শনিবার, ২৪ জানুয়ারি ২০২৬
শনিবার, ২৪ জানুয়ারি ২০২৬
✔ বাংলা টেক্সট কনভার্টার
শিরোনাম
advertisement
সিলেট বিভাগ

কুরবানীর ঈদের ছুটিতে ফাঁকা হচ্ছে সিলেট নগরী

একদিন পরেই পবিত্র ঈদুল আজহা। মুসলিম উম্মাহর দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব। এই ঈদকে কেন্দ্র করে সিলেট মহানগরী এখন ফাঁকা হতে শুরু করেছে। আত্মীয়-স্বজনের সাথে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে নগরবাসী ছুটছেন নিজেদের গ্রামের বাড়িতে।

বৃহস্পতিবার দুপুরের পর থেকেই ফাঁকা হতে থাকে নগীরর গুরুত্বপূর্ণ আবসিক ও বাণিজ্যিক এলাকাগুলো। অধিকাংশ মার্কেট ও দোকানপাট বন্ধ হয়ে যায় সন্ধ্যার পর। কিছু কিছু কাপড়ের দোকান খোলা থাকলেও তেমন একটা ভীড় দেখা যায়নি।

উপশহর, হাউজিং এস্টেট, সুবিদবাজার, লামাবাজার, জামতলা, তালতলা শেখঘাট, আখালিয়াসহ বিভিন্ন আবাসিক এলাকা থেকে লোকজনকে সপরিবারে রিজার্ভ গাড়ি নিয়ে বাড়ির উদ্দেশ্যে ছুটতে দেখা গেছে। কেউ কেউ আবার ছুটেছেন রেলওয়ে স্টেশন ও বাসস্টেশনগুলোতে।

এখন সিলেটের সবচেয়ে ব্যস্ত এলাকা হচ্ছে কদমতলী বাসস্টেশন, রেলওয়েষ্টেশন এবং স্থায়ী বা অস্থায়ী পশুর হাটগুলো।

যানজটের নগরী হিসাবে পরিচিত সিলেট মহানগরীর জিন্দাবাজার, চৌহাট্টা, আম্বরখানা, উপশহর, সুবহানীঘাট পয়েন্টে সবসময় যানজট লেগেই থাকে। সেই দুপুর থেকে রাত ১০/১১টা পর্যন্ত থমকে দাঁড়াতেই হয়।

তবে বৃহস্পতিবার বিকেলে চিরচেনা এই দৃশ্যগুলো দেখা যায়নি। প্রায় সব পয়েন্ট ঘুরে এবং যাত্রী ও ট্রাফিক পুলিশের সাথে আলাপকালে জানা গেছে, লোকজন গ্রামের বাড়ির উদ্দেশ্যে ছুটছেন। তাই ব্যস্ততা এখন বাস-ষ্টেশন, রেলওয়ে স্টেশন এবং পশুর হাটগুলোতে।

অবশ্য রাত ৯টার দিকে জিন্দাবাজার এলাকায় কিছুটা যানজট পরিলক্ষিত হয়েছে।

কেউ কেউ আবার কোরবানীর পশু কিনতে নগরীতে প্রবেশ করছেন। তবে তাদের অধিকাংশের গন্তব্যই কিন্তু কাজিরবাজার পশুর হাট। মোটামুটি শেষ মুহুর্তে এসে জমজমাট হয়ে উঠেছে এই বাজার।

বিকেলে জকিগঞ্জের মুন্নার সাথে আলাপ হয় কদমতলি বাস ষ্টেশনে। সপ্তম শ্রেণীর এই শিক্ষার্থী জানায়, বছরে মাত্র দু’বার তার বাড়ি যাওয়া হয় বাবা মার সাথে। পড়াশোনার চাপে আর যাওয়া হয়না তার। তবে ঈদের আনন্দ সেখানে আত্মীয়-স্বজনের সাথে ভাগ করে নিতে সে সারাবছর উন্মুখ থাকে।

এই সম্পর্কিত আরো