মাদক, চুরি, ছিনতাই ধর্ষণ ও হত্যাসহ সিলেটের সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতিতে সচেতন জনগোষ্ঠীর করণীয় এবং আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে কীভাবে সহযোগিতা করা যায়—এই লক্ষ্য নিয়ে মঙ্গলবার সিলেট ভিজুয়্যাল মিডিয়া ফ্রেন্ডস ক্লাবের উদ্ধ্যোগে একটি পথসভা ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
সিলেটের ক্বীনব্রীজের নিচে ঐতিহ্যবাহী আলআমজাদের ঘড়ি ঘরের সামনে আয়োজিত পথ সভায় বক্তব্য রাখেন- হাসন রাজা লোকসাংস্কৃতিক পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি, সমাজসেবক ও সাংস্কৃতিক অনুরাগী ডা. জহিরুল ইসলাম অচিনপুরী।
ক্লাবের সভাপতি কামরুল চৌধুরীর সভাপতিত্ত্বে ও সাধারণ সম্পাদক শিপন আহমদ এর পরিচালনায় অন্যানদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- ক্লাবের সাবেক সভাপতি ও নাট্য অভিনেতা শাহেদ মোশারফ (কটাই মিয়া), হাসন রাজা লোকসাংস্কৃতিক পরিষদের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক সোলেমান হোসেন চুন্নু, সিলেট ভিজুয়্যাল মিডিয়া ফ্রেন্ডস ক্লাবের সহ-সভাপতি দেলোয়ার হোসেন শিপলু, সাংগঠনিক সম্পাদক ফাহিম হোসাইন, অর্থ সম্পাদক জাফর হোসেন রুবেল, দপ্তর সম্পাদক এইচ এম আয়নুল, সাংস্কৃতিক সম্পাদক, পারভেজ আহমদ, প্রচার সম্পাদক মোজাহিদ আহমদ, সহ-প্রচার সম্পাদক ইয়াছিন আহমদ কবির ও কার্যকরি সদস্য নয়ন হোসেন।
এছাড়াও কর্মসূচিতে একাত্মতা প্রকাশ করে অংশ নেন- হাফিজ আহমদ, শাহিদ আহমদ, আল-আমিন, কামাল আহমদ দুর্জয়, রুবেল রাজ, নিজাম উদ্দীন কলাপুরি, মোশাররফ হোসেন মৃদুল, মাসুম পারভেজ তারেক, আমিনুল ইসলামসহ সংগঠনের অন্যান্য সাধারণ সদস্য এবং স্থানীয় সচেতন জনতা।
বক্তারা বলেন, ‘সিলেটের ঐতিহ্যকে ধরে রাখতে এবং এর সংস্কৃতিকে বাঁচিয়ে রাখতে আমাদের যার যার অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য শুধু প্রশাসনের ওপর নির্ভর করলেই চলবে না, আমাদের নিজ নিজ জায়গা থেকে সচেতন নাগরিক হিসেবে রুখে দাঁড়াতে হবে।’
এলাকার ঐতিহাসিক গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, ‘আলি আমজাদের ঘড়ি, কীনব্রীজ, চাঁদনী ঘাটের সিঁড়ি, সার্কিট হাউস এবং সংস্কৃতির আঁতুড়ঘর সারদা হল—এই সবকিছু মিলিয়েই এই চত্বরটি একটি ঐতিহ্য চত্বর।’
সরকার যাতে অচিরেইএই চত্ত্বরকে ঐতিহ্য বাহী চত্ত্বর ও সংরক্ষিত এলাকা হিসেবে ঘোষণার দাবি করেন বক্তারা। গত ২২ মে ২০২৬ শুক্রবার দুপুরে এক ছিনতাইকারী ও মাদকসেবীর ছুরিকাঘাতে ইমন আচার্য (২৬) নামের র্যাব-৯ এর এক সদস্য নিহত হয়েছেন।