সুনামগঞ্জ জেলার জগন্নাথপুর উপজেলার রানীগঞ্জ ইউনিয়নের বাগময়না গ্রামের দুইটি রাস্তার মাটি ভরাটের কাজ দৃশ্যমানভাবে সম্পন্ন না করেই বিল উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে, রানীগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের ৪নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য তেরা মিয়ার বিরুদ্ধে।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি জানিয়েছেন, কাজ সম্পূর্ন হয়েছে।
রাস্তা দুটির কাজ সম্পূন না হওয়ায় বাগময়না গ্রামের বাসিন্দা সমাজ সেবক জাকির হোসেন চলতি বছরের ২৬ জুলাই জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর অভিযোগ দায়ের করেন
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে দুইটি রাস্তায় মাটি ভরাট করার জন্য ৮ লাখ টাকা বরাদ্দ দিলে ও কোনো কাজ দৃশ্যমান দেখা যায়নি। এ ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে। এই ব্যাপারে ।
অভিযোগে উল্লেখ করেন, বাগময়না গ্রামের রাসেল মিয়ার বাড়ীর সামন হইতে স্বজনশ্রী রাস্তার মাথা পর্যন্ত রাস্তায় মাটি ভরাট কাজের জন্য ৪ লাখ টাকা এবং বাগময়না ছালুয়া নদীর পাওয়ার পাম্প হইতে রাসেল মিয়ার বাড়ীর সামন পর্যন্ত রাস্তার মাটি ভরাট কাজের জন্য ৪ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। উল্লেখিত বরাদ্দকৃত টাকা উত্তোলন করা হলে ও এখনও মাটি ভরাটের কাজ শেষ হয়নি।
স্থানীয়দের অভিযোগ,সংশ্লিষ্ট দুইটি রাস্তার উন্নয়নকাজের জন্য সরকারি অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হলেও দৃশ্যমান কোনো কাজ হয়নি। অথচ প্রকল্পের বরাদ্দের অর্থ উত্তোলন করা হয়েছে। রাস্তা দুটির কাজ শেষ না হওয়ার কারনে ভাঙাচোরা রাস্তা দিয়ে চলাচল করতে গিয়ে গ্রামের শিক্ষার্থী, কৃষক, রোগী ও সাধারণ মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
এলাকাবাসী স্থানীয় সংসদ সদস্য, জেলা প্রশাসন, উপজেলা প্রশাসন এবং দুর্নীতি দমন কমিশনসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং দ্রুত রাস্তা দুটি নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন।
এব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ ইসলাম উদ্দিন জানান, বাগময়না গ্রামের দুটি রাস্তার মাটি ভরাট কাজের অনিয়মের লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগের