শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬
শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬
✔ বাংলা টেক্সট কনভার্টার
শিরোনাম
ইরানের বিপ্লবী গার্ডের মুখপাত্র জেনারেল নায়িনি নিহত সদরঘাট পরিদর্শনে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী: ৩ লঞ্চকে জরিমানা, আটক ৪৩ সৌদির সঙ্গে মিল রেখে রাজধানীসহ দেশের কয়েক স্থানে ঈদ উদ্‌যাপন ঈদের আগের দিন রাজধানীতে ঝড়-বৃষ্টি মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধে এ পর্যন্ত পাঁচ বাংলাদেশি নিহত: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ঈদের আগের দিনও বাড়ি ফিরছে মানুষ, রাজধানী ফাঁকা ঈদের দিন বঙ্গভবনে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন রাষ্ট্রপতি দেশবাসীকে ঈদ-উল-ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ঈদযাত্রা নিয়ে বাগাড়ম্বর না করে কার্যকর পদক্ষেপ নিন: ই.আ. মহাসচিব দেশবাসীকে বিরোধীদলীয় নেতার ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা
advertisement
সিলেট বিভাগ

দুর্গাপূজায় ‘মাঝারি ঝুঁকিতে’ সুনামগঞ্জ

এবারের দুর্গাপূজায় দেশের ২৯টি জেলাকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে ‘সম্প্রীতি যাত্রা’ নামের একটি সামাজিক প্ল্যাটফর্ম।

এর মধ্যে পাঁচটিকে উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ এবং ২৪টিকে মাঝারি ঝুঁকিপূর্ণ জেলা উল্লেখ করে সংগঠনটি বলেছে, ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগ সরকারের মতো বিভাজন ও নিপীড়নের নীতিতে এগুচ্ছে অন্তর্বর্তী সরকার। আওয়ামী লীগ আমলে সাম্প্রদায়িক হামলা ও ভিন্নমতের ওপর নিপীড়নের একটি ঘটনার বিচার হয়নি। অন্তর্বর্তী সরকারও একই পথে চলেছে। এ অবস্থা থেকে নাগরিকদের রক্ষা করতে প্রয়োজন সামাজিক গণপ্রতিরোধ।

শনিবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সাগর–রুনী মিলনায়তনে ‘সম্প্রীতি যাত্রা’র এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য তুলে ধরা হয়। ‘মসজিদ, মন্দির, মাজার, আখড়া ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সুরক্ষায় সম্প্রীতি যাত্রার ডাক এবং আসন্ন দুর্গাপূজায় ঝুঁকি পর্যালোচনা ও করণীয়’ বিষয়ে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সাংস্কৃতিক কর্মী বিথী ঘোষের সঞ্চালনায় সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য উত্থাপন করেন লেখক ও গবেষক মীর হুযাইফা আল মামদূহ। বক্তব্য রাখেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষক মাহা মির্জা, চিন্তক ও শিল্পী অরূপ রাহী, উদীচী শিল্পী গোষ্ঠীর সাংগঠনিক সম্পাদক জামসেদ আনোয়ার তপন, কবি ফেরদৌস আরা রুমী, লেখক অ্যক্টিভিস্ট বাকি বিল্লাহ এবং সাংবাদিক রহমান মুফিজ।

লিখিত বক্তব্য জানানো হয়, দুর্গাপূজায় উচ্চঝুঁকিতে থাকা জেলাগুলো হচ্ছে- ঢাকা, রংপুর, যশোর, চাঁদপুর ও নোয়াখালী।

মাঝারি ঝুঁকিতে থাকা জেলাগুলো হচ্ছে- গাজীপুর, ফরিদপুর, মানিকগঞ্জ, রাজবাড়ী, চট্টগ্রাম, বান্দরবান, কুমিল্লা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, পাবনা, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নাটোর, লালমনিরহাট, দিনাজপুর, গাইবান্ধা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, খুলনা, কুষ্টিয়া, সুনামগঞ্জ, বরিশাল, পটুয়াখালী ও নেত্রকোনা।

দেশের অন্য জেলাগুলো নিম্ন ঝুঁকিপূর্ণ। ২০১৪-২০২৫ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম ও মানবাধিকার প্রতিবেদনে প্রকাশিত পূজা এবং অন্য সময়ে পূজামণ্ডপ ও শোভাযাত্রার রুট বা সংখ্যালঘু বাড়িঘরে হামলার ঘটনা বিশ্লেষণ করে এই ঝুঁকির মানচিত্র তৈরি করা হয়েছে।

এতে বলা হয়, মন্দির-মসজিদ, মাজার-আখড়া ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সুরক্ষায়ও অন্তর্বর্তী সরকার সম্পূর্ণ ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে। উপরন্তু মাত্রা বিবেচনায় এই জনগোষ্ঠীর মানুষের ওপর উগ্রবাদীদের সংঘবদ্ধ আক্রমণ বেড়েছে। এক্ষেত্রে আক্রমণকারী মবকে ‘প্রেশার গ্রুপ’ সাব্যস্ত করে সবধরনের নিপীড়নবাদী তৎপরতাকে বৈধতা দিয়ে চলেছে সরকার।

মীর হুযাইফা আল মামদূহ বলেন, নানা অভিযোগে দীর্ঘ দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে দেশে সম্প্রীতি বিনষ্টের অপতৎপরতা চলছে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তার পরিসর বিস্তৃত হয়েছে। বৈষম্যহীনতার আকাঙ্ক্ষা নিয়ে চব্বিশের গণআন্দোলনের পরও এ প্রবণতার কোনো ইতিবাচক পরিবর্তন ঘটেনি।

মাহা মির্জা বলেন, সরকার চাইলেই মব থামানো সম্ভব। কিন্তু অন্তর্বর্তী সরকার এই অপরাধগুলোর ব্যাপারে পুরোপুরি চোখ বন্ধ করে আছে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে মূল স্পিরিটের জায়গা ছিল- সহমর্মিতার বাংলাদেশে সব ধর্ম বর্ণের মানুষ মিলেমিশে থাকবে। কিন্তু গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে দেশের সংখ্যালঘুরা ভয়ের মধ্যে আছে। এই মুহূর্তের বাংলাদেশ খুবই ভীতিকর। সরকারের আচরণে আমরা আসলে ক্ষুব্ধ।

অরূপ রাহী বলেন, সাম্রাজ্যবাদ ফ্যাসিবাদী পরিকল্পনার অংশ হিসেবে একটি গোষ্ঠী সামাজিক ফ্যাসিবাদ কায়েম করেছে। তারা অন্য ধর্ম, বিশ্বাস ও সংস্কৃতির স্বাধীনতা খর্ব করে চলেছে। মানুষের ঐক্যবদ্ধতার মধ্য দিয়ে এদের রুখে দিতে হবে। এদেশের সম্প্রীতির সংস্কৃতি কোনোভাবেই নস্যাৎ হতে দেওয়া যাবে না।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, লেখক, সাহিত্যিক, কবি, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মীদের উদ্যোগে গঠিত সম্প্রীতি যাত্রার জেলা-উপজেলা কমিটিগুলো শিগগিরই গঠন করা হবে। যারা বিভিন্ন মন্দির, মাজার, ধর্মীয় স্থাপনা ও সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা রক্ষায় কাজ করবেন। সাম্প্রদায়িক উস্কানি ও বিভ্রান্তি রোধে একটি ফ্যাক্টচেকিং দলও গঠন করা হবে। পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ জেলাগুলোর স্থানীয় নাগরিকসহ সামাজিক-সাংস্কৃতিক, সংখ্যালঘু, সুফি ও মাজার, বাউল ও ফকির, আদিবাসী, নারী ও পেশাজীবী সংগঠন এবং রাজনৈতিক দলগুলোর প্রগতিশীল ব্যক্তিদের নিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে।

এই সম্পর্কিত আরো

ইরানের বিপ্লবী গার্ডের মুখপাত্র জেনারেল নায়িনি নিহত

সদরঘাট পরিদর্শনে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী: ৩ লঞ্চকে জরিমানা, আটক ৪৩

সৌদির সঙ্গে মিল রেখে রাজধানীসহ দেশের কয়েক স্থানে ঈদ উদ্‌যাপন

ঈদের আগের দিন রাজধানীতে ঝড়-বৃষ্টি

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধে এ পর্যন্ত পাঁচ বাংলাদেশি নিহত: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

ঈদের আগের দিনও বাড়ি ফিরছে মানুষ, রাজধানী ফাঁকা

ঈদের দিন বঙ্গভবনে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন রাষ্ট্রপতি

দেশবাসীকে ঈদ-উল-ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ঈদযাত্রা নিয়ে বাগাড়ম্বর না করে কার্যকর পদক্ষেপ নিন: ই.আ. মহাসচিব

দেশবাসীকে বিরোধীদলীয় নেতার ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা