১০ দলীয় জোটের সাথে আসন সমঝোতার প্রেক্ষিতে মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর তিন প্রার্থী। তবে নির্বাচনে থাকছেন মৌলভীবাজার-৪ (শ্রীমঙ্গল-কমলঞ্জ) আসনে দলটির প্রার্থী প্রীতম দাশ।
জানা গেছে, মৌলভীবাজার-৪ আসন নিয়ে ১০ দলীয় জোট এখন পর্যন্ত কোন সমঝোতায় পৌছতে পারেনি। এ আসনটি বাংলাদেশ খেলঅফত মজলিস ও এনসিপির পক্ষ থেকে জোটের কাছে দাবি করা হয়েছে। এই দুই দল কোন সমঝোতায় পৌছতে না পরায় আসনটি এখন পর্যন্ত উন্মুক্ত রাখা হয়েছে। ফলে খেলাফতের প্রার্থী শেখ নূরে আলম হামিদী ও এনসিপির প্রার্থী প্রীতম দাশ দুজনই ভোটে থাকছেন। তবে এ আসনের জামায়াতের প্রার্থী মঙ্গলবার মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন।
দুই প্রার্থী আসন উন্মুক্ত রাখার তথ্য প্রীতম দাশ নিজেই নিশ্চিত করেছেন।
এদিকে সিলেট জেলায় এনসিপির প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন সংগ্রহ করা তিনজনই মঙ্গলবার মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন।
সিলেট-৩ আসনের দলটির প্রার্থী নুরুল হুদা জুনেদ মঙ্গলবার মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নেন বলে নিজেই জানিয়েছেন।
এদিকে, এনসিপির বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও সিলেট-১ আসনের প্রার্থী এহতেশাম হক মঙ্গলবার বিকেলে ফেসবুকে লিখেছেন- ব্যক্তির চেয়ে দল বড়, দলের চেয়ে দেশ। জুলাই বিপ্লব পরবর্তী বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণের এই ঐতিহাসিক নির্বাচনে ব্যক্তি বা দলের স্বার্থ নয়, দেশের স্বার্থ, জনগণের আকাঙ্ক্ষা এবং জুলাইয়ের শহীদদের আত্মত্যাগই আমাদের একমাত্র পথনির্দেশক।
তিনি লিখেন- ভারতীয় আধিপত্যবাদ মোকাবেলা, দুর্নীতি ও পরিবারতন্ত্রের রাজনীতির বিরুদ্ধে ১০ দলীয় জোটের বৃহত্তর ঐক্যকে শক্তিশালী করতে, এনসিপির কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আমরা শাপলা কলির প্রার্থী হিসেবে
সিলেট–১ থেকে আমি ও সিলেট–৪ থেকে রাশেল উল আলম আমাদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করছি।
সিলেট বিভাগ থেকে আমাদের সংগ্রামী সহযোদ্ধা প্রীতম দাশ শাপলা কলি প্রতীক নিয়ে মৌলভীবাজার–৪ আসন থেকে নির্বাচনে লড়বেন।
এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের পক্ষে, এবং সিলেট বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে—দলের শৃঙ্খলা মেনে, দেশের বৃহত্তর স্বার্থে—সিলেট বিভাগের সকল নেতাকর্মী ও সমর্থকদের প্রতি আমি আহ্বান জানাচ্ছি: ১০ দলীয় জোটের প্রার্থীদের পক্ষে সর্বশক্তি নিয়ে মাঠে নামুন। এই ত্যাগ কোনো দুর্বলতা নয়, এটাই দেশপ্রেম।