চারুকলায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ‘ড. মুমিনুল হক অ্যাওয়ার্ড-২০২৬’ পেলেন মৌলভীবাজারের কুলাউড়া চারুহাট চিত্রাংকন একাডেমির পরিচালক ও প্রশিক্ষক জিয়াউল হক জিয়া।
গত শনিবার সিলেট বিভাগীয় সরকারি গণগ্রন্থাগারে ইতিহাসবিদ ড. মুমিনুল হক একাডেমি আয়োজনে তার হাতে এ সম্মাননা স্মারক তুলে দেওয়া হয়।
ইতিহাসবিদ ডক্টর মুমিনুল হক একাডেমি সিলেটের উদ্যোগে প্রতিবছর সাহিত্য, সাংবাদিকতা, শিক্ষা, সংস্কৃতি, সমাজসেবা ও মানবকল্যাণসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বিভাগের চার জেলা সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জের গুণীজনদের এ সম্মাননা প্রদান করা হয়। এ বছরও বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য ৪০ জন গুণী ব্যক্তিকে অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়েছে।
একাডেমির সভাপতি ও লোকসংস্কৃতি গবেষক আবু সালেহ আহমদ এর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মো. ফাতাউর রহমান ও উপস্থাপিকা হেপি জান্নাতের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. আশরাফুল করিম। প্রধান আলোচক ছিলেন বৃন্দাবন সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মাসুদুল হাসান।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ এমদাদুল হক এবং কেন্দ্রীয় মুসলিম সাহিত্য সংসদ, সিলেটের সাধারণ সম্পাদক ও গল্পকার সেলিম আওয়াল প্রমুখ।
জিয়াউল হক জিয়ার আঁকা চিত্রকর্ম ইকুয়েডর, নেপাল, ভারতসহ দেশে-বিদেশে বিভিন্ন প্রদর্শনীতে স্থান করে নেয়। ২০১১ সালে বাংলাদেশ শিশু একাডেমি কুলাউড়া শাখা চারুকলা প্রশিক্ষক হিসেবে পথ চলা শুরু করেন। ২০১২ সালে থেকে নবীনচন্দ্র সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ে চারু ও কারুকলা বিষয়ের শিক্ষকতা করেন। ২০১৫ সালে প্রতিষ্ঠা করেন কুলাউড়ায় চারুহাট চিত্রাংকন একাডেমি।
জিয়াউল হক জিয়া ছবি আঁকার পাশাপাশি সাংবাদিকতা, টেলিভিশন ও মঞ্চ নাটকে অভিনয়, ছোটদের জন্য গল্পের বই "ঘুমন্ত বিবেক জাগানোর সভা, দুষ্টু এক আমি, ভূতুড়ে মাছ ও নাটক বোকা ধোকা প্রকাশিত হয়েছে।