শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬
শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬
✔ বাংলা টেক্সট কনভার্টার
শিরোনাম
advertisement
জাতীয়

ঈদযাত্রায় ট্রেনে দৈনিক ৪২ হাজার যাত্রী বহন করা হবে: রেলমন্ত্রী

পবিত্র রমজান মাস শেষের দিকে। আর সপ্তাহখানেক পর ঈদুল ফিতর। তাই এখন নাড়ির টানে বাড়ি ফেরার প্রস্তুতি নিয়েছে ঘরমুখী মানুষ। কেবল রাজধানী ঢাকা শহর থেকেই সোয়া কোটির বেশি মানুষ চলে যাবেন আপন ঠিকানায়। বিপুলসংখ্যক মানুষের চাপ সাধ্যমতো সামাল দিতে প্রস্তুতি নিয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। ঈদযাত্রায় ট্রেনে প্রতিদিন প্রায় ৪২ হাজার যাত্রী বহন করা হবে বলে জানিয়েছেন সড়ক ও সেতু, রেল এবং নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।

শুক্রবার ট্রেনে এবারের ঈদযাত্রার প্রথম দিনে কমলাপুর রেলস্টেশন পরিদর্শন শেষে এসব কথা বলেন মন্ত্রী।

রেলমন্ত্রী বলেন, ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে রেলে অতিরিক্ত কোচ ও বিশেষ ট্রেন যুক্ত করা হয়েছে। বর্তমানে প্রায় ১২৪টি কোচ যুক্ত করা হয়েছে। মিটারগেজে আরো প্রায় ১৪টি কোচ এবং ব্রডগেজ লাইনে প্রায় পাঁচ জোড়া বিশেষ ট্রেন চালু করা হয়েছে। এতে প্রতিদিন প্রায় ৩৬ থেকে ৪২ হাজার যাত্রীকে সেবা দেওয়া সম্ভব হবে।

ঈদুল ফিতর উপলক্ষে এবার রয়েছে টানা ৭ দিনের সরকারি ছুটি। এর শুরু হবে ১৭ মার্চ মঙ্গলবার থেকে। তবে আজ ১৩ মার্চ থেকে ট্রেনে ঈদযাত্রায় শুরু হয়েছে। এ জন্য রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ গত ৩ মার্চ থেকে অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু করে। পর্যায়ক্রমে ২০ মার্চ পর্যন্ত ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি করা হয়। রেলওয়ের পূর্ব ও পশ্চিমাঞ্চলে প্রতিদিন ৩৬ হাজার টিকিটের শতভাগ বিক্রি হয় অনলাইনে। তবে ৩৬ হাজার টিকিটের জন্য অনলাইনে প্রতিদিন ৩৭ লাখ মানুষ চেষ্টা করে বলে জানান রেলমন্ত্রী।

রেলমন্ত্রী বলেন, ৩ তারিখ (মার্চ) থেকে ধারাবাহিকভাবে অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু করা হয় এবং যাত্রীরা অনলাইনে টিকিট কিনেছেন। এ সময় অনলাইন প্ল্যাটফর্মে প্রচণ্ড চাপ দেখা যায়। প্রায় ৩৭ লাখ মানুষ টিকিট কেনার চেষ্টা করেছেন। কিন্তু রেলের সক্ষমতা অনুযায়ী প্রায় ৩৬ হাজার টিকিট বিক্রি করা সম্ভব হয়েছে।

মন্ত্রী জানান, একটি টিকিট বুক করার পর পেমেন্টের জন্য পাঁচ থেকে সর্বোচ্চ ১৫ মিনিট সময় দেওয়া হয়। এ কারণে অনেক সময় টিকিট বুক হয়ে থাকায় অন্যদের অপেক্ষায় থাকতে হয়েছে। তবে শেষ পর্যন্ত যেসব যাত্রী টিকিট কিনতে চেয়েছেন, তারা সবাই ন্যায্যভাবে টিকিট পেয়েছেন।

ঈদযাত্রার শেষ মুহূর্তে অনেক যাত্রী ছাদে উঠে যাতায়াতের চেষ্টা করেন উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, এই প্রবণতা বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। তবে বিপুল যাত্রীর চাপে কখনো কখনো দু-একজন ছাদে উঠে যেতে পারেন।

রেলমন্ত্রী বলেন, ‘শতভাগ নিশ্চিত করা কঠিন হলেও আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি যাতে কেউ ছাদে উঠতে না পারে।’

এই সম্পর্কিত আরো