বৈরী পরিবেশে কেবল বিএনপিই মানুষের পাশে থাকে বলে মন্তব্য করেছেন দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, “আমরা অতীতে কি দেখেছি? কিছু হলেই পাশের এক দেশে চলে যায় কেউ কেউ, চলে যায় না? এখনও চলে গিয়েছেন। আবার গতকালকে আমরা দেখেছি যে, এক লোক পালিয়ে গিয়েছিল? কোথায় পালিয়ে গিয়েছিল জানেন? পিন্ডি পালিয়ে গিয়েছিল।
“এই যাদের কথা ষড়যন্ত্র করছে বললাম; এই বিকাশ নম্বর নিচ্ছে, এনআইডি নম্বর নিচ্ছে, মা-বোনদের বিভ্রান্ত করছে বিভিন্ন কথা বলে- তাদের এক লোক পালিয়ে গিয়েছিল পিন্ডিতে। পিন্ডি পালিয়ে গিয়েছিল। কেউ যায় দিল্লি, কেউ যায় পিন্ডি। কিন্তু বিএনপি রয়ে গিয়েছে এই দেশে, এই দেশের মানুষের পাশে।”
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় হবিগঞ্জের শায়েতাগঞ্জে প্রস্তাবিত উপজেলা পরিষদ মাঠে বক্তব্য দিচ্ছিলেন তারেক রহমান।
তিনি বলেন, “খালেদা জিয়া কোথাও গিয়েছে? খালেদা জিয়া এই দেশের মানুষকে ছেড়ে কোথাও যায়নি। মৃত্যুকে মেনে নিয়েছে, যুদ্ধ করেছে, প্রতিবাদ করেছে; কিন্তু এই দেশের মানুষকে ছেড়ে খালেদা জিয়া কোনোদিন যায়নি, কোথাও কোনো দেশে যায়নি।
“খালেদা জিয়া নিজেই বলে গিয়েছেন যে, এই দেশই হচ্ছে খালেদা জিয়ার প্রথম এবং শেষ ঠিকানা। কাজেই বিএনপিও সেই জন্যই বলে থাকে, ‘প্রথম বাংলাদেশ, আমার শেষ বাংলাদেশ আমার’।”
জামায়াতকে ইঙ্গিত করে বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, “আবার ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের যে ষড়যন্ত্র করছে, তার আরেকটা খবর দেই আপনাদেরকে। এদের লোকজন গিয়ে বাড়ি বাড়ি গিয়ে এনআইডি নম্বর নিচ্ছে, জোগাড় করছে। খবর পেয়েছেন?
“তারপরে গিয়ে মোবাইল নম্বর নিচ্ছে বিশেষ করে নিরীহ মা-বোনদের মোবাইল নম্বর নিচ্ছে খবর পেয়েছেন? তারা বলে, সৎ মানুষের শাসন কায়েম করবে। বিকাশ নম্বর নিচ্ছে, ফোন নম্বর নিচ্ছে; বিকাশ করে টাকা পাঠাচ্ছে- এই বলে তাদের পরিকল্পনা।
“অনেকে ধরাও পড়েছে, এগুলাও পত্র-পত্রিকায় খবর এসেছে, শুনেছেন এসব খবর? তাহলে নির্বাচনের আগে যারা মানুষকে এইভাবে অর্থ প্রদান করে আগেই যারা অসৎ কাজ করে, তারা কেমন করে সৎ মানুষের শাসন কায়েম করবে? করতে পারে তারা? করতে পারে না তারা।
“যারা নির্বাচনের আগেই অসৎ কাজ করে, কোনোভাবেই তাদের পক্ষে সৎ কাজ করা সম্ভব না-তারা যদি ক্ষমতায়ও যায়। পারবে? পারবে না তারা।”