বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬
বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬
✔ বাংলা টেক্সট কনভার্টার
শিরোনাম
advertisement
রাজনীতি

দেশবাসীকে বিরোধীদলীয় নেতার ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা

দেশবাসীকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, দীর্ঘ এক মাস পবিত্র সিয়াম সাধনার পর, আনন্দের বার্তা নিয়ে পবিত্র ঈদুল ফিতর আমাদের দুয়ারে সমাগত। জাতি এমন এক সময়ে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন করতে যাচ্ছে, যখন দেশে ফ্যাসিবাদমুক্ত পরিবেশে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং নতুন সরকার গঠিত হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, ‘দীর্ঘদিনের অগণতান্ত্রিক ও জালিম সরকারের পতন ঘটেছে।

দেশবাসীর প্রত্যাশা, কেউ আর নতুন করে ফ্যাসিবাদী হয়ে ওঠার দুঃসাহস দেখাবে না।’

জামায়াতে ইসলামীর আমির বলেন, এখন দেশের মানুষ ভয়ভীতিমুক্ত পরিবেশে চলাফেরা করতে পারবে, কথা বলতে পারবে। মানুষে মানুষে কোনো ভেদাভেদ ও বৈষম্য থাকবে না। নাগরিকরা জানমাল ও ইজ্জত-আব্রুর নিরাপত্তা পাবে।

তিনি আরো বলেন, দেশ ঘুষ, দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও দখলবাজিমুক্ত হবে। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই মিলেমিশে সুখে-শান্তিতে বসবাস করতে পারবে।

ডা. শফিকুর রহমান সরকারি ও বিরোধীদল ঐক্যবদ্ধভাবে জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা দ্রুত বাস্তবায়নের মাধ্যমে গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণের আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, যাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে জাতি ফ্যাসিবাদমুক্ত পরিবেশ পেয়েছে, মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীন তাদের শহীদ হিসেবে কবুল করুন।

আর যারা পঙ্গুত্ববরণ করেছেন ও আহত হয়েছেন, আমরা তাদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করছি এবং আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করছি।’

বিরোধী দলীয় নেতা আরো বলেন, ‘মানুষের মাঝে আল্লাহভীতি তথা তাকওয়ার গুণাবলি সৃষ্টির মাধ্যমে ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় জীবনে আল্লাহর বিধান মেনে চলার দীর্ঘ প্রশিক্ষণের পর আমাদের মাঝে আগমন ঘটেছে পবিত্র ঈদুল ফিতর। মাসব্যাপী সিয়াম সাধনার পর পবিত্র ঈদুল ফিতর মুসলমানদের জীবনে শান্তি ও আনন্দের বার্তা নিয়ে আসে।

তিনি বলেন, ‘পবিত্র ঈদুল ফিতর ধনী-গরিব সব শ্রেণির মুসলমানদের মধ্যে নিবিড় ভ্রাতৃত্ব-বোধ জাগ্রত করে।’

ডা. শফিকুর রহমান আরো বলেন, ‘পবিত্র ঈদুল ফিতরের দিনে আমরা সব ভেদাভেদ ভুলে গিয়ে মানুষে মানুষে দয়া, সৌভ্রাতৃত্ব, সাম্য, ঐক্য ও ভালোবাসার এক মহাসেতুবন্ধন গড়ে তুলি।

তিনি বলেন, আসুন, আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে একটি হিংসা ও বিদ্বেষযুক্ত সমাজ গঠনে তৎপর হই এবং সমাজের অবহেলিত, বঞ্চিত ও নির্যাতিত-নিপীড়িত মানুষের সহায়তায় এগিয়ে আসি। আমরা একে অপরের সুখ-আনন্দ ও দুঃখ-কষ্ট ভাগ করে নিই।

এই সম্পর্কিত আরো