বুধবার, ২১ জানুয়ারি ২০২৬
বুধবার, ২১ জানুয়ারি ২০২৬
✔ বাংলা টেক্সট কনভার্টার
শিরোনাম
জামায়াত আমিরের নির্বাচনি জনসভা কাল দুপুরে স্বর্ণের দামে নতুন রেকর্ড, ভরি আড়াই লাখ ছাড়াল সুনামগঞ্জের ৫টি আসনে প্রতীক বরাদ্দ পেলেন ২৩ প্রার্থী কানাইঘাটে তথ্য অফিসের উদ্যেগে ‘ভোটের রিকশা’র উদ্বোধন সুনামগঞ্জে ফসলরক্ষা বাঁধের কাজের সামগ্রিক বিষয়ে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় কুলাউড়ায় এনসিপি’র ৫৪ সদস্য বিশিষ্ট আহবায়ক কমিটির পরিচিতি সভা সিলেটে মাশরুম চাষ প্রকল্পের আঞ্চলিক কর্মশালা অনুষ্ঠিত শান্তিগঞ্জে ইরা’র উদ্যোগে স্বাস্থ্য ও পুষ্টি বিষয়ক প্রকল্প অবহিত করণ কর্মশালা শ্রীমঙ্গলে হবিগঞ্জ ঐক্য উন্নয়ন সংস্থার অভিষেক অনুষ্ঠান সম্পন্ন গোলাপগঞ্জ ছাত্রদের ভারপ্রাপ্ত সদস্য সচিব জাকারিয়া, পৌর আহবায়ক তারেক
advertisement
আইন-আদালত

ফাঁসির দণ্ডের ১৩ বছর পর ট্রাইব্যুনালে যুদ্ধাপরাধী আযাদের আত্মসমর্পণ

একাত্তরে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় প্রথম মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি মাওলানা আবুল কালাম আযাদ আত্মসমর্পণ করতে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির হয়েছেন।

বুধবার (২১ জানুয়ারি) সকালে তিনি ট্রাইব্যুনালে আসেন বলে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন প্রসিকিউট গাজি এমএইচ তামিম।

জানা গেছে, গত বছর নিজের সাজা স্থগিতের জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেন আবুল কালাম আযাদ। ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০১ ধারা অনুযায়ী এই আবেদন করেন তিনি।

২০১৩ সালের ২১ জানুয়ারি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান তাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়ে রায় ঘোষণা দেন। আদেশে তার বিরুদ্ধে প্রদত্ত দণ্ডাদেশ আদালতে আত্মসমর্পণপূর্বক আপিল দায়েরের শর্তে এক বছরের জন্য স্থগিত করা হয়।

মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে মোট ৮টি মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ আনা হয়। তার মধ্যে ৭টিতেই তিনি দোষী সাব্যস্ত হন। ৩টিতে তার মৃত্যুদণ্ড, ৪টিতে কারাদণ্ড দেওয়ার সুযোগ থাকলেও মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার কারণে সে সব অপরাধের বিষয়ে দণ্ডাদেশ দেননি ট্রাইব্যুনাল। অপর একটি অভিযোগ প্রসিকিউশন প্রমাণ করতে না পারায় সেটি খারিজ করা হয়।

আবুল কালাম আযাদের বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধকালে ১৪ জনকে হত্যা, ৩ নারীকে ধর্ষণ, ৯ জনকে অপহরণ, ১০ জনকে আটকে রাখা, ৫ বাড়িতে অগ্নিসংযোগ এবং ১৫টি বাড়ির মালামাল লুণ্ঠনের অভিযোগ প্রমাণিত হয়।

তার বিরুদ্ধে ঘোষিত এ রায়ের মধ্য দিয়ে তৎকালীন ৭১ সালের মানবতাবিরোধী অপরাধের প্রথম কোনো মামলার রায় ঘোষণা করা হয়। তবে পলাতক থাকায় তাকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা সম্ভব হয়নি। তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির আগেই পালিয়ে ভারত হয়ে তিনি পাকিস্তানে চলে যান বলে জানায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

২০১২ সালের ২৬ ডিসেম্বর উভয়পক্ষের যুক্তিতর্ক (আর্গুমেন্ট) উপস্থাপন শেষ করার মাধ্যমে মামলার বিচারিক প্রক্রিয়া শেষ হয়। এরপর এ মামলার রায় অপেক্ষমান (সিএভি) রেখে আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। এরপর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ শুরু হয় একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত আবুল কালাম আযাদের বিচার।

এই সম্পর্কিত আরো

জামায়াত আমিরের নির্বাচনি জনসভা কাল দুপুরে

স্বর্ণের দামে নতুন রেকর্ড, ভরি আড়াই লাখ ছাড়াল

সুনামগঞ্জের ৫টি আসনে প্রতীক বরাদ্দ পেলেন ২৩ প্রার্থী

কানাইঘাটে তথ্য অফিসের উদ্যেগে ‘ভোটের রিকশা’র উদ্বোধন

সুনামগঞ্জে ফসলরক্ষা বাঁধের কাজের সামগ্রিক বিষয়ে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়

কুলাউড়ায় এনসিপি’র ৫৪ সদস্য বিশিষ্ট আহবায়ক কমিটির পরিচিতি সভা

সিলেটে মাশরুম চাষ প্রকল্পের আঞ্চলিক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

শান্তিগঞ্জে ইরা’র উদ্যোগে স্বাস্থ্য ও পুষ্টি বিষয়ক প্রকল্প অবহিত করণ কর্মশালা

শ্রীমঙ্গলে হবিগঞ্জ ঐক্য উন্নয়ন সংস্থার অভিষেক অনুষ্ঠান সম্পন্ন

গোলাপগঞ্জ ছাত্রদের ভারপ্রাপ্ত সদস্য সচিব জাকারিয়া, পৌর আহবায়ক তারেক