সিলেট-৬ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী বলেছেন, সদ্য সমাপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গোলাপগঞ্জ-বিয়ানীবাজারের আপামর জনসাধারণ তাকে যে পবিত্র আমানত দিয়েছেন, তা তিনি জীবনের শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে হলেও সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে রক্ষা করবেন—ইনশা আল্লাহ। তিনি বলেন, সবাইকে সঙ্গে নিয়ে পিছিয়ে পড়া বিয়ানীবাজার ও গোলাপগঞ্জকে আধুনিক ও উন্নয়নমুখী জনপদে রূপান্তর করতে দুই উপজেলাজুড়ে উন্নয়নের বিপ্লব ঘটানো হবে। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) বিকেলে বিয়ানীবাজার সরকারি কলেজ মাঠে বিয়ানীবাজার উপজেলা ও পৌর বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এমপি এমরান আহমদ চৌধুরী আরও বলেন, জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করাই তার প্রধান লক্ষ্য। বিয়ানীবাজার ও গোলাপগঞ্জ উপজেলায় নদী ও খাল খনন, রাস্তাঘাট ও সেতু নির্মাণসহ অবহেলিত এলাকার অবকাঠামোগত উন্নয়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধিতে তিনি কাজ করবেন। উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে দলমত নির্বিশেষে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
বিয়ানীবাজার উপজেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট আহমেদ রেজার সভাপতিত্বে এবং উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সারোয়ার হোসেন ও পৌর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক নজমুল হোসেনের যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সিলেট জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি নজমুল হোসেন পুতুল ও নাজিম উদ্দীন লস্কর, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মামুনুর রশীদ মামুন, দপ্তর সম্পাদক অ্যাডভোকেট সাঈদ আহমদ, শিশু বিষয়ক সম্পাদক সিদ্দিক আহমেদ, স্থানীয় সরকার বিষয়ক সম্পাদক আবু নাসের পিন্টু এবং সহ-স্থানীয় সরকার বিষয়ক সম্পাদক এনাম উদ্দিন, বিয়ানীবাজার উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি আব্দুস সবুর ও আব্দুল কুদ্দুছ, পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক তাজ উদ্দিন কুটি, যুক্তরাজ্য বিএনপির সাবেক সভাপতি মরহুম কমর উদ্দিন চৌধুরীর কন্যা বিএনপি নেত্রী সাবিনা খান পপি, জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের নেতা মাওলানা মুজিবুর রহমান, বিয়ানীবাজার উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা ফয়জুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম, ইউপি চেয়ারম্যান এম এ মান্নান, দেলোয়ার হোসেন ও ফরিদ আল মামুন, আঞ্জুমানে আল ইসলাহ বিয়ানীবাজার উপজেলা সভাপতি লুৎফুর রহমান এবং সাধারণ সম্পাদক গৌছ উদ্দিন।