ছাতকে চরমহল্লা ইউনিয়নের চাঁনপুর গ্রামে কাপনা নদীর বাঁধ নির্মাণ-কে কেন্দ্র করে গ্রামের দুই পক্ষের মধ্যে এক রক্তক্ষয়ী সং'ঘর্ষে'র ঘটনা ঘটেছে।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত এ সংঘর্ষে উভয় প'ক্ষে'র শতাধিক লোক আ'হত হয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চাঁনপুর গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল মালিকের পুত্র সাবেক মেম্বার কমর উদ্দিন এবং মশক আলীর পুত্র রুশমত আলী পক্ষের লোকজনের মধ্যে পুর্ব বিরোধ চলছিল। বৃহস্পতিবার সকালে এক পক্ষ চাঁনপুর গ্রামের কাপনা চলতি নদীতে বাঁধ সৃষ্টি করে রাস্তা নির্মাণ করতে গেলে অন্য পক্ষ এতে বাধাঁ দেন।
এর জের ধরে উভয় পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র ও ইট-পাটকেল নিয়ে ভয়াবহ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন।
সংঘর্ষে উভয় পক্ষের শতাধিক লোক আ'হত হয়েছে বলে জানা গেছে। আহত রবি আলী (৫৫), জালু মিয়া (৫০), ইসলাম উদ্দিন (৫৫), মুজিবুর রহমান (৫০), ময়নুল হক (২৭), আব্দুল আজিদ(২৮), ইকবাল হোসেন(৩১), নজরুল হক (২৬), তোফাজ্জল হোসেন (৪০), আবুল বশর (৪৫), তোফায়েল আহমেদ (২২), সুয়েব আহমদ (২৬), এমদাদুল ইসলাম (১৮), রাজ উদ্দিন (৩৫), আঙ্গুর আলম (২৫), সাজু উদ্দিন (৩৫), মুজাম্মিল আলী (৩৫), হেলাল মিয়া (৪০), তারিছ মিয়া (৪৪), ফারুক মিয়া (৫০), সৈয়দ আহমদ (৫০) সহ গুরুতর আ'হত ৩০ জনকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অন্যান্য আহতদের কৈতক হাসপাতালে ভর্তি সহ বিভিন্ন হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
সংঘর্ষের খবর পেয়ে স্থানীয় লোকজন ও পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। বর্তমানে ওই এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। যেকোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে পুলিশি নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে জাউয়া বাজার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মোস্তফা কামাল জানান, পরিস্থিতি বর্তমানে শান্ত রয়েছে। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।