দুই থানা, দুই জেলা ভৌগোলিক সীমায় একই রেখায় পতিত সিলেট সুনামগঞ্জ জেলার কোম্পানীগঞ্জ ও ছাতক উপজেলার সীমান্ত জনপদের ভোলাগঞ্জ মহাসড়ক টু ছনবাড়ী ইসামতী রাস্তা।
পরিদর্শনসহ অনুসন্ধানে জানা গেছে সময়ের প্রয়োজনে বহু গ্রামের সমন্বয়ে বিশাল জনগোষ্ঠীর শিক্ষা, যাতায়াতসহ বিশেষ করে ব্যবসা সম্প্রসারণে এক নতুন দিগন্তের হাতছানি দিয়ে ডাকছে রাস্তাটি প্রশস্তকরণ হলেই।
এমনটাই জানা গেছে স্হানীয় বেশ ক'জন এলাকাবাসীর সাথে আলাপকালে।
এলাকাবাসী বলেন, সোনালী চেলার বালু ও ভারতীয় আমাদানিকৃত চুনাপাথর, ইছামতীর আমাদানীকৃত চুনাপাথর রতনপুর /সোনাই নদীর বালুর বিশাল ভান্ডার। দীর্ঘকাল ধরে নদীপথেই বর্ষায় পরিবহন করে ব্যবসা চলে।কালের বিবর্তনে আধা পাকা গ্রামীণ রাস্তা সবমিলিয়ে প্রায় ১৫/ কিলোঃ হবে। তবে ভোলাগঞ্জ মহাসড়ক হতে শাহআরেফীন রাস্তার প্রায় তিন কিলোমিটার ইতিমধ্যে পাকাকরণ হয়েছে।
দ্বিতীয় ধাপে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে ছনবাড়ী পর্যন্ত পাকাকরণ প্রক্রিয়াধীন। পরবর্তী ছনবাড়ী বাজার হতে বনগাঁও হয়ে সরু গ্রামীণ পাকা রাস্তা ভাংগাচোরা। ইতিমধ্যে ছোট ট্রাকে শুকনো মৌসুমে বছর দু-তিন হলো ছোট পরিসরে চলমান ব্যবসা। এতে কয়েকটি গ্রামের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের পরিবারে অর্থনৈতিক স্বাবলম্বীতে ফুরফুরা মেজাজে।
কথা হয় ছনবাড়ী নোয়াকোট গ্রামের বাসিন্দা মাওলানা মাসরুর আহমদ এর সাথে। রাস্তাটি পুরোদমে সচল হলে ব্যবসা-বাণিজ্য,যাতায়াতে সত্যি এক অভূতপূর্ব আশার প্রতিফলন হবে।তিনি উভয় সাংসদ আরিফুল হক চৌধুরী, কলিম উদ্দিন মিলন এর প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ জরুরি বলে জানান।
স্হানীয় অধিবাসী বাবুল আহমদ জানান রাস্তাটি প্রসস্থসহ পাকা হলে ব্যবসা,শিক্ষা, এমনকি জায়গা জমির দাম বাড়বে।এলাকায় কর্মসংস্হান সৃষ্টি হবে। বিভাগীয় শহরে যাতায়াতের পথ সুগম হবে এতে প্রচুর লাভমান হবো আমরা।
কথা হয় বনগাঁও গ্রামের শফিক মেম্বারের সাথে প্রতিবেদকের।তিনি বলেন একসময় ব্যবসা নদীপথে এলসি পাথর স্টক করে শুধু বর্যায় পরিবহন হতো।ছনবাড়ী ব্রীজ হওয়ায় ছোট ব্যবসায়ীরাও ব্যবসায় নামছে।একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে সকল শ্রেনী পেশার দাবিও শুনতে হয়। সেজন্য রাস্তাটি দ্রুত সময়ে প্রসস্হ হলে ব্যবসা, শিক্ষা, যাতায়াত সুবিধা হবে। তিনি রাস্তাটির গুরুত্ব বিবেচনায় দ্রুত সময়ে পাকাকরণ দাবি জানান।
তবে স্হানীয় এলাকাবাসীর একটি অংশ সম্প্রতি ছোটট্রাক চলাচলে অনেকাংশে গর্ত হয়েছে। সেজন্য একমাত্র জনচলাচলের রাস্তায় ট্রাক চলাচল বন্ধ রাখতে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ জরুরি বলে মনে করেন।
স্হানীয় ব্যবসায়ী সাইফুল বলেন রাস্তাটি সম্পন্ন হলে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা বেশ উপকৃত হবে।তিনি বলেন রাস্তাটি সত্যি অতি গুরুত্বপূর্ণ এতে শিক্ষা যাতায়াতের এক মাইলফলক হবে।
সচেতন মহলের দাবি দুই থানা দুই জেলার স্হানীয় সাংসদ ও সরকারি সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের নজরে না আসলে গুরুত্বপূর্ণ অপার সম্ভাবনাময় রাস্তাটা অবহেলায় পড়ে থাকবে সেজন্য গুরুত্ব বিবেচনায় গণমাধ্যমের ভূমিকা অপরিসীম বলে মন্তব্য সচেতন মহলের। তাতে দৃষ্টি গোচর হবে সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের।