সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ভোলাগঞ্জ সাদাপাথর থেকে লুট হওয়া পাথরের প্রায় ১৫ লাখ ঘনফুট প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। আর উদ্ধার হয়েছে প্রায় ২৮ লাখ ঘনফুট।
শুক্রবার (২৯ আগস্ট) বিকেলে কোম্পানীগঞ্জের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রবিন মিয়া এসব তথ্য জানান।
সিলেটের বিশ্ববিখ্যাত পর্যটন কেন্দ্র সাদাপাথরের পাথর লুটের ঘটনায় সারাদেশে তোলপাড় সৃস্টি হয়। বিষয়টি গড়য় উচ্চ আদালত পর্যন্ত। আদালত পাথর উদ্ধার করে প্রতিস্থাপনের নির্দেশ দেন।
এরপর প্রশাসন সাড়াশি অভিযান শুরু করে প্রায় ২৮ লাখ ঘনফুট পাথর উদ্ধার করতে সক্ষম হয়।
প্রতিদিন পাঁচশ শ্রমিক, ৪শ নৌকা ও ৩শ ট্রাকে চলছে পাথর প্রতিস্থাপনের কাজ।
বৃহস্পতিবার সিলেট সদর উপজেলা ধোপাগুল ও লালবাগের অন্তত পাঁচটি পুকুরের পানিতে লুকিয়ে রাখা দেড় লাখ ঘনফুট পাথর উদ্ধার করে উপজেলা প্রশাসন।
পাথর প্রতিস্থাপনের কাজ শেষ হতে আরও কয়েকদিন সময় লাগতে পারে বলে জানিয়েছেন সিলেটের নবনিযুক্ত জেলা প্রশাসক মো. সারোয়ার আলম।
এদিকে পাথর লুটের পর শ্রীহীন সাদাপাথরে খুব একটা পর্যটক না গেলেও জানা গেছে, ইদানিং পর্যটকের সংখ্যা প্রায় প্রতিদিনই বাড়ছে। ছুটির দিনগুলোতে সিলেটের পর্যটক ছাড়াও দেশের অন্যান্য স্থানের পর্যটকদের ভীড় ঠিক আগের মতো না হলেও মোটামুটি বাড়ছে বলে জানিয়েছেন সাদাপাথর এলাকার অধিবাসীরা।