সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জে বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সমিতির উপজেলা শাখার নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। ২৪ সদস্যবিশিষ্ট তিন বছর মেয়াদি এ কমিটিতে কামরুপদলং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মানিক লাল চক্রবর্তীকে সভাপতি এবং তেঘরিয়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুধা রঞ্জন মজুমদারকে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) দুপুর ২টায় শান্তিগঞ্জের সুলতানপুর আব্দুল মজিদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের হলরুমে আয়োজিত সভায় উপস্থিত সবার সর্বসম্মতিক্রমে এ কমিটি গঠন করা হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন রথপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আশীষ কুমার চক্রবর্তী।
কমিটিতে সিনিয়র সহসভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন শ্যামনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জসিম উদ্দিন, দরগাপাশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মালা রায়, মুক্তাখাই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সালেহ আহমদ এবং হাঁসকুড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সাজবিন আক্তার।
যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন হাসারচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নেজাবুল হক ও কসবা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শীলা রানী দাশ তালুকদার। সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন বাহাদুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গিয়াস উদ্দিন আহমদ। সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হয়েছেন কাঁঠালিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুমন কান্তি তালুকদার ও আলমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাছুমা আক্তার।
কমিটির অন্যান্য পদে নির্বাচিত হয়েছেন তথ্য ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক মো. মঈনুল হক, দপ্তর সম্পাদক বিপুল চক্রবর্তী, অর্থ সম্পাদক দেবাশীষ তালুকদার, সহ-অর্থ সম্পাদক লিটন চন্দ দাস, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক অজিত চক্রবর্তী, মিডিয়া ও প্রচার সম্পাদক রেবা রানী পাল, মহিলা সম্পাদক রোখসানা বেগম, সহ-মহিলা সম্পাদক মাছুমা বেগম এবং সাহিত্য সম্পাদক সুপ্রীতি রানী সাথী।
এ ছাড়া সমিতির কো-অপ্ট সদস্য হিসেবে মনোনীত হয়েছেন আশীষ কুমার চক্রবর্তী, রাজিব রায়, রুমা চক্রবর্তী ও প্রসুন কান্তি দাশ।
নবনির্বাচিত সভাপতি মানিক লাল চক্রবর্তী ও সাধারণ সম্পাদক সুধা রঞ্জন মজুমদার তাঁদের নির্বাচিত করায় উপজেলার সব প্রধান শিক্ষকের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।
তাঁরা বলেন, সংগঠনকে ঐক্যবদ্ধ রাখাই তাঁদের মূল লক্ষ্য। উপজেলার সব প্রধান শিক্ষকের ন্যায্য অধিকার আদায়ে কাজ করার পাশাপাশি সমিতির কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও কার্যকর করতে তাঁরা সবার সহযোগিতা কামনা করেন।