মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারি ২০২৬
মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারি ২০২৬
✔ বাংলা টেক্সট কনভার্টার
শিরোনাম
বাংলাদেশি সব সাংবাদিকের অ্যাক্রিডিটেশন বাতিল করল আইসিসি সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ফল একসঙ্গে ঘোষণা হবে শাহজালালের (র.) মাজার থেকে অজ্ঞাতপরিচয় লাশ উদ্ধার কুলাউড়ায় আসছেন জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান, ব্যাপক প্রস্তুতি সাবেক ডিএমপি কমিশনারসহ ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড ডিবির অভিযান - তারাপুর চা বাগান থেকে পিস্তল ও গুলি উদ্ধার ফুটবল মাঠে বন্দুক হামলা, নিহত ১১ চুনারুঘাটে দিনব্যাপী এ.কে. ফাউন্ডেশনের বিনামূল্যে চক্ষু সেবা প্রদান নির্বাচিত হলে সিলেটকে দুর্নীতিমুক্ত করতে চান ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী মাহমুদুল হাসান ধানের শীষের বিজয়ের মধ্য দিয়েই বাংলাদেশ আবার ঘুরে দাঁড়াবে: তাহসিনা রুশদীর লুনা
advertisement
রাজনীতি

‘প্রধান উপদেষ্টার সব মামলা প্রত্যাহার, আমি গয়েশ্বর এখনো হাজিরা দিই’

আদালত বিএনপির সেকেন্ড হোম হয়ে গেছে উল্লেখ করে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, প্রধান উপদেষ্টার বিরুদ্ধে অনেক মামলা ছিল, সব প্রত্যাহার করা হয়েছে। অথচ তাঁকে প্রায়ই আদালতে যেতে হচ্ছে।

আজ সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবে বাংলাদেশ পেশাজীবী জোট আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় এ কথা বলেন।

গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ‘আদালত এখন আমাদের সেকেন্ড হোম হয়ে গেছে। আমাদের প্রায়ই কোর্টে যেতে হয়। প্রধান উপদেষ্টার বিরুদ্ধেও অনেক মামলা ছিল, আমরা তখন তাঁর পক্ষে প্রতিবাদ করেছিলাম। এখন তিনি সব মামলা প্রত্যাহার করে চেয়ারে বসে আছেন, অথচ আমি গয়েশ্বর এখনো কোর্টে হাজিরা কেন দিচ্ছি?’

গয়েশ্বর চন্দ্র রায় অভিযোগ করে বলেন, ‘বিএনপি কখনোই প্রতিহিংসার রাজনীতি করে না, যার ফলে অনেকে মনে করেন, বিএনপির বিরুদ্ধে বলা ও লেখা সবচেয়ে নিরাপদ। আগে সাংবাদিকেরা বলতেন, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নেই। তাই আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে কিছু লেখা যেত না, কিন্তু বিএনপির বিরুদ্ধে নানা কথা লেখা হতো।’

সংবাদপত্রের স্বাধীনতা মানেই সাংবাদিকদের স্বাধীনতা নয় বলে মনে করেন গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। তিনি বলেন, ‘সংবাদপত্রের প্রকৃত স্বাধীনতা মালিক ও প্রকাশকের। কিছু মিডিয়ার মালিক সরকারের সঙ্গে সমঝোতা করে চলেন, ফলে তাঁরা সরকারের বিরুদ্ধে নিউজ করেন না। আবার অনেক মিডিয়ার অর্থের অভাব না থাকলেও সাংবাদিকদের ঠিকমতো বেতন দেওয়া হয় না।’

নির্বাচন প্রসঙ্গে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য বলেন, ‘৫ আগস্ট যদি হাসিনা পালিয়ে পদত্যাগ না করতেন, তাহলে নিয়ম অনুযায়ী ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন হতো। এখন নির্বাচন কমিশনের দেড়-দুই বছর লাগছে কেন? আমরা কিসের প্রস্তুতির জন্য অপেক্ষা করছি?’

আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবদুস সালাম, পেশাজীবী জোটের সমন্বয়কারী হুমায়ুন কবির ব্যাপারী, প্রজন্ম একাডেমির সভাপতি কালাম ফয়েজী প্রমুখ।

এই সম্পর্কিত আরো

বাংলাদেশি সব সাংবাদিকের অ্যাক্রিডিটেশন বাতিল করল আইসিসি

সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ফল একসঙ্গে ঘোষণা হবে

শাহজালালের (র.) মাজার থেকে অজ্ঞাতপরিচয় লাশ উদ্ধার

কুলাউড়ায় আসছেন জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান, ব্যাপক প্রস্তুতি

সাবেক ডিএমপি কমিশনারসহ ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড

ডিবির অভিযান তারাপুর চা বাগান থেকে পিস্তল ও গুলি উদ্ধার

ফুটবল মাঠে বন্দুক হামলা, নিহত ১১

চুনারুঘাটে দিনব্যাপী এ.কে. ফাউন্ডেশনের বিনামূল্যে চক্ষু সেবা প্রদান

নির্বাচিত হলে সিলেটকে দুর্নীতিমুক্ত করতে চান ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী মাহমুদুল হাসান

ধানের শীষের বিজয়ের মধ্য দিয়েই বাংলাদেশ আবার ঘুরে দাঁড়াবে: তাহসিনা রুশদীর লুনা