শাল্লা উপজেলায় নদী ভাঙ্গনে কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছেন সুনামগঞ্জ-২ আসেন সংসদ সদস্য নাছির উদ্দীন চৌধুরীর স্ত্রী পারভীন আক্তার চৌধুরী।
রবিবার ১৬ আগস্ট দুপুর বারোটায় নদী ভাঙ্গন এলাকায় পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় প্রতাপপুর, ভেড়াডহর সহ নদী ভাঙ্গনে কবলিত বেশ কয়েকটি স্পট পরিদর্শন করেন তিনি।
পরিদর্শন শেষে নদী ভাঙ্গনে বসতভিটা হারানো পরিবারদের সাথে কথা বলে সার্বিক খোঁজখবর নেন। নদী ভাঙ্গন এলাকা পরিদর্শন শেষে তিনি বলেন, এমপি মহোদয় নিজেই নির্দেশনা দিয়ে স্থানীয় নেতাকর্মীদের সাথে মিটিং করে আমাকে এখানে পাঠিয়েছেন। কিন্তু এখানকার মানুষের দুঃখদুর্দশা দেখে আমি সহ্য করতে পারতেছি না।
তিনি বলেন এতোদিন শুনেছি আজকে বাস্তবে তাদের দুদর্শা দেখেছি। প্রতিদিন, প্রতিনিয়ত তাদের বাড়িঘর ভেঙে নদীতে যাচ্ছে। বাস্তহারা মানুষদের সহযোগিতা করার জন্য আমি এখানকার প্রশাসনের দায়িত্বশীল লোকদের বলে দেবো। আর ঢাকায় গিয়ে এমপি সাহেবকেও সার্বিক অবস্থা জানাবো। এবং এমপি সাহেব নিজেই এব্যাপারে মন্ত্রনালয়ে দরখাস্ত করবেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দৃষ্টি আকর্ষণ করে তিনি বলেন আমাদের দিরাই-শাল্লার অনেক মানুষের বাড়িঘর সাগরের মতো নদীতে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন আপনি একটু সদয় হ্রদয়ে দৃষ্টি দিবেন। আপনার একটু দৃষ্টি দিলেই আমাদের শাল্লার নদী ভাঙ্গনে কবলিত এলাকাগুলো বেঁচে যাবে।
সাথে থাকা পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোঃ ওবাইদুল হক বলেন, গ্রাম শাল্লা থেকে টুকচানপুর পর্যন্ত নদী ভাঙ্গন রোধকল্পে বড় একটি প্রকল্প মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। এমপি স্যারের সাথে যোগাযোগ করে যাতে দ্রুত প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা যায় সেই আলোকে কাজ করা হচ্ছে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির ১ম যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ আব্দুল আওয়াল, যুগ্ম আহ্বায়ক নিত্যানন্দ দাস, পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোঃ ওবাইদুল হক, উপজেলা কৃষকদলের আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবুল, যুগ্ম আহ্বায়ক রফিকুল ইসলাম, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক নুরুল আমিন, সাংবাদিক আবু হানিফ চৌধুরী, উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক রোমান আহমেদ, ছাত্রদল নেতা শাকিল আহমেদ, সাবেক ছাত্রনেতা সুজন আহমেদ, আশিক আহমেদ, রাহুল সরকার, বাহাড়া ইউনিয়ন ছাত্রদলের আহ্বায়ক রিদয় মিয়া প্রমূখ।