বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট ২০২৬
বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট ২০২৬
শিরোনাম
বিশ্বনাথে বিএনপি নেতা হাজী এখলাছুর রহমানের দাফন সম্পন্ন নেপালকে সব ধরনের সহায়তা দিতে প্রস্তুত বাংলাদেশ জগন্নাথপুরে জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত ৯/১১ হামলার বিচার শুরু ২০২৮ সালে হবিগঞ্জের দায়িত্বে মুক্তাদির, মৌলভীবাজারে আরিফ, সিলেট ও সুনামগঞ্জে গউছ টানা ১০ দিন ঝোড়ো বৃষ্টির আভাস জৈন্তাপুরে এসএসসি ও সমমান উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের ছাত্রশিবিরের সংবর্ধনা সংসদে হাসনাতকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: ‘এটা প্রশ্ন, না পল্টনের বক্তৃতা বুঝতে পারিনি নেপালে বন্যায় প্রাণহানির ঘটনায় প্রধানমন্ত্রীর শোক মরা চেলা নদীতে অবৈধ বালু উত্তোলন, ঝুঁকিতে ছাতক সিমেন্টের রোপওয়ে
advertisement
সিলেট বিভাগ

সুনামগঞ্জে ঈদের দিন সংঘর্ষে মৃত্যু, ১২ বছর পর ১১ জনের সাজা

সুনামগঞ্জ পৌর শহরের ওয়েজখালী এলাকায় ওয়ারিশ আলী হত্যা মামলার প্রায় এক যুগ পর রায় ঘোষণা করেছেন আদালত। বুধবার (২৭ আগস্ট) দুপুরে সুনামগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক মুহাম্মদ আকবর হোসেন এ রায় ঘোষণা করেন।

রায়ে ১১ আসামির মধ্যে দুজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তারা হলেন—ওয়েজখালী এলাকার গমীর বক্সের ছেলে বাদশা মিয়া এবং সুনাফর আলীর ছেলে খেলু মিয়া ওরফে ফেলু মিয়া।

এ ছাড়া চার আসামিকে সাত বছর করে এবং পাঁচ আসামিকে দুই বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ১১ আসামির প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরও দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন—রামিজ আলী, নুরুল মিয়া, খোরশেদ আলম ও নুরুজ্জামান। দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন—রাজা মিয়া, জগলু মিয়া, নুর উদ্দিন, সহিনুর মিয়া ও তাহের মিয়া।

রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অতিরিক্ত পিপি অ্যাডভোকেট শেরেনুর আলী সন্তোষ প্রকাশ করেন। মামলায় আসামিপক্ষের আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট সালেহ আহমদ।

মামলার রায়ের বিবরণ থেকে জানা যায়, স্থানীয় পৌরসভা কাউন্সিলর নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বাদী ও আসামিপক্ষের মধ্যে আগে থেকেই বিরোধ চলছিল। ঘটনার আগের দিন ২০১৪ সালের ২৮ জুলাই জুয়েল মিয়ার সঙ্গে সাক্ষী ফয়জুর রহমানের কথা-কাটাকাটি হয়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।

পরদিন ২৯ জুলাই ঈদের দিন সকালে ওয়েজখালী পয়েন্টের একটি মসজিদে ঈদের জামাতকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে ওয়ারিশ আলীসহ কয়েকজন আহত হন। গুরুতর আহত ওয়ারিশ আলীকে প্রথমে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২০১৪ সালের ৪ আগস্ট ওয়ারিশ আলীর মৃত্যু হয়। তাঁর মৃত্যুর পর এ ঘটনায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।

পুলিশ তদন্ত শেষে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত রায় ঘোষণা করেন।

রায়ে জাকারিয়া, আব্দুল জহুর, সাজ্জাত আলী, রেনু মিয়া, জুয়েল মিয়া, মো. শফিকুল ইসলাম, খলিল, সুমন, রিপন ও শাহাবুদ্দিনকে অভিযোগ থেকে খালাস দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া শাহের আলী ও পারভেজ মিয়া মৃত্যুবরণ করায় তাঁদের বিরুদ্ধে চলমান মামলা অবসান করে দায় থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

রায়ে পলাতক আসামি খোরশেদ আলম ও নুরুজ্জামানের বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানা জারির নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা আগে যে সময় কারাগারে ছিলেন, আইন অনুযায়ী সেই সময় তাঁদের কারাদণ্ড থেকে বাদ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এই সম্পর্কিত আরো

বিশ্বনাথে বিএনপি নেতা হাজী এখলাছুর রহমানের দাফন সম্পন্ন

নেপালকে সব ধরনের সহায়তা দিতে প্রস্তুত বাংলাদেশ

জগন্নাথপুরে জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

৯/১১ হামলার বিচার শুরু ২০২৮ সালে

হবিগঞ্জের দায়িত্বে মুক্তাদির, মৌলভীবাজারে আরিফ, সিলেট ও সুনামগঞ্জে গউছ

টানা ১০ দিন ঝোড়ো বৃষ্টির আভাস

জৈন্তাপুরে এসএসসি ও সমমান উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের ছাত্রশিবিরের সংবর্ধনা

সংসদে হাসনাতকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: ‘এটা প্রশ্ন, না পল্টনের বক্তৃতা বুঝতে পারিনি

নেপালে বন্যায় প্রাণহানির ঘটনায় প্রধানমন্ত্রীর শোক

মরা চেলা নদীতে অবৈধ বালু উত্তোলন, ঝুঁকিতে ছাতক সিমেন্টের রোপওয়ে