বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় জাতীয় ঐক্যের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন অস্ট্রেলিয়া বিএনপির নেতারা। ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তাঁরা এ আহ্বান জানান। সভায় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক দর্শন, বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা এবং জিয়া পরিবারের ভূমিকা নিয়েও আলোচনা করা হয়।
শনিবার সন্ধ্যায় অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলসের লেকেম্বায় অস্ট্রেলিয়া বিএনপি আয়োজিত এ সভায় ভার্চুয়ালি প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ এমপি। প্রধান বক্তা ছিলেন দিনাজপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য সাদিক রিয়াজ চৌধুরী পিনাক।
অস্ট্রেলিয়া বিএনপির সভাপতি এ এফ এম তাওহীদুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ হায়দার আলীর সঞ্চালনায় সভায় বক্তারা বলেন, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের রাজনৈতিক পটপরিবর্তন, সিপাহি-জনতার অভ্যুত্থান এবং পরবর্তী সময়ে জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে বহুদলীয় রাজনৈতিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার বিষয়টি বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। তাঁদের দাবি, বিএনপির নেতৃত্বে দেশে আবারও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার হয়েছে।
বক্তারা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করা, জনগণের রাজনৈতিক অধিকার নিশ্চিত করা এবং জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।
সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ রাশেদুল হক, অস্ট্রেলিয়া বিএনপির উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. শাহ জে. মিয়া, স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি ডি জেড এম হাসান বিন শফিক সোহাগ, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক অমি ফেরদৌস এবং অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ কাউন্সিলের সভাপতি আলমগীর ইসলাম বাবু।
এ ছাড়া বক্তব্য দেন বিএনপি নেতা সেলিম লকিয়ত, মোবারক হোসেন, নিগার এলাহি চৌধুরী, ইলিয়াস কাঞ্চন শাহীন, মশিউর রহমান মুন্না, শফিউল আলম শফিক, গোলাম ফারুকী নাদিম, আরমান হোসেন ভূঁইয়া, মাহবুবুর রহমান খান মামুন, মোস্তাফিজুর রহমান লাবু, কায়সার আহমেদ, মশিউর রহমান তুহিন, হাসনা হেনা ও শাহিনুর রহমান প্রমুখ।
সভায় প্রবাসে বেড়ে ওঠা নতুন প্রজন্মের কাছে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাস তুলে ধরা, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ চর্চা এবং জাতীয় ঐক্য বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন বক্তারা।