মাত্র ৩ কিলোমিটার কাঁচা সড়ক যাতায়াত করেন ৩ টি ইউনিয়নের প্রায় অর্ধ লক্ষাধিক জনসাধারণ। পাঁকা সড়কের অভাবে দীর্ঘদিন ধরে চরম ভোগান্তি পোহাচ্ছেন ঢাকাদক্ষিন, লক্ষণাবন্দ ও লক্ষিপাশা ইউনিয়নের একাংশের জন সাধারণ। ১০ কিলোমিটার দীর্ঘ ঢাকাদক্ষিন-জাঙ্গালহাটা সড়কের অধিকাংশ রাস্তা পাঁকা থাকলেও বাধ সাধে বিএনকে উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ হতে পালোপাড়া ব্রিজ পর্যন্ত পূর্ব খর্দ্দাপাড়া ও পশ্চিম খর্দ্দাপাড়া গ্রামের ৩ কিলোমিটার অংশের কাঁচা সড়ক।
এই ৩ কিলোমিটার সড়ক কাঁচা থাকায় ৩টি ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রামের প্রায় অর্ধ লক্ষাধিক মানুষের ভোগান্তির শেষ নেই। যুগের পর যুগ কাঁচা সড়ক দিয়ে চলাচল করতে গিয়ে প্রতিনিয়ত ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা। শুষ্ক মৌসুমে যানবাহন চলাচল করলেও বর্ষাকালে এই সড়ক চলাচলের সম্পূর্ণ অনুপযোগী হয়ে পড়ে। যার কারনে বেশি ভুগান্তি পোহাতে হয় স্কুল কলেজ পড়ুয়া শির্ক্ষাথীদের। লক্ষিপাশা ইউনিয়নের ৩ নং ওর্য়াডের ইউপি সদস্য জামিল আহমদ জানান, ঢাকাদক্ষিন- জাঙ্গালহাটা সড়ক একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক।
এই সড়ক দিয়ে লক্ষিপাশা, লক্ষণাবন্দ ও ঢাকাদক্ষিন ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রামের মানুষ খুব সহজেই ঢাকাদক্ষিন বাজার সহ উপজেলা সদরে যেতে পারে কিন্তু মাত্র ৩ কিলোমিটার সড়ক কাঁচা থাকায় বর্ষা মৌসুমে হেটে চলাও কষ্ট হয়ে যায়। নাম প্রকাশে অনিচ্চুক পশ্চিম খর্দ্দাপাড়া গ্রামের এক ভুক্তভোগী অভিযোগ করে বলেন, স্থানীয় থেকে জাতীয় নির্বাচন আসলে প্রার্থীরা সড়ক উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দেন পরে দৃর্শ্যমান কোন উন্নয়ন দেখা যায়না।
এলাকাবাসী জানান, সামান্য বৃষ্টি হলেই পুরো রাস্তায় কাদা জমে একাকার হয়ে যায়। গর্ভবতী নারী, বয়স্ক ব্যক্তি ও জরুরি রোগীদের হাসপাতালে নিতে চরম বিপাকে পড়তে হয়। এছাড়াও এলাকার কোমলমতি শিক্ষার্থীদের ঝুঁকি নিয়ে কাদামাটি মাড়িয়ে স্কুলে যেতে হয়। কৃষিপ্রধান এলাকা হওয়ায় কৃষকরা তাদের উৎপাদিত ফসল সঠিক সময়ে ও ন্যায্য দামে বাজারে বিক্রি করতে পারছেন না।
জানতে চাইলে ঢাকাদক্ষিন ইউনিয়নের ৮ নং ওর্য়াডের ইউপি সদস্য সালাহ উদ্দিন সিপার মুঠোফোনে সবুজ সিলেটকে জানান, ইতিমধ্যে এ সড়কটি পাঁকা করনের জন্য স্থানীয় সংসদ সদস্য এমরান আহমদ চৌধুরীকে অবগত করা হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন জনবান্ধব সংসদ সদস্য খুব শীঘ্রই এ সড়কটির জনদূর্ভোগ দুর করার উদ্যোগ নেবেন। দ্রুত এই জনদুর্ভোগ নিরসনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী।