সিলেটের বিশ্বনাথে দি ওয়ান পাউন্ড জেনারেল হসপিটালের উদ্যোগে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও ওষুধ পেয়েছেন উপজেলার বিভিন্ন এলাকার সাড়ে ৫ শতাধিক রোগী। হাসপাতালের ফাউন্ডার মেম্বার ও যুক্তরাজ্যের রাজপরিবারের ডেপুটি লেফটেন্যান্ট খেতাবপ্রাপ্ত প্রবাসী কমিউনিটি নেতা মাকরাম আলী আফরোজের অর্থায়নে এ মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকালে নির্মাণাধীন দি ওয়ান পাউন্ড জেনারেল হসপিটাল প্রাঙ্গণে আয়োজিত ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পে চক্ষু, হৃদরোগ, মেডিসিন, ডায়াবেটিস, অ্যালার্জি ও গাইনিসহ বিভিন্ন রোগের চিকিৎসা দেওয়া হয়। বিনামূল্যে ব্যবস্থাপত্রের পাশাপাশি রোগীদের প্রয়োজনীয় ওষুধও বিতরণ করা হয়।
হাসপাতালের প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও চিকিৎসক শানুর আলী মামুনের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সিলেটের সিভিল সার্জন ডা. মো. নাসির উদ্দিন।
তিনি বলেন, প্রত্যন্ত অঞ্চলে একটি হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা স্থানীয় মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এখানে ভূমিদাতা ও দানশীল ব্যক্তিদের সহযোগিতায় হাসপাতালটি চালু হলে দরিদ্র ও অসহায় মানুষ চিকিৎসাসেবা পাওয়ার সুযোগ পাবেন। স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে হাসপাতালটির জন্য প্রয়োজনীয় সহযোগিতার চেষ্টা করা হবে।
হাসপাতালের বিশ্বনাথ কো-অর্ডিনেটর সাংবাদিক তজম্মুল আলী রাজুর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন বিশ্বনাথ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাহিদ বিন কাশেম। প্রধান বক্তা ছিলেন হাসপাতালের বাংলাদেশ কান্ট্রি কো-অর্ডিনেটর ও চক্ষু বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. জহিরুল ইসলাম অচিনপুরী।
এ সময় হাসপাতালের সাবেক ট্রাস্টি ও ফাউন্ডার মেম্বার শেখ হারুনুর রশীদ, পেট্রন সুলেমান খান, ফাউন্ডার মেম্বার রফিক মিয়াসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, চিকিৎসক, শিক্ষক, সমাজকর্মী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
হাসপাতালের প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও ডা. শানুর আলী মামুন বলেন, সবার সহযোগিতা পেলে হাসপাতালটি চালু না হওয়া পর্যন্ত এ ধরনের মেডিকেল ক্যাম্প আয়োজন অব্যাহত রাখা হবে। এ অঞ্চলের মানুষের স্বাস্থ্যসেবায় প্রতিষ্ঠানটি কাজ করে যেতে চায়।
মেডিকেল ক্যাম্পে চিকিৎসাসেবা দেন অধ্যাপক ডা. জহিরুল ইসলাম অচিনপুরী, অধ্যাপক ডা. আব্দুল মজিদ মিয়া, জি এম আনোয়ার হোসাইন, অধ্যাপক ডা. ফাতেমা বেগম মিলি, সাইফুর রহমান রিপন, মাহমুদুল আমীন, ডা. এম. শানুর আলী মামুন, ডা. এম এ কুদ্দুছ চৌধুরী ও ফারহানা বেগম সুমা।
এ সময় হাসপাতালের অফিস সেক্রেটারি ও হিসাবরক্ষক গোলাম মোস্তফা, প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট অফিসার ওহিদুর রহমান সাগরসহ বিশ্বনাথ থানা পুলিশের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।