সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলায় অভ্যন্তরীণ বোরো ধান সংগ্রহ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে। বুধবার (৭ মে) বিকেলে উপজেলা খাদ্য গুদাম সাচনা এলএসডি প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান কামরুল এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) আব্দুল মতিন খানের সভাপতিত্বে এবং সাচনা এলএসডি খাদ্য নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা আব্দুল হান্নান কামালের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মিনহাজুল ইসলাম, কৃষি কর্মকর্তা সুমন কুমার সাহা, জামালগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ বন্দে আলী, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা পিযূষ কান্তি মজুমদার,জামালগঞ্জ সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ লুৎফুর রহমান এছাড়া উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি নুরুল হক আফিন্দী, আহ্বায়ক শফিকুর রহমান, যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল মালিক ও আজিজুর রহমান, সাবেক সাধারণ সম্পাদক শাহ মোহাম্মদ শাহজাহান, সাচনা বাজার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুক মিয়া, ভীমখালী ইউপি চেয়ারম্যান আখতারুজ্জামান তালুকদার, জামালগঞ্জ সদর ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ কামাল হোসেন, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মোজাম্মেল হক স্বপন,কৃষকদলের আহ্বায়ক মোবারক হোসেন,স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মোঃ ওয়াহিদুর রহমান,উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক তৌফিকুর রহমান সহ খাদ্য বিভাগের কর্মকর্তা, স্থানীয় কৃষক, বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠন এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ।
উদ্বোধনী বক্তব্যে প্রধান অতিথি সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান কামরুল বলেন, সরকারের প্রধান লক্ষ্য কৃষকদের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা এবং দেশের খাদ্য নিরাপত্তা জোরদার করা। তিনি কৃষকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী ধান সরবরাহের মাধ্যমে এ কর্মসূচিকে সফল করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, হাওরাঞ্চলের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পাশে সরকার সবসময় রয়েছে।
ইতোমধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা প্রণয়ন করা হয়েছে এবং সেই তালিকার সময়সীমা বাড়ানোর জন্যও উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে, যাতে আরও ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক এ সহায়তার আওতায় আসতে পারেন।
খাদ্য গুদাম সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে ২ হাজার ৩৭৩ টন ধান, ১ হাজার ২ টন আতপ চাল এবং ৩ হাজার ৯৯২ টন সিদ্ধ চাল সংগ্রহ করা হবে। প্রতি কেজি ধানের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৬ টাকা (প্রতি মণ ১,৪৪০ টাকা), আতপ চাল ৪৮ টাকা (প্রতি মণ ১,৯২০ টাকা) এবং সিদ্ধ চাল ৪৯ টাকা (প্রতি মণ ১,৯৬০ টাকা) দরে কৃষক ও মিলারদের কাছ থেকে সংগ্রহ করা হবে।