শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম
তিন মাসে ডেঙ্গু সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করবে সরকার : প্রধানমন্ত্রী হবিগঞ্জে কোটি টাকার ভারতীয় চোরাচালান জব্দ টাঙ্গুয়ার হাওরে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে পর্যটকের মৃত্যু জামালগঞ্জে বসতবাড়িতে দেশীয় অস্ত্রে হামলা, গলায় বিদ্ধ সুলফি; আহত ৫ মৌলভীবাজারে জাতীয় ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান অনুষ্ঠিত আজ কিংবদন্তি শাহ আবদুল করিমের ১৭তম মৃত্যুবার্ষিকী ৮০ লাখ টন কয়লার দরপত্র: নথি যাচাই ও মূল্যায়ন নিয়ে অভিযোগ বাংলা বিভাগ নিয়ে সহকর্মীদের প্রশ্ন, অধ্যাপক সাদেকের উত্তর ‘কেন যাবে না?’ মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে আইন প্রয়োগের পাশাপাশি সচেতনতার তাগিদ কুষ্টিয়ায় নৌকা ভ্রমণে গিয়ে নিখোঁজ ছাত্রদল নেতা
advertisement
সিলেট বিভাগ

কৃষকের কথা

জমি কইরা পুষায় না ইতা এরবাদেও করন ওই লাগবো!

কুমেদ লাল দাস। শাল্লা উপজেলার ভান্ডাবিল হাওরের কৃষক। তিনি এই হাওরে ৫ কেদার বোরো জমি চাষ করেছিলেন। ধানের মূল্যের প্রতি আক্ষেপ প্রকাশ করে তিনি এই প্রতিবেদককে জানান, বোরোধান চাষ করে এখন পুষায় না (লাভ নেই)। জমি কইরা পোষায় না, কাম কাজ নাই তো তাই করি। পুষায় বা না পুষায় ইডা (এই কাজ) তো করন ওই লাগবো। এছাড়া তো গ্রামে আর কোন কাজ নাই। ৭৫০ থেকে ৮০০ টাকা মণ ধান বিক্রি করা লাগে। যে ক্ষেত (জমি) করছি ইতায় (তাতে) খরচ ওই ওয় না।
গরুও আছে ৫টা, গরুর (খানি) খড়ের (লাগি) জন্য হলেও কৃষি কাজ করাই লাগে। নাহলে গরুও বাঁচানি যাইতো না। সার,ঔষধের (কীটনাশক) খুব বেশি দাম। ধানেরও পর্যাপ্ত মূল্য না থাকায় ছেলেমেয়ে নিয়ে খুব বেকায়দার কথা জানান তিনি। 

৮০০ টাকা রোজে শ্রমিক দুই ছেলে ও তার স্ত্রী, সহ কৃষি জমিতে ধান কাটায় ব্যস্ত সময় পার করতে দেখা গেছে এই কৃষককে। কৃষক কুমেদ লাল দাস জানান, কেত (জমি) করছি মোট পাঁচ কের (কেদার)। ধান পাইমু ৭০-৮০ মণ। ধান (কাটা),শ্রমিককে দিতে হয়েছে চার হাজার টাকা। ধান মাড়াই ও ট্রলি দিয়ে বাড়িতে নেওয়া সহ অনেক খরচের কথা জানালেন তিনি। তিনি বলেন কেত (জমি) কইরা কোন লাভ নেই। ইতা আরো লস। জমি কইরা এখন উপকৃত অওয়া (হওয়া) যায় না। খালি (শুধু) কইরা (করে) থাকন। ইতা লস,লাভবান অওয়া যায় না। বোরোধানের কাজ শেষ করে কি কাজ করবেন? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন,বর্ষায় হাওরে মাছও মারন (মারা) যায় না। বিলের পাড়ো (পাড়ে) গেলেই মালদাররা (ইজারাদারেরা) চিল্লায়। 

তিনি বলেন, খবর পাইছি গুদামো (গুদামে) সরকারে ধান নিবো। কিন্তু সেখানে ধান দেওয়ার মতো আমাদের পরিস্থিতিও নাই। কারন জানতে চাইলে তিনি বলেন, শুনেছি ধান নিবে অইলে (সর্বোচ্চ) দেড়টন,কিন্তু ধান পরিবহন করে নিতে আমাদের যে খরচ অইবো (হবে) সে পরিমাণে পুষবে না। কৃষক কুমেদ লাল দাস ছাড়াও ভেড়াডহর হাওরের কৃষক সতেন্দ্র বৈষ্ণব, ভরাম হাওরের কৃষক বিশ্বরূপ দাশ, ভান্ডাবিল হাওরের কৃষক দ্বীন ইসলাম সহ আরো বেশ কয়েকজন কৃষকের সাথে কথা বলেন এই প্রতিবেদক। তারাও একই দূর্দশার কথা জানান।


কৃষি কর্মকর্তা মোঃ সৈকত জামিল বলেন, কৃষকেরা যাতে ধানের সর্বোচ্চ মূল্য পায় সেবিষয়ে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। কৃষকদের নিয়ে আমাদের অনেক ভাবনা রয়েছে। তিনি বলেন এই এলাকার কৃষকদের মেধা শক্তি রয়েছে। নতুন নতুন উদ্ভাবনে তাদেরকে কাজে লাগাতে হবে, তাদেরকে উৎসাহিত করতে হবে। বোরোধান আবাদ ছাড়াও অন্যান্য ফসল চাষে এই এলাকার কৃষকদের এগিয়ে আসতে হবে বলে জানান তিনি।

এই সম্পর্কিত আরো

তিন মাসে ডেঙ্গু সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করবে সরকার : প্রধানমন্ত্রী

হবিগঞ্জে কোটি টাকার ভারতীয় চোরাচালান জব্দ

টাঙ্গুয়ার হাওরে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে পর্যটকের মৃত্যু

জামালগঞ্জে বসতবাড়িতে দেশীয় অস্ত্রে হামলা, গলায় বিদ্ধ সুলফি; আহত ৫

মৌলভীবাজারে জাতীয় ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান অনুষ্ঠিত

আজ কিংবদন্তি শাহ আবদুল করিমের ১৭তম মৃত্যুবার্ষিকী

৮০ লাখ টন কয়লার দরপত্র: নথি যাচাই ও মূল্যায়ন নিয়ে অভিযোগ

বাংলা বিভাগ নিয়ে সহকর্মীদের প্রশ্ন, অধ্যাপক সাদেকের উত্তর ‘কেন যাবে না?’

মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে আইন প্রয়োগের পাশাপাশি সচেতনতার তাগিদ

কুষ্টিয়ায় নৌকা ভ্রমণে গিয়ে নিখোঁজ ছাত্রদল নেতা