সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬
সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬
✔ বাংলা টেক্সট কনভার্টার
শিরোনাম
advertisement
সিলেট বিভাগ

সংরক্ষিত নারী আসনে আলোচনায় অ্যাডভোকেট রোকসানা বেগম শাহনাজ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের রেশ কাটতে না কাটতেই সিলেট বিভাগে বইছে সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনী হাওয়া। সংসদের বিশেষ কোটায় জনপ্রতিনিধি হওয়ার লড়াইয়ে এখন সরগরম সিলেটের রাজনৈতিক অঙ্গন। এই লড়াইয়ে তৃণমূল ও সাধারণ মানুষের মাঝে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন সিলেটের রাজপথের লড়াকু নেত্রী ও অভিজ্ঞ আইনজীবী অ্যাডভোকেট রোকসানা বেগম শাহনাজ।

দলীয় সূত্র ও স্থানীয় রাজনীতির পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, সিলেট বিভাগের চার জেলা (সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ) থেকে অন্তত ১০ জন নারী নেত্রী সংসদীয় সংরক্ষিত আসনের জন্য জোর লবিং চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে এদের মধ্যে রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, ত্যাগ ও গ্রহণযোগ্যতার দিক থেকে অ্যাডভোকেট রোকসানা বেগম শাহনাজ অনেকটা এগিয়ে রয়েছেন বলে মনে করছেন তৃণমূলের নেতাকর্মীরা।

অ্যাডভোকেট রোকসানা বেগম শাহনাজ সিলেট ল’ কলেজের সাবেক নির্বাচিত ভিপি, সিলেট মহানগর মহিলা দলের সাবেক সভাপতি এবং কেন্দ্রীয় মহিলা দলের বর্তমান সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন। বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক ক্যারিয়ারের অধিকারী এই নেত্রী সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) ৯ নম্বর সংরক্ষিত ওয়ার্ড থেকে ২০০৩ সালে কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছিলেন। এ ছাড়া তিনি ২৫, ২৬ ও ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর হিসেবে নিজের অবস্থান সুসংহত করেছেন এবং সিলেট সিটি করপোরেশনে তিনবার প্যানেল মেয়রের দায়িত্ব পালন করে প্রশাসনিক দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন।

স্থানীয় নেতাকর্মীদের মতে, রোকসানা বেগম শাহনাজ কেবল একজন জনপ্রতিনিধিই নন, বরং বিএনপির দুঃসময়ে রাজপথের এক নির্ভীক কণ্ঠস্বর। বিগত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিলেটের ৬টি আসনেই ধানের শীষের পক্ষে তিনি সক্রিয়ভাবে কাজ করেছেন। তার দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রাম এবং পারিবারিক ঐতিহ্য তাকে সাধারণ মানুষের মণিকোঠায় স্থান করে দিয়েছে।

সিলেটের তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীরা বলছেন, বর্তমান প্রেক্ষাপটে সিলেটের উন্নয়নের স্বার্থে এবং সংসদে নারী অধিকার ও জনগণের কথা তুলে ধরার জন্য রোকসানা বেগমের মতো একজন সাহসী ও অভিজ্ঞ নেত্রীর প্রয়োজন। তাদের দাবি, দল যেন রাজপথের এই ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেত্রীকে মূল্যায়ন করে।

বর্তমানে মনোনয়নপ্রত্যাশী অন্যান্য নেত্রীদের মতো রোকসানা বেগমও বর্তমানে ঢাকায় অবস্থান করছেন। দলীয় হাই কমান্ডের নজর কাড়তে সবাই নিজ নিজ রাজনৈতিক ত্যাগ ও সক্রিয়তার ফিরিস্তি জমা দিচ্ছেন। তবে শেষ পর্যন্ত ত্যাগী নেত্রীদের মূল্যায়ন করা হবে, নাকি নতুন কোনো সমীকরণ দেখা দেবে—তা নিয়ে চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ।

সংসদীয় সংরক্ষিত নারী আসনের চূড়ান্ত মনোনয়ন পুরোপুরি নির্ভর করছে দলীয় প্রধানের সিদ্ধান্তের ওপর। আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই স্পষ্ট হবে, সিলেটের সংরক্ষিত আসনের প্রতিনিধিত্ব করার জন্য দলের আস্থা শেষ পর্যন্ত কার ওপর পড়ছে।

এই সম্পর্কিত আরো