মৌলভীবাজারের বড়লেখায় ২০ লাখ টাকার চেক সংক্রান্ত মামলায় আদালতের গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত রাহাদ আহমদ নামে এক সৌদি আরবপ্রবাসীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
রোববার দুপুরে উপজেলার সুজানগর ইউনিয়নের সুজানগর দক্ষিণ গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। রাহাদ আহমদ ওই গ্রামের মৃত সামছুল ইসলামের ছেলে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, সুজানগর দক্ষিণ (বড়বাড়ি) গ্রামের আগর-আতর ব্যবসায়ী ফরহাদ হায়দারের বড়থল গ্রামে আগর কাঠের ভূষি তৈরির কারখানা রয়েছে। এজাহারে বলা হয়, সৌদি আরবপ্রবাসী রাহাদ আহমদ সেখানে আগর কাঠের ভূষির ব্যবসা করেন জানিয়ে গত বছরের ১৪ অক্টোবর ফরহাদ হায়দারের কাছ থেকে প্রায় ২০ লাখ ৪৭ হাজার ৫০০ টাকা মূল্যের প্রায় ১ হাজার ২০০ কেজি আগর কাঠের ভূষি কেনেন। এর মধ্যে ২০ লাখ টাকা বকেয়া রেখে তিনি মালামাল নিয়ে যান বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বকেয়া টাকা পরিশোধ না করায় ফরহাদ হায়দার একাধিকবার তাগাদা দেন। পরে গত ২ জুলাই রাহাদ আহমদ বকেয়া টাকা পরিশোধের জন্য ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের একটি চেক দেন। চেকটি ব্যাংকে জমা দেওয়ার পর হিসাবে পর্যাপ্ত টাকা না থাকায় তা প্রত্যাখ্যাত হয় বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় ফরহাদ হায়দার গত ১০ আগস্ট বড়লেখা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে রাহাদ আহমদের বিরুদ্ধে মামলা করেন। ওই মামলায় আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।
বড়লেখা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান খান রাহাদ আহমদকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ২০ লাখ টাকা চেক সংক্রান্ত মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত আসামি হিসেবে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। রোববার বিকেলে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।