বুধবার, ১৪ জানুয়ারি ২০২৬
বুধবার, ১৪ জানুয়ারি ২০২৬
✔ বাংলা টেক্সট কনভার্টার
শিরোনাম
advertisement
জাতীয়

৩ হাজার নবীন বিজিবি সদস্য শপথ নিলেন

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-এর ১০৪তম রিক্রুট ব্যাচের প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার দুপুরে চট্টগ্রামের সাতকানিয়ার বাইতুল ইজ্জতে অবস্থিত বর্ডার গার্ড ট্রেনিং সেন্টার অ্যান্ড কলেজের (বিজিটিসিএন্ডসি) ঐতিহ্যবাহী ‘বীর উত্তম মজিবুর রহমান প্যারেড গ্রাউন্ডে’ কুচকাওয়াজ শেষে চট্টগ্রামের সাতকানিয়ার বাইতুল ইজ্জতে অবস্থিত বর্ডার গার্ড ট্রেনিং সেন্টার অ্যান্ড কলেজের (বিজিটিসিএন্ডসি) ঐতিহ্যবাহী ‘বীর উত্তম মজিবুর রহমান প্যারেড গ্রাউন্ডে’ কুচকাওয়াজ শেষে তারা এ শপথ নেন।

বিজিবির ইতিহাসে সর্বোচ্চ সংখ্যক ৩ হাজার ২৩ জন নবীন সদস্য দেশের সার্বভৌমত্ব ও অখণ্ডতা রক্ষার শপথ গ্রহণ করছেন। এরমধ্যে পুরুষ ২ হাজার ৯৫০জন এবং মহিলা ৭৩ জন।

‎বুধবার সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে চট্টগ্রামের সাতকানিয়ার বাইতুল ইজ্জতে অবস্থিত বর্ডার গার্ড ট্রেনিং সেন্টার অ্যান্ড কলেজের (বিজিটিসিএন্ডসি) ঐতিহ্যবাহী ‘বীর উত্তম মজিবুর রহমান প্যারেড গ্রাউন্ডে’ কুচকাওয়াজের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল(অব:) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী প্রধান অতিথি হিসেবে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন।

‎অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব নাসিমুল গনি, বিজিবির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী, বিজিটিসিএন্ডসি’র কমান্ড্যান্টসহ ঊর্ধ্বতন সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তারা উপস্থিত রয়েছেন।

‎বিজিবি জানায়, ১০৪তম রিক্রুট ব্যাচে সব বিষয়ে সেরা নবীন সৈনিক হিসেবে প্রথম স্থান অর্জন করেন আল ইমরান। তার বক্ষ নম্বর ১৫৫। এছাড়া শারীরিক উৎকর্ষতায় প্রথম স্থান অর্জন করেন শপিকুল ইসলাম (পুরুষ) ও লুবনা খাতুন (মহিলা) এবং শ্রেষ্ঠ ফায়ারার হিসেবে শফিকুর রহমান তামিম (পুরুষ) ও নাহিদা আক্তার (মহিলা)।

‎বিজিবি আরও জানায়, বিজিটিসিএন্ডসি বিগত ৪৪ বছর ধরে বিজিবির রিক্রুটদের প্রশিক্ষণ দিয়ে আসছে। স্বাধীনতার পর থেকে এ পর্যন্ত ৭২টি ব্যাচকে সফলভাবে প্রশিক্ষণ প্রদান করেছে প্রতিষ্ঠানটি। যদিও এর প্রশিক্ষণ সক্ষমতা ৭০০ থেকে ১ হাজার জন, তবুও অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নির্দেশনা ও বিজিবি সদর দপ্তরের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো ও ব্যবস্থাপনা গড়ে তুলে ১০৪তম ব্যাচে একসঙ্গে ৩ হাজার ২৩ জন রিক্রুটকে মৌলিক প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়, যা স্বাধীনতাত্তোর বাংলাদেশে এক অনন্য দৃষ্টান্ত।

এই সম্পর্কিত আরো