বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩-কে বরণ করে নিতে সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি। পুরোনো জীর্ণতা ও গ্লানি ঝেড়ে ফেলে নতুন বছরের আগমনী বার্তায় মুখর হয়ে উঠেছে পুরো এলাকা। চৈত্রের খরতাপ শেষে প্রকৃতিতেও বইছে নবজাগরণের সুর।
বর্ষবরণ উপলক্ষে উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে সৃষ্টি হয়েছে প্রাণচাঞ্চল্যে ভরা উৎসবমুখর পরিবেশ। বৈশাখের প্রথম সকালকে বর্ণিল ও আনন্দঘন করে তুলতে সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত নিরলসভাবে কাজ করছে জামালগঞ্জ কিন্ডারগার্টেন ও জুনিয়র হাইস্কুলের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।
সোমবার (১৩ এপ্রিল) দুপুরে সরেজমিনে দেখা যায়, প্রশাসন চত্বরকে বৈশাখী উৎসবের উপযোগী করে তুলতে আঁকা হচ্ছে বর্ণিল আলপনা। রঙ-তুলির ছোঁয়ায় ফুটে উঠছে গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী দৃশ্যপট। পুরো প্রাঙ্গণজুড়ে দেশীয় সংস্কৃতির বৈচিত্র্য ও লোকজ ঐতিহ্যের প্রতিচ্ছবি প্রকাশ পাচ্ছে।
পহেলা বৈশাখকে নতুন জাগরণের প্রতীক হিসেবে মানুষের মাঝে আশা ও সম্প্রীতির বার্তা ছড়িয়ে দিতে আলপনা আঁকায় অংশ নেয় কিন্ডারগার্টেনের শিক্ষার্থী ফারনাজ, উম্মে লাবিবা হিয়া, নোয়ারিন, আনিসা, সোহা, অধরা ও পার্থ দেবসহ অনেকে। তাদেরকে সহযোগিতা করেন কিন্ডারগার্টেনের আর্ট শিক্ষক আলী আক্কাস মুরাদ এবং সহকারী ওয়াসীম।
এ বিষয়ে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা সাব্বির সারোয়ার বলেন, “বাংলা নববর্ষ আমাদের শেকড়ের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত। এবারের আয়োজনের মাধ্যমে সমকালীন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বার্তা তুলে ধরা হবে। পহেলা বৈশাখ নতুন জাগরণের প্রতীক হয়ে মানুষের মাঝে আশা ও সম্প্রীতির সঞ্চার করবে।”