ডাকসু ভিপি মোহাম্মদ আবু সাদিক (সাদিক কায়েম) বলেছেন, এ দেশে ভারতীয় দাদাগিরি আর চলবে না। সীমান্তে হত্যা চলতে দেয়া যাবে না। দিল্লি-লন্ডনের প্রেসক্রিপশনে দেশ আর চলবে না। আগামীর বাংলাদেশ হবে ইনসাফের বাংলাদেশ।
শনিবার (২৯ নভেম্বর) দুপুরে সিলেট-৪ আসনের কোম্পানীগঞ্জে দাঁড়িপাল্লার সমর্থনে অনুষ্ঠিত ছাত্র ও যুব সমাবেশে প্রধান বক্তার বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে, ডাকসু ভিপি বক্তব্যের শুরুতে বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় সবাইকে নিয়ে দোয়া করেন।
তিনি বলেন, এই ছাত্র যুব সমাবেশে কোনো চাঁদাবাজ নেই, টেন্ডারবাজ নেই, ধর্ষক নেই। আগামীর বাংলাদেশকে চাঁদাবাজ টেন্ডারবাজমুক্ত ইনসাফের বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সঠিক নেতৃত্ব নির্বাচন করতে হবে। এই আসনের প্রার্থী জয়নাল আবেদীন একজন যোগ্য ব্যক্তি। তাকে নির্বাচিত করে এই অঞ্চলের সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে হবে।
দেশের শিক্ষাব্যবস্থার করুন চিত্র তুলে ধরে ভিপি সাদিক কায়েম বলেন, দাঁড়িপাল্লার প্রার্থীরা বিজয়ী হয়ে আমূল পরিবর্তনে কাজ করবেন। নতুন বাংলাদেশে ফ্যাসিবাদী আচরণ চলবে না। দেশ চলবে জনগণের ইচ্ছায়। ইনসাফের দেশ গড়ে তুলতে হবে।
তিনি তারুণ্যের প্রথম ভোট দাঁড়িপাল্লার পক্ষে হোক- এই আহ্বান জানিয়ে বলেন, ডাকসু, জাকসু, রাকসু ও চাকসুতে তরুণ সমাজ ইনসাফের পক্ষে রায় দিয়েছে। আগামী নির্বাচনে তরুণ সমাজসহ গোটা দেশ ইনসাফের পক্ষে রায় দেবে। ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ সিদ্ধান্ত নিয়ে আগামীর নেতৃত্ব নির্বাচন করতে হবে। সিলেটবাসী ১৯৪৭ সালে গণভোটের মাধ্যমে নিজেদের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। ২০২৬ সালেও সিলেটবাসী সিদ্ধান্ত নিতে ভুল করবে না।
উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা ফয়জুর রহমানের সভাপতিত্বে কোম্পানীগঞ্জ সদর প্রাইমারি স্কুল মাঠে অনুষ্ঠিত ছাত্র ও যুব সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিলেট-৪ আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জয়নাল আবেদীন। প্রধান আকর্ষণ হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনপ্রিয় ছাত্র প্রতিনিধি ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম।
প্রধান অতিথি সিলেট-৪ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী জয়নাল আবেদীন বলেন, ডা: শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে একটি সুখী সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে দাঁড়িপাল্লা মার্কায় ভোটের জোয়ার সৃষ্টি করতে হবে।
সমাবেশে বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন সিলেট জেলা জামায়াতের অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি মাওলানা মাশুক উদ্দিন, সিলেট মহানগর ছাত্রশিবিরের সভাপতি শাহীন আহমদ, ডাকসুর ছাত্র পরিবহন বিষয়ক সম্পাদক আসিফ আব্দুল্লাহ ও জামায়াত নেতা অধ্যাপক আব্দুল হান্নান প্রমুখ।
সমাবেশে হাজার হাজার ছাত্র ও যুবক অংশ নেন। সাদিক কায়েমকে একনজর দেখতে সকাল থেকেই সমাবেশস্থল লোকে লোকারণ্য হয়ে ওঠে।