জাতীয় সংসদ কার্যকর থাকা অবস্থায় সংসদীয় বিতর্ক দ্রুত রাজপথে নিয়ে গিয়ে লংমার্চের মতো কর্মসূচি দেওয়া গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির জন্য সহায়ক নয় বলে মনে করে বিএনপি। বর্তমান সংকটময় পরিস্থিতিতে এ ধরনের কর্মসূচিকে ‘অনুচিত’ মন্তব্য করেছেন দলটির শীর্ষ পর্যায়ের একাধিক নেতা। সংকট সমাধানে গঠনমূলক আলোচনা ও সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব তুলে ধরার আহ্বানও জানিয়েছেন তাঁরা।
আজ শনিবার রাজধানীর বাংলাদেশ আইন ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ইনস্টিটিউট (বিলিয়া) মিলনায়তনে এক গোলটেবিল বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, সংসদীয় রাজনীতিতে সরকারকে জবাবদিহির আওতায় রাখার জন্য চেক অ্যান্ড ব্যালেন্সের সুযোগ রয়েছে। এ অবস্থায় সংসদের বিতর্ক দ্রুত রাজপথে নিয়ে যাওয়ার প্রবণতা গণতান্ত্রিক সংস্কৃতিকে বাধাগ্রস্ত করে।
এ উপদেষ্টা আরও বলেন, ‘সংসদীয় গণতন্ত্রকে গতিশীল ও অর্থবহ রাখতে সরকারি দলকে জবাবদিহির মধ্যে রাখা বিরোধী দলের দায়িত্ব। তবে অহেতুক ও দ্রুত সংসদীয় বিতর্ক রাজপথে নিয়ে যাওয়া এবং লংমার্চের মতো কর্মসূচি ঘোষণার বিষয়ে সচেতন মহলকে সতর্ক থাকতে হবে।’
এ ধরনের অস্থিতিশীল পরিস্থিতির সুযোগ নিতে ‘দেশি-বিদেশি বিভিন্ন অপশক্তি’ সক্রিয় হয়ে উঠতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন জহির উদ্দিন স্বপন।