রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬
রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬
✔ বাংলা টেক্সট কনভার্টার
শিরোনাম
advertisement
সিলেট বিভাগ

কর্মসংস্থান ও বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে ইতিবাচক বার্তা বাজেটে

সংসদে উপস্থাপিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটকে দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতায় গুরুত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা ও অভ্যন্তরীণ নানা চ্যালেঞ্জের মধ্যেও জনগণের প্রত্যাশা ও বাস্তবতার সমন্বয় ঘটানোর চেষ্টা করা হয়েছে এ বাজেটে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি সরকারের প্রথম বাজেটে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ, সামাজিক সুরক্ষা সম্প্রসারণ, সুষম উন্নয়ন এবং উৎপাদনমুখী অর্থনীতি গঠনের লক্ষ্যে বিভিন্ন পদক্ষেপের প্রস্তাব রাখা হয়েছে।

বিশেষ করে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় কমাতে ধান, চাল, গম, আলু, পেঁয়াজ, ভোজ্যতেল ও চিনিসহ ৬০টি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের উৎসে কর কমিয়ে শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ নির্ধারণের প্রস্তাবকে ইতিবাচক হিসেবে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি দরিদ্র শিক্ষার্থীদের জন্য স্কুল ইউনিফর্ম, জুতা ও ব্যাগ সরবরাহ এবং প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা কার্যক্রমের পরিকল্পনাও প্রশংসা কুড়িয়েছে।

তবে বাজেট বাস্তবায়ন নিয়ে উদ্বেগও রয়েছে। সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)সহ বিভিন্ন অর্থনৈতিক বিশ্লেষক ও বিশেষজ্ঞরা রাজস্ব আহরণের উচ্চ লক্ষ্যমাত্রা অর্জনকে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন। তাদের মতে, প্রায় ৫ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকার অতিরিক্ত রাজস্ব আদায় করতে হলে উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি প্রয়োজন হবে, যা বর্তমান প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতার প্রেক্ষাপটে কঠিন হতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, রাজস্ব ঘাটতি তৈরি হলে অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক ঋণের ওপর চাপ বাড়তে পারে, যা সামষ্টিক অর্থনীতির জন্য নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তবে সরকারের পক্ষ থেকে কঠোর তদারকি ও কার্যকর পদক্ষেপ অব্যাহত থাকলে এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা সম্ভব বলেও মনে করা হচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, বাজেট বাস্তবায়নে তিনটি বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। প্রথমত, কর আদায়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং কর প্রদানের সংস্কৃতি গড়ে তোলা। জনগণের মধ্যে এই উপলব্ধি তৈরি করতে হবে যে তাদের করের অর্থই দেশের উন্নয়নে ব্যয় করা হয়।

দ্বিতীয়ত, দুর্নীতি ও অপচয় রোধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ। সংশ্লিষ্ট গবেষণায় দেখা গেছে, বাজেটের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ দুর্নীতি ও অপচয়ের কারণে নষ্ট হয়ে যায়। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারি ব্যয় ব্যবস্থাপনায় আরও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

তৃতীয়ত, অর্থ পাচার রোধ এবং পাচার হওয়া অর্থ দেশে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ জোরদার করা। বিগত বছরগুলোতে দেশ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ বিদেশে পাচারের অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত এবং নতুন করে অর্থ পাচার বন্ধে কার্যকর নজরদারির দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

সংশ্লিষ্ট মহলের অভিমত, কর আদাকর্মসংস্থান ও বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে ইতিবাচক বার্তা বাজেটে

স্টাফ রিপোর্টার: সংসদে উপস্থাপিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটকে দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতায় গুরুত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা ও অভ্যন্তরীণ নানা চ্যালেঞ্জের মধ্যেও জনগণের প্রত্যাশা ও বাস্তবতার সমন্বয় ঘটানোর চেষ্টা করা হয়েছে এ বাজেটে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি সরকারের প্রথম বাজেটে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ, সামাজিক সুরক্ষা সম্প্রসারণ, সুষম উন্নয়ন এবং উৎপাদনমুখী অর্থনীতি গঠনের লক্ষ্যে বিভিন্ন পদক্ষেপের প্রস্তাব রাখা হয়েছে।

বিশেষ করে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় কমাতে ধান, চাল, গম, আলু, পেঁয়াজ, ভোজ্যতেল ও চিনিসহ ৬০টি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের উৎসে কর কমিয়ে শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ নির্ধারণের প্রস্তাবকে ইতিবাচক হিসেবে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি দরিদ্র শিক্ষার্থীদের জন্য স্কুল ইউনিফর্ম, জুতা ও ব্যাগ সরবরাহ এবং প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা কার্যক্রমের পরিকল্পনাও প্রশংসা কুড়িয়েছে।

তবে বাজেট বাস্তবায়ন নিয়ে উদ্বেগও রয়েছে। সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)সহ বিভিন্ন অর্থনৈতিক বিশ্লেষক ও বিশেষজ্ঞরা রাজস্ব আহরণের উচ্চ লক্ষ্যমাত্রা অর্জনকে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন। তাদের মতে, প্রায় ৫ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকার অতিরিক্ত রাজস্ব আদায় করতে হলে উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি প্রয়োজন হবে, যা বর্তমান প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতার প্রেক্ষাপটে কঠিন হতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, রাজস্ব ঘাটতি তৈরি হলে অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক ঋণের ওপর চাপ বাড়তে পারে, যা সামষ্টিক অর্থনীতির জন্য নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তবে সরকারের পক্ষ থেকে কঠোর তদারকি ও কার্যকর পদক্ষেপ অব্যাহত থাকলে এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা সম্ভব বলেও মনে করা হচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, বাজেট বাস্তবায়নে তিনটি বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। প্রথমত, কর আদায়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং কর প্রদানের সংস্কৃতি গড়ে তোলা। জনগণের মধ্যে এই উপলব্ধি তৈরি করতে হবে যে তাদের করের অর্থই দেশের উন্নয়নে ব্যয় করা হয়।

দ্বিতীয়ত, দুর্নীতি ও অপচয় রোধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ। সংশ্লিষ্ট গবেষণায় দেখা গেছে, বাজেটের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ দুর্নীতি ও অপচয়ের কারণে নষ্ট হয়ে যায়। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারি ব্যয় ব্যবস্থাপনায় আরও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

তৃতীয়ত, অর্থ পাচার রোধ এবং পাচার হওয়া অর্থ দেশে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ জোরদার করা। বিগত বছরগুলোতে দেশ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ বিদেশে পাচারের অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত এবং নতুন করে অর্থ পাচার বন্ধে কার্যকর নজরদারির দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

সংশ্লিষ্ট মহলের অভিমত, কর আদায় বৃদ্ধি, দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণ এবং অর্থ পাচার রোধ—এই তিন ক্ষেত্রে কার্যকর অগ্রগতি অর্জন করা গেলে বাজেট বাস্তবায়নের পথ অনেকটাই সহজ হবে এবং দেশের অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ তৈরি হবে।য় বৃদ্ধি, দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণ এবং অর্থ পাচার রোধ—এই তিন ক্ষেত্রে কার্যকর অগ্রগতি অর্জন করা গেলে বাজেট বাস্তবায়নের পথ অনেকটাই সহজ হবে এবং দেশের অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ তৈরি হবে।

এই সম্পর্কিত আরো