সিলেটের সরকারি আলিয়া মাদ্রাসা মাঠের জনসভা মঞ্চে দাঁড়িয়ে ২০১৩ সালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী সদ্য প্রয়াত বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া দৃপ্তকণ্ঠে বলেছিলেন, ‘তারেক রহমান বীরের বেশেই দেশে ফিরবেন।’
দীর্ঘ একযুগ পর আজ (২২ জানুয়ারি) সেই ভবিষ্যদ্বাণী সত্য হলো, ছেলে ফিরলেন বীরের বেশেই। যদিও ছেলের রাজসিক প্রত্যাবর্তন দেখে যেতে পারেননি মমতাময়ী মা।
দীর্ঘ ১৭ বছরের প্রবাস জীবন আর নানা চড়াই-উতরাই পেরিয়ে তারেক রহমান দেশে ফিরেছেন।
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়া সিলেট থেকেই নির্বাচনি প্রচারণা শুরু করতেন। সেখান থেকেই আজ বৃহস্পতিবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু করছেন তারেক রহমান। তার জনসভা ঘিরে লোকে লোকারণ্য ঐতিহাসিক আলিয়া মাদ্রাসা মাঠসহ সিলেট নগরী।
নানা জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে বুধবার (২১ জানুয়ারি) রাত আটটায় আকাশপথে সিলেটে পৌঁছান তারেক রহমান। সবশেষ ২০০৫ সালে তিনি সিলেটে এসেছিলেন। দীর্ঘ প্রায় দুই যুগ পর ফিরেই তিনি ছুটে যান হজরত শাহজালাল (রহ.) ও হজরত শাহপরান (রহ.)-এর মাজারে। জিয়ারত করেন মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক এমএজি ওসমানীর কবরও।
এরপর তিনি ছুটে যান দক্ষিণ সুরমার সিলাম ইউনিয়নের বিরাইমপুর গ্রামে তার শ্বশুরবাড়িতে।
রাজনীতির ঊর্ধ্বে আজ আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে ভাসছে এক বিষাদমাখা স্মৃতি—মায়ের সেই দৃপ্ত ঘোষণা আর ছেলের এই রাজসিক প্রত্যাবর্তন।