রবিবার, ০১ মার্চ ২০২৬
রবিবার, ০১ মার্চ ২০২৬
✔ বাংলা টেক্সট কনভার্টার
শিরোনাম
সাদ্দাম-গাদ্দাফির পর মার্কিন আগ্রাসনের শিকার খামেনি আমিরাতে ইরানি হামলায় বাংলাদেশি নিহত কলেজছাত্রী ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণ: যুবকের যাবজ্জীবন এশিয়ার নারী ফুটবল আসর শুরু: জয়ে শুভ সূচনা স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়ার নির্ধারিত সময়েও শেষ হয়নি হাওরের বাঁধের কাজ, বোরো ফসল নিয়ে শঙ্কায় কৃষক জামালগঞ্জে কবরস্থানের নিয়ে বিরোধ, গ্রামবাসী–পরিবারের পাল্টাপাল্টি অভিযোগ দ্রুত উন্নয়ন কাজ সম্পন্নের নির্দেশ সিসিক প্রশাসকের সিটি করপোরেশন নির্বাচন কবে, জানালেন ইসি মাছউদ বিমান ও পর্যটনমন্ত্রীর মায়ের ইন্তেকালে বিএনপি মহাসচিবের শোক শিক্ষাব্যবস্থায় গুণগত সংস্কার ও দ্রুত কারিকুলাম প্রণয়নের আহ্বান শিক্ষামন্ত্রীর
advertisement
অর্থ-বাণিজ্য

পাচার হওয়া অর্থ উদ্ধারে ব্যাংকগুলোকে বিশেষ নির্দেশনা বাংলাদেশ ব্যাংকের

শেখ হাসিনা, তার পরিবারের সদস্য এবং কয়েকটি বড় ব্যবসায়ী গোষ্ঠীর নামে বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ ফিরিয়ে আনতে ১২টি আন্তর্জাতিক সম্পদ পুনরুদ্ধার ও আইনজীবী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি করতে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

এই প্রতিষ্ঠানগুলো অর্থ ফেরত আনার প্রক্রিয়ায় প্রশাসনিক ও আইনি সহায়তা দেবে।

সোমবার (৬ অক্টোবর) বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক সভায় এই নির্দেশ দেওয়া হয়। সভায় ৩২টি বাণিজ্যিক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকরা উপস্থিত ছিলেন।

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও ওমর ফারুক খান বলেন, 'ব্যাংকগুলো আন্তর্জাতিক আইন ও সম্পদ পুনরুদ্ধার প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কাজ করবে পাচার হওয়া অর্থের খোঁজ ও পুনরুদ্ধারে। নেতৃত্বদানকারী হিসেবে কিছু ব্যাংক অন্যদের সঙ্গে কনসোর্টিয়াম গঠন করে এসব প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি করবে। চুক্তি সম্পন্ন হলে পুনরুদ্ধারকৃত অর্থ কীভাবে জমা দেওয়া হবে, তা নির্ধারণ করা হবে।'

তিনি আরও জানান, সিআইডি প্রাথমিকভাবে পাচারের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে ১১টি দেশীয় শিল্পগোষ্ঠীকে শনাক্ত করেছে। আমরা নন-ডিসক্লোজার অ্যাগ্রিমেন্টের (এনডিএ) আওতায় এসব সম্পদ পুনরুদ্ধার সংস্থার সঙ্গে কাজ করব। কিছু প্রাথমিক আলোচনাও শুরু হয়েছে।'

খবরে আরও জানা গেছে, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি পাচারে জড়িত অভিযোগ রয়েছে সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরীর প্রতিষ্ঠান আরামিট গ্রুপ, এস আলম গ্রুপ, বেক্সিমকো, বসুন্ধরা, সিকদার গ্রুপ, নাসা গ্রুপ, ওরিয়ন, জেমকন, নাবিল ও সামিটসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে।

অভিযোগে বলা হয়েছে, এসব প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে পাচার হওয়া অর্থের একটি অংশ শেষ পর্যন্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের সদস্যদের উপকারে এসেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এই সম্পর্কিত আরো

সাদ্দাম-গাদ্দাফির পর মার্কিন আগ্রাসনের শিকার খামেনি

আমিরাতে ইরানি হামলায় বাংলাদেশি নিহত

কলেজছাত্রী ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণ: যুবকের যাবজ্জীবন

এশিয়ার নারী ফুটবল আসর শুরু: জয়ে শুভ সূচনা স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়ার

নির্ধারিত সময়েও শেষ হয়নি হাওরের বাঁধের কাজ, বোরো ফসল নিয়ে শঙ্কায় কৃষক

জামালগঞ্জে কবরস্থানের নিয়ে বিরোধ, গ্রামবাসী–পরিবারের পাল্টাপাল্টি অভিযোগ

দ্রুত উন্নয়ন কাজ সম্পন্নের নির্দেশ সিসিক প্রশাসকের

সিটি করপোরেশন নির্বাচন কবে, জানালেন ইসি মাছউদ

বিমান ও পর্যটনমন্ত্রীর মায়ের ইন্তেকালে বিএনপি মহাসচিবের শোক

শিক্ষাব্যবস্থায় গুণগত সংস্কার ও দ্রুত কারিকুলাম প্রণয়নের আহ্বান শিক্ষামন্ত্রীর