সুনামগঞ্জ জেলার জগন্নাথপুর উপজেলার রানীগঞ্জ ইউনিয়নের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া কুশিয়ারা নদী ভাঙ্গনের কবল থেকে দুইটি গ্রাম রক্ষায় এলাকাবাসীর পক্ষে লিখিতভাবে আবেদন করেছেন সিলেট জজ আদালতের এপিপি জামায়াত নেতা খানপুর গ্রামের বাসিন্দা অ্যাডভোকেট ইয়াসীন খান।
গতকাল বৃহস্পতিবার (১৪ মে) তিনি জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী কে লিখিতভাবে এ আবেদন করেন। এর আগে ৭ মে এলাকাবাসীর পক্ষে নদী ভাঙ্গনের রোধে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট লিখিত আবেদন করা হয়।
আবেদনপত্রে উল্লেখ করা হয়, উপজেলার পাইলগাঁও ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ড খানপুর ও ৭ নং ওয়ার্ড জালালপুর গ্রাম কুশিয়ারা নদীর ভাঙ্গনের কবলে পড়েছে। ইতিমধ্যে নদী ভাঙ্গনে খানপুর গ্রাম সংলগ্ন গঙ্গানগরও মদিপুর নদী গর্ভে বিলীন হয়েছে। এখন নদী ভাঙ্গনের কবলে পড়ে খানপুর গ্রাম খানপুর পূর্বপাড়া জামে মসজিদ জালালপুর গ্রাম, খেলার মাঠ,মসজিদ ও কবরস্থান নদী গর্ভে বিলীন হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। জনগুরুত্বপূর্ন এ বিষয়ে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ড সুনামগঞ্জ ও উপজেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন আবেদনকারী।
পাইলগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান নজিমুল হক জানান, নদী ভাঙ্গন রোধে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করা না হলে কুশিয়ারার ভাঙনে বিহীন হয়ে যাবে গ্রাম দুইটি। তাই দ্রুত নদী ভাঙনের কবল থেকে গ্রামবাসীকে রক্ষায় জরুরি ভিত্তিত্বে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবী জানাচ্ছি।
সিলেট জজ আদালতের এপিপি জামায়াত নেতা অ্যাডভোকেট ইয়াসীন খান বলেন, কুশিয়ারা নদীর ভাঙ্গন থেকে খানপুর ও জালালপুরে এ দুটি গ্রাম রক্ষায় দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য এলাকাবাসির পক্ষে আবেদন করেছি। কোন রকম সময়ক্ষেপণ না করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য আহবান জানাচ্ছি।
জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইসলাম উদ্দিন জানান, আবেদন পেয়েছি। ভাঙনে রোধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেব।