সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬
সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬
✔ বাংলা টেক্সট কনভার্টার
শিরোনাম
advertisement
সিলেট বিভাগ

সিলেট জেলা হাসপাতাল নিয়ে আশার আলো

২৫০ শয্যা বিশিষ্ট সিলেট জেলা হাসপাতালের নির্মাণ কাজ শেষ হলেও এখনো কার্যক্রম চালু হয়নি। এ অবস্থায় নবনির্মিত এই হাসপাতালটি পরিদর্শনে যাচ্ছেন বাণিজ্য, পাট ও বস্ত্রমন্ত্রী এবং সিলেট-১ আসনের সাংসদ খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

এ নিয়ে আশায় বুক বাঁধছেন সিলেটের সচেতন মহল। হাসপাতালটির কার্যক্রম চালু হলে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও শহীদ শামসুদ্দিন হাসপাতালের উপর চাপ কিছুটা হলেও কমবে বলে মনে করছেন তারা।

সোমবার (২০ এপ্রিল) সকাল ৯টার দিকে মন্ত্রী এ হাসপাতাল পরিদর্শনের পাশাপাশি শহীদ শামসুদ্দিন হাসপাতালেও যাবেন বলেও গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন তার একান্ত সচিব ফখরুদ্দিন আহামেদ।

সিলেট জেলা হাসপাতালটির নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে অনেক আগে। নগরীর চৌহাট্টায় অবিস্থত শহীদ শামসুদ্দিন হাসপাতালের পাশেই (আগের আবুসিনা ছাত্রাবাসের স্থলে) এই হাসপাতালের সুরম্য ৮তলা ভবনটির কার্যক্রম এতদিন আটকেছিল নানান জটিলতায়। তবে গেল বছরের শেষের দিকে হাসপাতালটির কার্যক্রম শুরুর ব্যাপারে সরকার ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নেয় এবং এখন তা বাস্তবায়নের অপেক্ষায়।

প্রায় ৮৫ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই হাসপাতালে টিকিট কাউন্টার, ডায়াগনস্টিক সেন্টার, জেনালের ওটি, ১৯টি আইসিইউ বেড ও ৯টি সিসিইউ বেড রয়েছে।

হাসপাতালটির কার্যক্রম চালু হলে সিলেটবাসীর জন্য সরকারি স্বাস্থ্যসেবা পাওয়া আরও সহজ হবে। বিশেষ করে আইসিইউ বেডের ক্ষেত্রে। সিলেটের ওসমানী মেডিকেল ও শহীদ শামসুদ্দিন হাসপাতালে আইসিইউ ও সিসিইউতে যে সিট রয়েছে, এই বিভাগের এক কোটি মানুষের জন্য তা নেহায়েতই অপ্রতুল।

তাছাড়া ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আবাসিক চিকিৎসার জন্য ১২০০ সিট থাকলেও প্রতিদিন রোগীর সংখ্যা থাকে গড়ে প্রায় ৩ হাজারের বেশী। সিট সংকটের কারণে অনেকেই হাসপাতালের বেডের বদলে ফ্লোরে গড়াগড়ি দিয়ে চিকিৎসা নিতে বাধ্য হচ্ছেন।

এ অবস্থায় ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট সিলেট জেলা হাসপাতালের সার্বিক কার্যক্রম শুরু হলে তা সিলেটবাসীর জন্য একটা বড় পাওনা হবে বলেও মনে করছেন সাধারণ মানুষ।

সোমবার বাণিজ্যমন্ত্রীর পরিদর্শনের পর এসব ব্যাপার নিয়ে সিলেটের মানুষ একটা সুসংবাদ পাবেন বলেও আশা করছেন।

এই সম্পর্কিত আরো