কানাইঘাট সীমান্তে আবারো পড়ে আছে খালেদ আহমদ নামের এক যুবকের গুলিবিদ্ধ লাশ।
নিহত খালেদ আহমদ উপজেলার সীমান্তবর্তী লক্ষীপ্রসাদপূর্ব ইউনিয়নের এরালীগুল গ্রামের মৃত ফজলু মিয়ার পুত্র।
নিহতের পারিবারিক সূত্রে জানা যায় আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে স্থানীয় চোরাকারবারী ময়নুল হকের সাথে খালেদ আহমদ দনা সীমান্তের ১৩৩৩নং মেইন পীলারের মিকিরপাড়া এলাকা দিয়ে অবৈধভাবে ভারতের আকুয়া এলাকায় প্রবেশের চেষ্টা করে। এতে সে এক গুলিতে মারা যায়। বর্তমানে তার লাশ বাংলাদেশের অভ্যন্তরের মিকিরপাড়া এলাকায় পড়ে আছে।
এ বিষয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য নাজিম উদ্দিন জানিয়েছেন, নিহতের পরিবার তাকে ঘটনাটি জানিয়েছে এবং নিহতের ভাই সালা উদ্দিন বলেছে বিএসএফ’র গুলিতে খালেদ আহমদ মারা গেছে। তিনি ঘটনাটি থানা পুলিশ ও বিজিবিকে অবহিত করেছেন এবং বিজিবি লাশ উদ্ধারের ব্যবস্থা নিচ্ছে। তবে দনা বিজিবি ক্যাম্পের মুঠোফোনে বার বার যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে ফোন রিসিভ হয়নি।
এদিকে কানাইঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ আমিনুল ইসলাম জানিয়েছেন, এ বিষয়ে বিজিবির পক্ষ থেকে তাদের কিছু জানানো হয়নি।
উল্লেখ্য যে, গত ১০ অক্টোবর সিলেটের কানাইঘাট সোনারখেওড় সীমান্তে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে শাহিন আহমদ নামে যুবকের গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এর ৫ দিনের ব্যবধানে এবার খালেদ নামের এক যুবকের লাশ পড়ে আছে সীমান্তে।