‘সংঘাত নয়, শান্তি ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ি’—এই স্লোগানকে সামনে রেখে সিলেটের বিশ্বনাথে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠায় পিস ফেসিলিটেটর গ্রুপের (পিএফজি) করণীয় নিয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) বিকেলে উপজেলার উত্তর বিশ্বনাথ আজমদ উল্লাহ ডিগ্রি কলেজে বিশ্বনাথ পিএফজির আয়োজনে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
পিস ফেসিলিটেটর গ্রুপের (পিএফজি) পিস অ্যাম্বাসেডর ও প্রভাষক আফিয়া রশিদের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন উত্তর বিশ্বনাথ আজমদ উল্লাহ ডিগ্রি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আব্দুর রশিদ। সভা পরিচালনা করেন পিস অ্যাম্বাসেডর ও প্রভাষক নাসরিন জাহান।
সভায় বক্তব্য দেন বিশ্বনাথ পিএফজির সদস্য ও পৌর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক সামছুল ইসলাম, সমন্বয়ক ও সাংবাদিক বদরুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক ও পিএফজি সদস্য কাওছার খান, খাজাঞ্চি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও পিএফজি আন্তঃধর্মীয় কমিটির আহ্বায়ক আবুল বসর মো. ফারুক, প্রভাষক সালমা বেগম, পিএফজি সদস্য হোসাইন আহমদ শাহীন, হাঙ্গার প্রজেক্ট বাংলাদেশের সিলেট জেলার মাঠ সমন্বয়ক কুদরত পাশা, ইয়ুথ অ্যাম্বাসেডর ও ছাত্রদল নেতা শাহ টিপু।
সভায় সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
বক্তারা বলেন, একটি জাতির উন্নয়ন ও অগ্রগতির জন্য শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই। তবে শিক্ষার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের সুশিক্ষায় শিক্ষিত হতে হবে। শিক্ষক, গুণীজন ও প্রতিভাবান ব্যক্তিদের সম্মান করার মধ্য দিয়ে একটি সুন্দর ও সহনশীল সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব।
তারা বলেন, যে সমাজে গুণীজনের কদর নেই, সে সমাজে গুণী মানুষের বিকাশ বাধাগ্রস্ত হয়। গুণীজন ও প্রতিভাবানদের যথাযথ সম্মান ও মূল্যায়ন করা হলে সমাজে আরও প্রতিভাবান ও মানবিক মানুষ তৈরি হবে।
সভায় আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। বক্তারা বলেন, নির্বাচন হতে হবে উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ। ভোটগ্রহণের সময় যেমন শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে, তেমনি নির্বাচন-পরবর্তী সময়েও দল-মত নির্বিশেষে সবাইকে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহাবস্থান, শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রাখতে হবে।
এ সময় শিক্ষার্থী, শিক্ষক, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে সহনশীলতা, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ এবং শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নিশ্চিত করতে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়।