বৃহস্পতিবার, ০১ জানুয়ারি ২০২৬
বৃহস্পতিবার, ০১ জানুয়ারি ২০২৬
✔ বাংলা টেক্সট কনভার্টার
শিরোনাম
advertisement
সিলেট বিভাগ

বিদায় ২০২৫

স্বাগতম ২০২৬

মহাকালের গর্ভে হারিয়ে গেল ঘটনাবহুল আরও একটি বছর। আজ, ১ জানুয়ারি, বাংলাদেশ পা রাখল ২০২৬ সালে। তবে এবারের বর্ষবরণ নিছক ক্যালেন্ডারের পাতা উল্টানো নয়; এটি শোককে শক্তিতে রূপান্তর করে একটি জাতির পুনর্জন্মের শপথ।


২০২৫ সাল ছিল বাংলাদেশের জন্য এক উত্তাল অধ্যায়। বছরের বিদায়বেলায় পুরো জাতি নিমজ্জিত হয়েছে গভীর শোকে।

 

গণতন্ত্রের আপসহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মহাপ্রয়াণ কোটি মানুষের হৃদয়ে রক্তক্ষরণ ঘটিয়েছে। প্রিয় নেত্রীকে বিদায় জানানোর সেই অশ্রুসিক্ত দৃশ্য প্রমাণ করেছে তাঁর প্রতি মানুষের ভালোবাসা কতটা গভীর।

 

একইসঙ্গে ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদিকে প্রকাশ্য দিবালোকে হত্যার ঘটনা শোকের কালো মেঘকে আরও ঘনীভূত করেছে। শূন্য হয়েছে বহু মায়ের কোল, জীবিকার চাকা হয়েছিল স্থবির। তবুও ২০২৫ কোনো আত্মসমর্পণের বছর ছিল না, বরং ছিল অদম্য সাহসে মাথা নত না করার বছর।শোকের দরিয়ায় ভাসতে ভাসতেই জাতি আজ নতুন বছরে বুক বাঁধছে। ক্ষতবিক্ষত হয়েও বাংলাদেশ আজ এক মহাবিপ্লবের দোরগোড়ায়।তরুণদের নেতৃত্বে: যে তরুণ সমাজ ছিল গণজাগরণের হৃৎস্পন্দন, তারাই আজ আগামীর আধুনিক রাষ্ট্র গড়ার প্রধান কারিগর।

 

ন্যায়বিচারের ভিত্তি: যেখানে একসময় দুর্নীতির রাজত্ব ছিল, সেখানে আজ রোপিত হচ্ছে ন্যায়বিচারের চারা।অপূর্ণতা ও চ্যালেঞ্জ: নতুন এই বাংলাদেশের হয়তো কিছু অপূর্ণতা আছে, কিন্তু এটি এখন অন্যায়কে চ্যালেঞ্জ জানাতে জানে এবং অক্লান্ত পরিশ্রমে নতুন কিছু গড়তে জানে।

 

২০২৬ সাল কেবল একটি নতুন বছর নয়; বরং এটি গণতন্ত্রের এক নতুন পরীক্ষার বছর। আগামী ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে দেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। ইতিহাসের সবচেয়ে বড় অংশগ্রহণমূলক আর উৎসবমুখর এই নির্বাচনের মাধ্যমে সূচিত হতে যাচ্ছে এক নতুন প্রারম্ভ।২০২৬ সালের এই ভোর কেবল সূচনা নয়, এটি এক পুনর্জন্মের ঘোষণা। অশান্ত এক বছরের শিক্ষা নিয়ে জাতি এখন শ্রেষ্ঠত্বের পথে এগিয়ে যেতে বদ্ধপরিকর।

 

 

এই সম্পর্কিত আরো