মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬
মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬
✔ বাংলা টেক্সট কনভার্টার
শিরোনাম
প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ কানাইঘাট উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মুমিন চৌধুরীর যুক্তরাষ্ট্রে দাফন গুরুতর ৩৮ জন ওসমানীতে - নবীগঞ্জে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে নারী-শিশুসহ আহত শতাধিক বাহুবলে প্রশাসনিক সভায় এমপির স্ত্রী, ইউএনও-এসিল্যান্ড বদলি ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জকিগঞ্জে শহিদ ওয়াসিম ব্রিগেডের কসকনকপুর ইউনিয়ন কমিটি গঠন একই ঘটনায় দুটি করে মামলা - শেখ হাসিনা-কাদেরসহ ৪৯৪ জনের অব্যাহতি চেয়ে সুপারিশ নুরুল ইসলামকে চিফ হুইপ করে ছয় হুইপ নিযুক্ত করলেন রাষ্ট্রপতি সংবাদ সম্মেলন - সিলেটে ভুয়া অনলাইন পোর্টাল ও ফেসবুক পেজের অপপ্রচারের বিরুদ্ধে রেনু বেগমের বিশ্বনাথে ইমাম–মোয়াজ্জিনদের সম্মাননা ও সম্মানী প্রদান
advertisement
সিলেট বিভাগ

গোয়াইনঘাটে জনতার হাতে প্রাণ গেলো যুবকের, পুলিশি অভিযান অব্যাহত

সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলায় গরু চুরির অভিযোগে গণপিটুনি দিয়ে চুনা ও বালুমিশ্রিত পানি পান করিয়ে হেলাল মিয়া (৩২) নামের এক যুবককে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার (২৪ ডিসেম্বর) উপজেলার মধ্যজাফলং ইউনিয়নের জাফলং চা বাগানে এ ঘটনা ঘটে।

 

হেলালের বাড়ি উপজেলার ডৌবাড়ী ইউনিয়নের দাতারি গ্রামে।

 

স্থানীয়রা জানান- মঙ্গলবার বিকেলে মধ্যজাফলং চা বাগানে গরু চুরির অভিযোগে ইসলামপুর গাংপার গ্রামের মনির মিয়ার ছেলে মোশাররফ হোসেন, আমির উদ্দিন,একই গ্রামের আব্দুল খালিকের ছেলে সালাম ও তাদের সহযোগিরা গরু চুরির অভিযোগ তুলে হেলালকে ধরে নিয়ে যান। পরে তাকে একটি গাছের সাথে বেধে বেধড়ক মারধর করেন এবং চুনা ও বালুমিশ্রিত প্রায় এক লিটার পানি পান করান হেলালকে। একপর্যায় হেলান অজ্ঞান হয়ে পড়লে তাকে মধ্যজাফলং ইউনিয়ন অফিসে নিয়ে যাওয়া হয়। রাতভর সেখানে রেখে হেলালকে মারধর করা হয়।

 

খবর পেয়ে বুধবার (২৫ ডিসেম্বর) ভোরে হেলালের স্বজনরা মধ্যজাফলং ইউনিয়ন অফিস থেকে অজ্ঞান অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে তিনি মারা যান। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে হেলায় রাস্তায় খুব বেশি বমি করেন এবং তার শরীরি থেকে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হয় বলে জানান পরিবারের সদস্যরা।

 

এ ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন নিহতের পরিবারের লোকজন। তাদের অভিযোগ- পুলিশের অবহেলার কারণেই হেলালের মৃত্যু হয়েছে।

 

এ বিষয়ে গোয়াইনঘাট থানাপুলিশের এস. আই প্রভাকর বড়ুয়া জানান, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় খবর পেয়ে তিনি হেলালকে উদ্ধার করতে যান। তবে স্থানীয়রা তাকে বলেন- হেলাল উদ্দিনকে তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। তারপর তিনি ঘটনাস্থলে হেলালকে রেখে চলে আসেন।

 

পরিবারের লোকজন বলছেন- পুলিশ সময়মতো হেলালকে উদ্ধার করে ফেললে এভাবে দফায় দফায় মারধর করতে পারতেন না মোশাররফরা।

 

অভিযুক্ত মোশাররফ হোসেন আমি মারধর করিনি। এলাকার মানুষ মারধর করেছেন। আমি শুধু ঘটনাস্থলে ছিলাম।

 

গোয়াইনঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ সরকার তোফায়েল আহমেদ বলেন, হেলালের মৃত্যুর বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখছি, এখনো অভিযোগ আসেনি। তবে তদন্তপূর্বতক জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে, আমাদের অভিযান চলছে।

এই সম্পর্কিত আরো

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

কানাইঘাট উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মুমিন চৌধুরীর যুক্তরাষ্ট্রে দাফন

গুরুতর ৩৮ জন ওসমানীতে নবীগঞ্জে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে নারী-শিশুসহ আহত শতাধিক

বাহুবলে প্রশাসনিক সভায় এমপির স্ত্রী, ইউএনও-এসিল্যান্ড বদলি

ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

জকিগঞ্জে শহিদ ওয়াসিম ব্রিগেডের কসকনকপুর ইউনিয়ন কমিটি গঠন

একই ঘটনায় দুটি করে মামলা শেখ হাসিনা-কাদেরসহ ৪৯৪ জনের অব্যাহতি চেয়ে সুপারিশ

নুরুল ইসলামকে চিফ হুইপ করে ছয় হুইপ নিযুক্ত করলেন রাষ্ট্রপতি

সংবাদ সম্মেলন সিলেটে ভুয়া অনলাইন পোর্টাল ও ফেসবুক পেজের অপপ্রচারের বিরুদ্ধে রেনু বেগমের

বিশ্বনাথে ইমাম–মোয়াজ্জিনদের সম্মাননা ও সম্মানী প্রদান