রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬
রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬
✔ বাংলা টেক্সট কনভার্টার
শিরোনাম
জালালাবাদ হোমিওপ্যাথি মেডিকেল কলেজকে ডিগ্রি কলেজে উন্নীত করা হবে: মন্ত্রী আরিফ যুক্তরাষ্ট্র যে কারণে শুল্ক আরোপ করেছে তা ভিত্তিহীন: বাণিজ্যমন্ত্রী মোদির ইনস্টাগ্রাম ভিডিওতে বিশ্বরেকর্ড, তরুণদের জানালেন ধন্যবাদ চলে গেছেন সব আন্দোলনকারী, ভেঙে ফেলা হচ্ছে দিল্লির বিক্ষোভস্থলের মঞ্চ ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে সুনামগঞ্জে পরিচ্ছন্নতা অভিযান ছাতকে ৪০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ৪ শিক্ষার্থীদের যাতায়াতে নতুন দিগন্ত, পরিবহন সেবার উদ্বোধন জনবল সংকটে ধুঁকছে কামারখাল উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র কুলাউড়ায় কলেজছাত্রীর রহস্যজনক মৃত্যু কুলাউড়া সরকারি কলেজের প্রবাসী অ্যালামনাইদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময়
advertisement
গণমাধ্যম

এক-এগারোর ‘মূল কুশীলব’ হিসেবে মইন-মতি-মাহফুজের নাম

২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারির রাজনৈতিক পটপরিবর্তন তথা ‘এক-এগারো’ নিয়ে আনুষ্ঠানিক তদন্ত ও বিচার প্রক্রিয়া শুরু করতে যাচ্ছে সরকার। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, অবৈধভাবে রাষ্ট্রক্ষমতা দখল এবং মানবতাবিরোধী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ঈদের পর মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম সম্প্রতি বলেন, এক-এগারো সরকারের সময় সংঘটিত নানা অমানবিক কর্মকাণ্ডের নেপথ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল সাবেক সেনা কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর।

এদিকে এক-এগারোর ঘটনাপ্রবাহে জড়িত থাকার অভিযোগে কয়েকজন সাবেক সেনা কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তদন্তসংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রের দাবি, দীর্ঘ রিমান্ডে তাঁরা সে সময়ের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পেছনের বিভিন্ন পরিকল্পনা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন।

তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ভাষ্যমতে, জিজ্ঞাসাবাদে উঠে এসেছে যে এক-এগারোর পেছনে মূলত তিনজন প্রভাবশালী ব্যক্তির ভূমিকা ছিল, যাঁদের নামের আদ্যাক্ষর ‘ম’। তাঁরা হলেন সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল মইন উ আহমেদ, প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমান এবং ডেইলি স্টার সম্পাদক মাহফুজ আনাম।

গোয়েন্দা সূত্রের দাবি, সেনাবাহিনী ও তথাকথিত সুশীল সমাজের মধ্যে সমন্বয়ের ক্ষেত্রে এই দুই সম্পাদক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তাঁদের পরামর্শেই তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ গঠিত হয়েছিল বলেও তদন্তকারীদের কাছে তথ্য এসেছে।

রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদের সময় সাবেক সেনা কর্মকর্তা মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী নাকি তদন্তকারীদের বলেছেন, এক-এগারোর পরিকল্পনা প্রথমে তৈরি হয়েছিল একটি প্রভাবশালী ‘সুশীল গোষ্ঠী’র মধ্যে। পরে আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি এবং জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হলে সেনাবাহিনী সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের অংশ হয়।

তাঁর দাবি অনুযায়ী, ২০০৬ সালের রাজনৈতিক অস্থিরতাকে কেন্দ্র করে দেশের একটি বাংলা ও একটি ইংরেজি দৈনিক ধারাবাহিকভাবে রাজনৈতিক দলগুলোর বিরুদ্ধে নেতিবাচক জনমত তৈরি করতে কাজ করে। একই সঙ্গে ‘যোগ্য প্রার্থী’ বাছাই, রাজনীতিবিদদের প্রতি জনঅবিশ্বাস সৃষ্টি এবং ‘বিরাজনীতিকরণ’ ধারণা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বিভিন্ন সেমিনার ও প্রচারণা চালানো হয়।

