বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬
বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬
✔ বাংলা টেক্সট কনভার্টার
শিরোনাম
advertisement
সিলেট বিভাগ

স্বাধীনতার ৫৪ বছরেও সড়কে লাগেনি উন্নয়নের ছোঁয়া! ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ

হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার ৩নং দেওরগাছ ইউনিয়নের ইনাতাবাদ রেললাইন থেকে ঝুড়িয়া বড়বাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় হয়ে উত্তর ময়নাবাদ পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সড়কটি স্বাধীনতার ৫৪ বছরেও উন্নয়নের মুখ দেখেনি বলে অভিযোগ উঠেছে স্থানীয়দের মধ্যে। দীর্ঘদিন ধরে কাঁচা অবস্থায় পড়ে থাকা এই সড়কে এখনো কোনো ধরনের ইট বা পাকা কাজ না হওয়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন এলাকাবাসী।

স্থানীয়রা জানান, দেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকে বিভিন্ন সময়ে একাধিক সরকার ক্ষমতায় এলেও সড়কটির উন্নয়নে কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। নির্বাচনের সময় রাজনৈতিক নেতারা নানা প্রতিশ্রুতি দিলেও বাস্তবে জুরিয়া-ইনাতাবাদ সড়কে উন্নয়নের কোনো ছোঁয়া লাগেনি।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, বর্ষা মৌসুমে সড়কটি চলাচলের সম্পূর্ণ অনুপযোগী হয়ে পড়ে। কাদামাটি ও জলাবদ্ধতার কারণে শিক্ষার্থী, কৃষক, চাকরিজীবীসহ সাধারণ মানুষকে চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়। বিশেষ করে অসুস্থ রোগী পরিবহন এবং শিক্ষার্থীদের স্কুলে যাতায়াতে দুর্ভোগ কয়েকগুণ বেড়ে যায়।

স্থানীয় প্রবাসী মামুনুর রশিদ বলেন, প্রবাস থেকে দেশে এসে কাঁচা রাস্তা দিয়ে বাড়ি থেকে বের হতে পারি না। বৃষ্টি হলে আমরা কার্যত ঘরবন্দী হয়ে পড়ি। দীর্ঘদিন ধরে আমরা এই দুর্ভোগের শিকার হচ্ছি।

এলাকাবাসীর দাবি, জীবনমান উন্নয়নের জন্য রাস্তাঘাটের উন্নয়ন অত্যন্ত জরুরি। তাই দ্রুত সময়ের মধ্যে ইনাতাবাদ রেললাইন থেকে ঝুড়িয়া বড়বাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পর্যন্ত সড়কটি পাকাকরণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।

স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. মানিক মিয়া বলেন, এখনো কোনো বরাদ্দ আসেনি। শুনতেছি কাজ শুরু হবে। বর্তমানে আমার ওয়ার্ডের মানুষ খুবই কষ্টে আছে। আমি সরকারের কাছে জোর দাবি জানাই, কাঁচা রাস্তা পাকাকরণ করে মানুষের কষ্ট লাঘব করা হোক।

এ বিষয়ে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান রুমন ফরাজী জানান, দক্ষিণ ময়নাবাদ-বাল্লা সড়ক থেকে ঝুড়িয়া পুরাবাড়ি পর্যন্ত প্রায় ১ কিলোমিটার রাস্তার টেন্ডার হয়েছে। তবে ইনাতাবাদ রেললাইন থেকে ঝুড়িয়া বড়বাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় হয়ে উত্তর ময়নাবাদ পর্যন্ত আলোচিত সড়কের কোনো টেন্ডার এখনো হয়নি।

তিনি বলেন, আমি বারবার বিভিন্ন দপ্তরে এই রাস্তার জন্য আবেদন দিয়ে যাচ্ছি। কিন্তু এখনো কোনো প্রতিকার পাচ্ছে না গ্রামবাসী। মানুষের কষ্ট লাঘবে আমার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

এই সম্পর্কিত আরো