সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬
সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬
✔ বাংলা টেক্সট কনভার্টার
শিরোনাম
মালয়েশিয়ায় স্বেচ্ছাসেবক দলের ইফতার ও দোয়া মাহফিল কালীঘাটে চোরাই পণ্যের ‘সাম্রাজ্য’: নেপথ্যে মাসুম-শরীফ সিন্ডিকেট বাদী জানেন না আসামী কে - জুলাই আন্দোলন: আহতদের গেজেট তালিকাভুক্তি মামলায় রহস্য! চুনারুঘাটে আকল মিয়ার মৃত্যুবার্ষিকীতে দোয়া ও ইফতার মাহফিল কুলাউড়া সরকারি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হলেন অধ্যাপক শাহজালাল সাদ্দাম-গাদ্দাফির পর মার্কিন আগ্রাসনের শিকার খামেনি আমিরাতে ইরানি হামলায় বাংলাদেশি নিহত কলেজছাত্রী ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণ: যুবকের যাবজ্জীবন এশিয়ার নারী ফুটবল আসর শুরু: জয়ে শুভ সূচনা স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়ার নির্ধারিত সময়েও শেষ হয়নি হাওরের বাঁধের কাজ, বোরো ফসল নিয়ে শঙ্কায় কৃষক
advertisement
অর্থ-বাণিজ্য

এক দিনে ২৬ ব্যাংক থেকে ৩৫ কোটি ডলার কিনল বাংলাদেশ ব্যাংক

অর্থপাচার রোধে সরকার কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ায় প্রবাসী আয় ও রপ্তানি আয় দুটিই বেড়েছে। এতে বাজারে ডলারের সরবরাহ বেড়েছে। সাধারণত এমন পরিস্থিতিতে ডলারের দাম কমে আসার কথা। কিন্তু বর্তমানে বাংলাদেশ ব্যাংক ডলার কিনে দাম স্থিতিশীল রাখার চেষ্টা করছে।

এ কারণে সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) ২৬ ব্যাংক থেকে ৩৫ কোটি ৩০ লাখ ডলার কিনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ১২১ টাকা ৭৫ পয়সা দামে এ ডলার কেনা হয়েছে।

ফলে চলতি অর্থবছরে এই পর্যন্ত ১৭৪ কোটি ৭৫ লাখ ডলার কেনা হয়েছে। এর ফলে একদিকে যেমন বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বাড়ছে, অন্যদিকে ডলারের দামও ১২০ টাকার ওপরে থাকছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

এখন বাংলাদেশ ব্যাংক প্রতিদিন বাংলাদেশের সঙ্গে যেসব দেশের বেশি বাণিজ্য সম্পর্ক আছে, সেই দেশগুলোর মুদ্রার গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করছে। পাশাপাশি দেশের বাজারে ডলারের সরবরাহ ও চাহিদার পাশাপাশি দামও নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। এ জন্য প্রতিদিন সকালে ডলারের দাম (রেফারেন্স রেট) প্রকাশ করে বাংলাদেশ ব্যাংক। কোনো কারণে দেশের ডলারের দাম ঘোষিত এই রেফারেন্সের চেয়ে কমে এলে ডলার কেনার জন্য নিলাম ডাকছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, জুলাই থেকে আজ পর্যন্ত কেন্দ্রীয় ব্যাংক বিভিন্ন ব্যাংক থেকে ডলার কিনছে। যেসব ব্যাংকের কাছে অতিরিক্ত ডলার ছিল, তারা নিলামে অংশ নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে এই ডলার বিক্রি করেছে। এই পদক্ষেপের ফলে ডলারের দাম এখন পুরোপুরি বাজারের ওপর নির্ভরশীল হয়ে উঠেছে। এটি আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) একটি অন্যতম শর্ত ছিল। আইএমএফের ঋণের শর্ত অনুযায়ী, বাংলাদেশের যে পরিমাণ রিজার্ভ থাকার কথা, বর্তমানে তার চেয়ে বেশি রিজার্ভ রয়েছে।

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের জেরে ২০২২ সাল থেকে বাংলাদেশে ডলারের দাম বাড়তে শুরু করে। তাতে ডলারের সরবরাহ ও চাহিদার মধ্যে বড় ঘাটতি দেখা দেয়। ফলে প্রতি ডলারের দাম ৮৫ টাকা থেকে বেড়ে ১২২ টাকায় পৌঁছায়। এতে দেশের অর্থনীতিতে মুদ্রাস্ফীতি বেড়ে যায়, যা সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রাকে কঠিন করে তোলে। বাংলাদেশ ব্যাংক রিজার্ভ থেকে প্রচুর ডলার বিক্রি করেও দাম নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেনি।

গত তিন অর্থবছরে বাংলাদেশ ব্যাংক বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ থেকে ২৫ বিলিয়নের বেশি ডলার বিক্রি করেছে, যা মূলত জ্বালানি, সার ও খাদ্য আমদানি বিল মেটাতে ব্যবহার হয়েছে। গত বছরের আগস্টে গণ-অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কম থাকায় বাংলাদেশ ব্যাংক সরকারি আমদানির জন্য ডলার সহায়তা বন্ধ করে দেয়। এ বছরের মার্চে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধি ও ডলারের দাম কমতে শুরু করলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাজার থেকে ডলার কেনা শুরু করে।

এদিকে দেশে ডলার-সংকট কাটাতে সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রেখেছে প্রবাসীদের পাঠানো আয়। গত ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশে প্রবাসী আয় এসেছে ৩০ দশমিক ৩২ বিলিয়ন ডলার, যা আগের অর্থবছরের তুলনায় প্রায় ২৭ শতাংশ বেশি। আর চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে (জুলাই-আগস্ট) প্রবাসী আয় এসেছে প্রায় পাঁচ কোটি ডলার, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ১৮ দশমিক ৪১ শতাংশ বেশি। এ ছাড়া গত অর্থবছর শেষে দেশে রপ্তানি আয়ে প্রবৃদ্ধি ছিল ৭ দশমিক ৭২ শতাংশ। আর একই বছর আমদানিতে খরচ হয় ৬৮ দশমিক ৩৫ বিলিয়ন ডলার, যা আগের অর্থবছরের তুলনায় ২ দশমিক ৪৪ শতাংশ বেশি।

এই সম্পর্কিত আরো

মালয়েশিয়ায় স্বেচ্ছাসেবক দলের ইফতার ও দোয়া মাহফিল

কালীঘাটে চোরাই পণ্যের ‘সাম্রাজ্য’: নেপথ্যে মাসুম-শরীফ সিন্ডিকেট

বাদী জানেন না আসামী কে জুলাই আন্দোলন: আহতদের গেজেট তালিকাভুক্তি মামলায় রহস্য!

চুনারুঘাটে আকল মিয়ার মৃত্যুবার্ষিকীতে দোয়া ও ইফতার মাহফিল

কুলাউড়া সরকারি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হলেন অধ্যাপক শাহজালাল

সাদ্দাম-গাদ্দাফির পর মার্কিন আগ্রাসনের শিকার খামেনি

আমিরাতে ইরানি হামলায় বাংলাদেশি নিহত

কলেজছাত্রী ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণ: যুবকের যাবজ্জীবন

এশিয়ার নারী ফুটবল আসর শুরু: জয়ে শুভ সূচনা স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়ার

নির্ধারিত সময়েও শেষ হয়নি হাওরের বাঁধের কাজ, বোরো ফসল নিয়ে শঙ্কায় কৃষক