বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬
বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬
✔ বাংলা টেক্সট কনভার্টার
শিরোনাম
advertisement
আন্তর্জাতিক

তুরস্কের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র ছোঁড়ার অভিযোগ অস্বীকার করল ইরান

ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর জেনারেল স্টাফ তুরস্কের দিকে কোনো ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার খবর অস্বীকার করে একটি বিবৃতি দিয়েছে। গতকাল বুধবার তুরস্ক জানিয়েছিল, তাদের আকাশসীমার দিকে ধাবমান একটি ক্ষেপণাস্ত্র ন্যাটো প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ব্যবহার করে ভূপাতিত করা হয়েছে।

ইরানের মেহের নিউজ এজেন্সি দেশটির সেনাবাহিনীর বিবৃতির বরাতে বলেছে, ‘ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের সশস্ত্রবাহিনী প্রতিবেশী ও বন্ধু রাষ্ট্র তুরস্কের সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তুরস্কের ভূখণ্ডের দিকে কোনো ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার দাবি আমরা অস্বীকার করছি।’

তুরস্কের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ক্ষেপণাস্ত্রটি ইরাক ও সিরিয়ার ওপর দিয়ে উড়ে তুর্কি আকাশসীমার কাছাকাছি পৌঁছেছিল। তবে সেটি আটকে দেওয়ার পর কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান জানিয়েছেন, তুরস্ক তাদের ন্যাটো মিত্রদের সঙ্গে পরামর্শ করে ‘প্রয়োজনীয় সব সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিচ্ছে’ এবং ‘ভবিষ্যতে এই ধরণের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে স্পষ্ট ভাষায় সতর্কতা জারি করছে।’

মধ্যপ্রাচ্যে টানা ষষ্ঠ দিনের মতো আকাশপথে হামলা চলার মাঝেই ইরান গত রাতে ইসরাইলের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে।

এর আগে, গতকাল যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইরানের ওপর তাদের বোমাবর্ষণ জোরদার করেছিল। ইসরাইলি সামরিক বাহিনী হিজবুল্লাহর ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত বৈরুতের দক্ষিণ শহরতলিতেও বাসিন্দাদের সতর্ক করার পর হামলা চালিয়েছে।

কিছুক্ষণ বিরতির পর রকেটের আগাম সতর্কবার্তা হিসেবে তেল আবিব ও জেরুজালেমে আবারও বিমান হামলার সাইরেন বেজে ওঠে। ক্ষেপণাস্ত্রগুলো আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে ধ্বংস করার সময় বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়।

তাৎক্ষণিকভাবে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। তবে ইরান থেকে রকেট ছোড়ার পরিমাণ কমে আসায় ইসরাইল জনসাধারণের ওপর থাকা কিছু বিধিনিষেধ শিথিল করছে। ইসরাইলের এক সামরিক মুখপাত্র ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র মজুদ এবং উৎক্ষেপণ কেন্দ্রগুলো লক্ষ্য করে চালানো অভিযান সফল হয়েছে।

এদিকে ইরানের রাজধানী তেহরানে আবারও বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে। অন্যদিকে লেবাননে ইসরাইলি বিমান হামলায় নিহতের সংখ্যা বাড়ছে। লেবানিজ কর্মকর্তাদের মতে, ইসরাইল ও হিজবুল্লাহর মধ্যে নতুন করে শুরু হওয়া এই লড়াইয়ের কারণে ইতিমধ্যে ৮০ হাজারেরও বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।

এই সম্পর্কিত আরো