জিজ্ঞাসাবাদে সাবেক ডিজিএফআইপ্রধান জেনারেল (অব.) মামুন খালেদও কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন বলে জানা গেছে। তদন্তকারীদের কাছে তিনি দাবি করেন, ক্ষমতা পরিবর্তনের মাত্র তিন দিন আগে দুই সম্পাদক সেনা সদরে গিয়ে তৎকালীন সেনাপ্রধান মইন উ আহমেদের সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠক করেন। ওই বৈঠকেই ক্ষমতা গ্রহণের চূড়ান্ত পরিকল্পনা নির্ধারিত হয় বলে তাঁর দাবি।

তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্রের ভাষ্য, এক-এগারোর পরবর্তী সময়ে প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার কার্যত সামরিক গোয়েন্দা সংস্থার ‘অঘোষিত মুখপত্র’ হিসেবে কাজ করেছে—এমন অভিযোগও উঠে এসেছে জিজ্ঞাসাবাদে। রাজনৈতিক নেতাদের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা সংস্থার সরবরাহ করা তথ্য যাচাই ছাড়াই প্রকাশ করা হতো বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।

তদন্তকারীদের মতে, ‘মাইনাস টু ফর্মুলা’ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে দেশের প্রধান দুই রাজনৈতিক নেত্রীকে রাজনীতি থেকে সরিয়ে দেওয়ার পরিবেশ তৈরিতে গণমাধ্যমের একটি অংশ ভূমিকা রেখেছিল। বিভিন্ন কলাম, টকশো ও বিশেষ প্রতিবেদনের মাধ্যমে সেই সময় একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক বয়ান প্রতিষ্ঠার চেষ্টা চালানো হয় বলেও দাবি তাঁদের।

জিজ্ঞাসাবাদে আরও অভিযোগ করা হয়েছে, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতার রিমান্ড নির্যাতনের বিষয়গুলো অনেকাংশে আড়ালে রেখে বিরাজনীতিকরণের পক্ষে জনমত তৈরিতে কিছু গণমাধ্যম সক্রিয় ছিল।

তদন্ত কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এক-এগারোর সময়কার ঘটনাবলি, সংবাদ প্রতিবেদন, সম্পাদকীয় ও সংশ্লিষ্ট বৈঠকের তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করা হচ্ছে। খুব শিগগিরই আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরু হতে পারে বলেও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

এই সম্পর্কিত আরো

জালালাবাদ হোমিওপ্যাথি মেডিকেল কলেজকে ডিগ্রি কলেজে উন্নীত করা হবে: মন্ত্রী আরিফ

যুক্তরাষ্ট্র যে কারণে শুল্ক আরোপ করেছে তা ভিত্তিহীন: বাণিজ্যমন্ত্রী

মোদির ইনস্টাগ্রাম ভিডিওতে বিশ্বরেকর্ড, তরুণদের জানালেন ধন্যবাদ

চলে গেছেন সব আন্দোলনকারী, ভেঙে ফেলা হচ্ছে দিল্লির বিক্ষোভস্থলের মঞ্চ

ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে সুনামগঞ্জে পরিচ্ছন্নতা অভিযান

ছাতকে ৪০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ৪

শিক্ষার্থীদের যাতায়াতে নতুন দিগন্ত, পরিবহন সেবার উদ্বোধন

জনবল সংকটে ধুঁকছে কামারখাল উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র

কুলাউড়ায় কলেজছাত্রীর রহস্যজনক মৃত্যু

কুলাউড়া সরকারি কলেজের প্রবাসী অ্যালামনাইদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময়