কানাইঘাট উপজেলার লক্ষীপ্রসাদ পশ্চিম ইউনিয়নের বড়বন্দ ৩য় খন্ড গ্রামে আবারও নৃশংস হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটেছে। স্বামী স্ত্রীর মধ্যে মনোমালিন্যকে কেন্দ্র করে বায়রা ভাই ও তার ভাই,ভাগ্নারা ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জাহাঙ্গীর আলম (২৮) নামে এক যুবককে হত্যা করেছে।
এ হত্যাকান্ডের ঘটনাটি ঘটেছে আজ বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ইউনিয়নের করুনা সুন্দরী দীঘীর রাস্তার পাশে। নিহত জাহাঙ্গীর আলম বড়বন্দ ৩য় খন্ড গ্রামের মৃত মোসা মিয়ার পুত্র।
নিহতদের স্বজনরা জানিয়েছেন স্বামী স্ত্রীর মধো জগড়াকে কেন করে জাহাঙ্গীর আলমের স্ত্রী আনুমানিক ২ মাস পূর্বে দুই সন্তান নিয়ে তার পিত্রালয়ে চলে যায়। এদিকে পিত্রালয় থেকে ফিরিয়ে আনতে জাহাঙ্গীর আলম একই গ্রামের সিকন্দর আলীর পুত্র তারা ভায়রা ভাই শামীম উদ্দিনের সরনাপন্ন হয়। এনিয়ে আজকে বিকেল ২টার দিকে কথা কাটাকাটির জের ধরে ভায়রা শামীম উদ্দিন ও তার শশুর বাড়ির লোকজন জাহাঙ্গীর আলমকে মারার জন্য চেষ্টা করলে সে পালিয়ে যায়।
বিকেল ৫ টার দিকে নিজ বাড়ি থেকে স্থানীয় বড়বন্দ বাজারে আসার পথে করুনা সুন্দরী দিঘীর পাশে ভায়রা শামীম ও তার ভাই ডালিম উদ্দিন, নাইম উদ্দিন ও তার ভাগ্না তারেক আহমদ, শাহেদ আহমদ সহ কয়েকজন জাহাঙ্গীর আলমের উপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে দেশীয় ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করে। স্থানীয় লোকজন জাহাঙ্গীর আলমকে উদ্ধার করে সিলেট ওসমানী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথিমধ্যে সে মারা যায়। বর্তমানে তার লাশ ওসমানী হাসপাতালে রাখা হয়েছে।
এ হত্যাকান্ডের খবর পেয়ে কানাইঘাট থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। থানার ওসি আমিনুল ইসলাম জানিয়েছেন মারামারির সংবাদ পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়েছে। জাহাঙ্গীর আলমের মৃত্যুর ঘটনাটি জানার পর এ হত্যাকান্ডের সাথে জড়িতদের আটক করতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।