আত্মতুষ্টিতে ভুগলেও শিপু নিজেকে বিশ্রামে রাখেননি। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষিত রাষ্ট্র সংস্কারের ঐতিহাসিক ‘৩১ দফা’ রূপরেখা সাধারণ মানুষের দ্বারে দ্বারে পৌঁছে দিতে তিনি দিন-রাত কাজ করছেন। এছাড়া নির্বাচনের আগে সিলেট-৪ আসনের (জৈন্তাপুর, গোয়াইনঘাট ও কোম্পানীগঞ্জ) তৃণমূল পুনর্গঠনে বিএনপির কেন্দ্রীয় মিডিয়া সেলের প্রধান সমন্বয়ক হিসেবে তিনি দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন।

 

এদিকে সিলেট জেলা ও মহানগর ছাত্রদলের একাধিক দায়িত্বশীল নেতা জানান, বিগত দেড় দশক ধরে সিলেটে বিরোধী মতের রাজনীতি করা ছিল জীবন-মৃত্যুর মুখোমুখি দাঁড়ানোর মতো কঠিন। সেই ভয়াল সময়ে অনেকেই যখন নিষ্ক্রিয় ছিলেন, তখন হিলাল উদ্দিন শিপু নিজের জীবনের পরোয়া না করে রাজপথ আঁকড়ে ছিলেন। স্কুলজীবনে হাত ভাঙা, দেশনেত্রীর আগমনকালে মাজার এলাকায় পা জখম হওয়া, পরিবারসহ চরম নির্যাতনের শিকার হওয়া কিংবা চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানে সান্ধ্য আইন ভেঙে বুলেটের মুখে বুক পেতে দেওয়ার মতো ত্যাগের ইতিহাস ছাত্রদলে বিরল। সাধারণ শিক্ষার্থীদের অধিকার রক্ষা এবং সিলেট ছাত্রদলকে জাতীয়তাবাদী শক্তির দুর্ভেদ্য দুর্গ হিসেবে গড়ে তুলতে জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক পদে শিপুর মতো সাহসী, শিক্ষিত ও তৃণমূলবান্ধব নেতার কোনো বিকল্প নেই।


নিজের রাজনৈতিক অতীত নিয়ে হিলাল উদ্দিন শিপু বলেন, আমি কখনো পদের লোভে রাজনীতি করিনি। স্কুলজীবন থেকেই অ্যাডভোকেট সামসুজ্জামান জামান ভাইয়ের নির্দেশনায় শহীদ জিয়ার কালজয়ী আদর্শ, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও দেশনায়ক তারেক রহমানের দিকনির্দেশনাকে বুকে ধারণ করে মাঠে আছি। ছাত্রলীগের নৃশংস হামলায় হাত ভেঙে যাওয়া, মাজার এলাকায় পা জখম হওয়া, আমাকে না পেয়ে আমার সাংবাদিক ভাইকে কুপিয়ে রক্তাক্ত করা কিংবা বুলেটের মুখে একাধিকবার কারফিউ ভাঙা—কোনো কিছুই আমাদের পরিবার ও আমাকে জাতীয়তাবাদের পথ থেকে সরাতে পারেনি। হাইকমান্ড যদি আমার অতীত ত্যাগ বিবেচনা করে দায়িত্ব দেয়, তবে সিলেট জেলা ছাত্রদলকে মেধা, শৃঙ্খলা ও ত্যাগের সমন্বয়ে এক অপরাজেয় দুর্গে রূপান্তর করব।

 

এদিকে কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের দায়িত্বশীল সূত্রে জানা গেছে, সিলেট জেলা ছাত্রদলের নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের ক্ষেত্রে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের অত্যন্ত স্পষ্ট ও কঠোর নির্দেশনা রয়েছে। কোনো সুবিধাবাদী, নিষ্ক্রিয় কিংবা ৫ আগস্টের পটপরিবর্তনের পর উদয় হওয়া ‘বসন্তের কোকিল’দের এবার গুরুত্বপূর্ণ কোনো পদে আসার সুযোগ নেই। বিগত দেড় দশকের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে যাঁরা রাজপথে রক্ত ঝরিয়েছেন, বারবার হামলা-মামলা ও কারাবরণের শিকার হয়েছেন এবং চব্বিশের জুলাই-আগস্টের রক্তক্ষয়ী গণ-অভ্যুত্থানে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সম্মুখসারিতে লড়েছেন—তাঁদের দিয়েই কমিটি পুনর্গঠন করা হচ্ছে। সিলেটের নেতৃত্ব নির্ধারণে মাঠপর্যায়ের একাধিক তদন্ত প্রতিবেদন ও ত্যাগের খতিয়ান চুলচেরা বিশ্লেষণ করছে কেন্দ্র।

 

মাঠপর্যায়ের নেতাকর্মীদের জোরালো দাবি, সুবিধাবাদী কিংবা ‘বসন্তের কোকিল’ নয়; যিনি দীর্ঘ দেড় দশক নিজের ও পরিবারের রক্ত ঝরিয়েছেন, বারবার পঙ্গুত্বের ঝুঁকিতে পড়েছেন এবং চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানে বুক পেতে লড়াই করেছেন—সেই হিলাল উদ্দিন শিপুই সিলেট জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক পদে সবচেয়ে যোগ্য ও স্বাভাবিক দাবিদার।

▐ এই সম্পর্কিত আরো