একটি মাত্র ব্রীজ না থাকায় ২ কিলোমিটারের পথ ঘুরে উপজেলা সদরে আসতে হয় প্রায় ১০/১২ কিলোমিটার। আর স্বাধীনতার পর থেকে এভাবে আশ্বাসের বানী শুনতে আর ভালো লাগেনা এই জনপদের লোকজনদের। তাদের অভিযোগ নির্বাচন আসলেই প্রার্থীদের ভোট নেয়ার একটা কৌশল হয়ে উঠে এ ব্রীজ কিন্তু জন প্রতিনিধি হওয়ার পর আর কোন খোজ খবর রাখেন না কেউ এমন অভিযোগ গোলাগঞ্জের বাঘা ইউনিয়ন বাসীর। গোলাপগঞ্জের সুরমা নদী তীরবর্তী বাঘা ইউনিয়নকে উপজেলা সদর থেকে সড়ক পথের যোগাযোগ ব্যবস্থা আলাদা করে রেখেছে সুরমা নদী। অথচ নদীর এ পার গোলাপগঞ্জ পৌরসভা। ওপার থেকে দাড়িয়ে গোলাপগঞ্জ বাজার দেখা গেলেও বাস্তবে সড়ক পথে গোলাপগঞ্জ সদরে আসতে হলে দক্ষিণ সুরমার শ্রীরামপুর হয়ে ঘুরতে হয় ১০/১২ কিলোমিটার রাস্তা। এ যেন বাতির নিচে অন্ধকার। একটি মাত্র ব্রীজের অভাবে যুগের পর যুগ দূর্ভোগ পোহাচ্ছেন বাঘা ইউপিসহ পাশের কানাইঘাট উপজেলার কয়েকটি ইউনিয়নের লক্ষাধিক মানুষ।
গোলাপগঞ্জ উপজেলার ১ নম্বর বাঘা ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ গোলাপগঞ্জ উপজেলা সদরের সঙ্গে যোগাযোগ করতে শহরতলীর সদরে মুরাদপুর ও দক্ষিণ সুরমার বাইপাস শ্রীরামপুর হয়ে প্রায় ১০/১২ কিলোমিটার ঘুরে গোলাপগঞ্জ বাজারে আসতে হয়। ঘুনতে হয় ভাড়া বাবদ দিগুণ টাকা
আর বিকল্প উপায়ে খেয়া নৌকা দিয়ে নদী পাড়ি দিয়ে উপজেলা সদরে আসতে হয়।এ যেন একই দেশে দুটি রাজ্যর যোগাযোগ।
বিশেষ করে সরকারি সব দফতর ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান উপজেলা সদরে হওয়ায় বাঘা ইউনিয়নের মানুষের উপজেলা সদরে যোগাযোগ কিংবা স্কুল কলেজে যেতে একমাত্র খেয়া নৌকাই শেষ ভরসা। বর্ষা মৌসুমে জীবনের ঝুকি নিয়ে সুরমা নদী পাড়ি দিতে হয় এতদঞ্চলের শিক্ষার্থীসহ জনসাধারণের। এমনকি এই নদী পাড়ি দিতে গিয়ে প্রায় সময় ঘটে থাকে দুর্ঘটনা।
স্থানীয়রা সুরমা নদীর ওপরে সেতু নির্মাণের দাবি জোরাল করেন। তারা বলেন, দাবি আদায় না হলে তারা বৃহৎ আন্দোলনের ডাক দিবেন।
তবে সিলেট-৬ আসনের সংসদ সদস্য এডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী জানান, ইতিমধ্যে বাঘাবাসীর এ কষ্ট লাগবে সুরমা নদীর গোলাপগঞ্জ অংশে সেতু নির্মাণ করার জন্য প্রক্রিয়া শুরু করেছি।