সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলায় ৩৩৭ কেজি ভারতীয় ফুচকাসহ দুই যুবককে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৯।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- সুনামগঞ্জ পৌর শহরের উত্তর আরপিননগর এলাকার বাসিন্দা মো. জসিম উদ্দিনের ছেলে মো. মোশারফ হোসেন (৩৭) ও জামাই পাড়ার বাসিন্দা শান্তা মিয়ার ছেলে মো. জিতু মিয়া (২৩)। গ্রেপ্তারকৃতরা জিজ্ঞাসাবাদে জানায়, তারা পরস্পর যোগসাজশে ভারতীয় ফুসকা চোরাচালানের মাধ্যমে সীমান্ত এলাকা থেকে সংগ্রহ করে বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে নিজেদের হেফাজতে রেখেছিল।
র্যাব জানায়, গত সোমবার সন্ধ্যা ৭টা ৫ মিনিটে র্যাব-৯, সিপিসি-৩, সুনামগঞ্জের একটি আভিযানিক দল বিশ্বম্ভরপুরের পলাশ বাজারে অবস্থানকালে জানতে পারে পলাশ ইউনিয়নের মাঝাইর এলাকায় কতিপয় ব্যক্তি মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে সিএনজি অটোরিকশাসহ অবস্থান করছে। সংবাদ পেয়ে র্যাবের আভিযানিক দল আনুমানিক সন্ধ্যা ৭টা ২০ মিনিটে ঘটনাস্থলে পৌঁছালে র্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে ২ জন ব্যক্তি সিএনজি অটোরিকশা রেখে পালানোর চেষ্টা করে।
এসময় র্যাব তাদেরকে আটক করতে সক্ষম হয়। আটককৃত ব্যক্তিরা জিজ্ঞাসাবাদে জানায়, তাদের হেফাজতে ভারতীয় ফুচকা রয়েছে। পরবর্তীতে তাদের হেফাজতে থাকা প্লাস্টিকের বস্তার ভেতর থেকে ৩৩৭ কেজি ভারতীয় ফুচকা ও সিএনজি অটোরিকশাসহ তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়।
সিলেট র্যাব-৯ এর মিডিয়া অফিসার ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে. এম শহিদুল ইসলাম সোহাগ মঙ্গলবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানান, পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ১৯৭৪ সনের বিশেষ ক্ষমতা আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের পূর্বক গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিদ্বয় ও জব্দকৃত আলামত বিশ্বম্ভরপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এছাড়াও দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে র্যাব-৯ এর গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।