সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬
সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬
✔ বাংলা টেক্সট কনভার্টার
শিরোনাম
মালয়েশিয়ায় স্বেচ্ছাসেবক দলের ইফতার ও দোয়া মাহফিল কালীঘাটে চোরাই পণ্যের ‘সাম্রাজ্য’: নেপথ্যে মাসুম-শরীফ সিন্ডিকেট বাদী জানেন না আসামী কে - জুলাই আন্দোলন: আহতদের গেজেট তালিকাভুক্তি মামলায় রহস্য! চুনারুঘাটে আকল মিয়ার মৃত্যুবার্ষিকীতে দোয়া ও ইফতার মাহফিল কুলাউড়া সরকারি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হলেন অধ্যাপক শাহজালাল সাদ্দাম-গাদ্দাফির পর মার্কিন আগ্রাসনের শিকার খামেনি আমিরাতে ইরানি হামলায় বাংলাদেশি নিহত কলেজছাত্রী ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণ: যুবকের যাবজ্জীবন এশিয়ার নারী ফুটবল আসর শুরু: জয়ে শুভ সূচনা স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়ার নির্ধারিত সময়েও শেষ হয়নি হাওরের বাঁধের কাজ, বোরো ফসল নিয়ে শঙ্কায় কৃষক
advertisement
সিলেট বিভাগ

বাদী জানেন না আসামী কে

জুলাই আন্দোলন: আহতদের গেজেট তালিকাভুক্তি মামলায় রহস্য!

২৪ জুলাই ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় হবিগঞ্জ শহরের আশরাফ জাহানের সামনে গুলিবিদ্ধ হন বানিয়াচং সদরের আমিরখানী মহল্লার মাহমুদুল হাসান। এর পরিপ্রেক্ষিতে ২৬ ফেব্রুয়ারি মাহমুদুল এক অভিযোগ দায়ের করেন, যাতে শেখ হাসিনাকে প্রধান আসামীসহ ৫৬ জনকে এজাহারভুক্ত করা হয় এবং ১৫০ জনকে অজ্ঞাত আসামী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। মামলার শুনানি ৯ মার্চের জন্য ধার্য করা হয়েছে, আদালত হলো হবিগঞ্জ চিফ জুডিশিয়াল আমল-১, বিচারক আব্দুল মন্নান।

মামলার বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কিছু মহল ছাত্রদলের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে, অভিযোগ করেছেন উপজেলা ছাত্রদল নেতারা এবং দলীয় অবস্থান পরিষ্কার করেছেন।

তবে মামলার বাদী মাহমুদুল হাসান ২৮ ফেব্রুয়ারি সবুজ সিলেটকে জানান, তিনি রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত নন। মামলার কোনো আসামীকে চিনেন না এবং ঘটনার বিস্তারিতও জানেন না। তাঁর আইনজীবি শুধুমাত্র স্বাক্ষর দিতে বলেছেন, এবং বাদী আরও বলেন, “আমি মামলা করতে চাইনি। উকিল সাব বলেছেন মামলা করলে সরকারী ভাতা পাবো। আমি এবং আমার পরিবার এতো কিছু জানিনা।”

মাহমুদুল আহতদের গেজেটে তালিকাভুক্ত করার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র আইনজীবির মাধ্যমে এক মামলার মাধ্যমে সিভিল সার্জনে জমা দিয়েছেন। বর্তমানে তার হাতে আর কোন কাগজপত্র নেই।

উপজেলা সূত্রে জানা গেছে, বানিয়াচং উপজেলায় জুলাই আন্দোলনে শহীদদের তালিকায় নয়জন এবং আহতদের তালিকায় ৭০ জনকে গেজেটভুক্ত করা হয়েছে। পুলিশের তথ্যানুযায়ী, জুলাই আন্দোলনে নয়টি হত্যা, হত্যাচেষ্টা ও অন্যান্য অভিযোগে আরও ছয়টি মামলা দায়ের করা হয়। এছাড়া আদালতে বৈষম্য বিরোধী অভিযোগে আরও কয়েকটি মামলা চলমান আছে। যাদের মধ্যে একটির চার্জশিট পুলিশ এখনও দিতে পারেনি এবং নয়টি মরদেহের ময়নাতদন্ত হয়নি।

তদন্তে অসংগতি, বাণিজ্য ও রাজনৈতিক প্রভাবের অভিযোগও উঠেছে। কিছু মামলায় বাদী আসামিকে চিনেন না, ঘটনার বিস্তারিত জানেন না এবং যথাযথ সাক্ষীও পাওয়া যায়নি। সূত্র জানায়, রাজনৈতিক নেতা, পুলিশ এবং তৎকালীন সময়ে কিছু সমন্বয়ক এ ধরনের মামলার সঙ্গে জড়িত ছিলেন।

শুধু তাই নয়, নাইন মার্ডার মামলায় তদন্তকে বিভ্রান্ত করতে আ.লীগ পেইড এজেন্ট মাঠে নামিয়েছে। এদের মধ্যে ছাত্রলীগ, যুবলীগের সাবেক পদধারী, স্থানীয় সাংবাদিক, শিক্ষক এবং কিছু ব্যবসায়ী রয়েছেন বলে জানা গেছে।

শহীদ ও আহত পরিবারের সদস্যরা বলেন, “অনেক মানুষ ভিন্ন পরিচয়ে আসেন, কেউ শিখানো কথা বলে ভিডিও করেন। আমরা চাই সঠিক বিচার হোক।”

এই সম্পর্কিত আরো

মালয়েশিয়ায় স্বেচ্ছাসেবক দলের ইফতার ও দোয়া মাহফিল

কালীঘাটে চোরাই পণ্যের ‘সাম্রাজ্য’: নেপথ্যে মাসুম-শরীফ সিন্ডিকেট

বাদী জানেন না আসামী কে জুলাই আন্দোলন: আহতদের গেজেট তালিকাভুক্তি মামলায় রহস্য!

চুনারুঘাটে আকল মিয়ার মৃত্যুবার্ষিকীতে দোয়া ও ইফতার মাহফিল

কুলাউড়া সরকারি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হলেন অধ্যাপক শাহজালাল

সাদ্দাম-গাদ্দাফির পর মার্কিন আগ্রাসনের শিকার খামেনি

আমিরাতে ইরানি হামলায় বাংলাদেশি নিহত

কলেজছাত্রী ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণ: যুবকের যাবজ্জীবন

এশিয়ার নারী ফুটবল আসর শুরু: জয়ে শুভ সূচনা স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়ার

নির্ধারিত সময়েও শেষ হয়নি হাওরের বাঁধের কাজ, বোরো ফসল নিয়ে শঙ্কায় কৃষক