শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬
শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬
✔ বাংলা টেক্সট কনভার্টার
শিরোনাম
জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল সংশোধন বিল পাশ, জামায়াতের আপত্তি, এনসিপির সমর্থন সরকারি কাজে সহায়তা করাই কাল হয়ে দাঁড়ালো ফয়েজের সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু শুক্রবার ফজল হত্যা: হারুন ও নুরইয়ের খোঁজ নেই, আতঙ্কে এলাকাবাসী শাহ আরেফিন টিলায় ৯৬ হাজার ঘনফুট পাথর জব্দ সংসদে ডা. জীবনের প্রথম বক্তব্য - বানিয়াচং-আজমিরীগঞ্জের উন্নয়ন ও ৯ হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবি দু'দিনের ব্যবধানে হামে আক্রান্ত আরেক শিশুর মৃত্যু দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের বীভৎস রূপ জাতির সামনে পরিষ্কার: জামায়াত আমির নিউজিল্যান্ড টিমের সফর উপলক্ষ্যে থাকবে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা: ডিএমপি কমিশনার দেশব্যাপী কঠোর নিরাপত্তা - পহেলা বৈশাখে সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে অনুষ্ঠান শেষের নির্দেশ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের
advertisement
সিলেট বিভাগ

ফজল হত্যা: হারুন ও নুরইয়ের খোঁজ নেই, আতঙ্কে এলাকাবাসী

সুনামগঞ্জের ছাতকে সমাজসেবক ফজল মিয়া হত্যাকাণ্ডের পর প্রধান অভিযুক্ত হারুন ও নুরই মিয়ার একের পর এক অপরাধের ফিরিস্তি বেরিয়ে আসছে। দীর্ঘ দুই দশক ধরে এলাকায় একের পর এক খুন, ডাকাতি ও সহিংসতা চালিয়ে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে এই চক্র। তাদের বেপরোয়া হামলায় সাধারণ মানুষের প্রাণ গেলেও বারবার আইনের ফাঁক দিয়ে বেরিয়ে আসায় এলাকাবাসী এখন চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ছাতকে সমাজসেবক ফজল মিয়াকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। স্থানীয়দের দাবি, মসজিদের অর্থ ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিরোধের জেরে হারুন ও নুরই পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালায়। ঘটনার পর থেকেই এই দুজন পলাতক রয়েছে। তাদের এই হিংস্রতায় পুরো এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, ফজল মিয়াই তাদের প্রথম শিকার নন। ২০০১ সালেও এই হারুন ও নুরই চক্রের হামলায় প্রাণ হারিয়েছিলেন জমির আলী নামের এক ব্যক্তি। সেই সময় চুরির মালামালসহ হাতেনাতে ধরা পড়া এক সহযোগীকে ছাড়িয়ে নিতে নুরই মিয়া ও তার দল জমির আলীর ওপর ধারালো অস্ত্র দিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে। সেই খুনের মামলায় নুরই মিয়ার বিরুদ্ধে সরাসরি আঘাত করার অভিযোগ ছিল এবং হারুনও ছিল সেই মামলার অন্যতম আসামি।

হারুন মিয়ার অপরাধের ইতিহাস আরও দীর্ঘ। ২০০৫ সালের একটি দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনায় জড়িত থাকায় ২০১১ সালে আদালত তাকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও জরিমানা করেছিলেন। স্থানীয়দের দাবি, পরবর্তীতে তিনি উচ্চ আদালতে আপিল করে সাজার ওপর স্থগিতাদেশ নেন। এলাকায় ফিরে এসে সে আবারও অপরাধ জগতে সক্রিয় হয়ে ওঠে।

স্থানীয়রা বলছেন, হারুন ও নুরই এলাকায় এতটাই প্রভাবশালী ও ভয়ংকর যে, তাদের বিরুদ্ধে মুখ খোলার সাহস কেউ পায় না। ওয়ার্ড মেম্বার ময়না মিয়া জানান, ২০০১ সালের ঘটনার পর থেকে তারা আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে। একের পর এক অপরাধ করেও তারা ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকায় আজ ফজল মিয়ার মতো মানুষকে প্রাণ দিতে হলো।

স্থানীয়দের দেওয়া তথ্যমতে, ২০১০ থেকে ২০১২ সালের মধ্যে ছাতক সিমেন্ট কারখানার রোপওয়ে থেকে মালামাল লুটের একটি বড় চক্র গড়ে তুলেছিল হারুন ও নুরই। ওই সময় মালামাল উদ্ধারে তাদের বাড়িতে বিশেষ অভিযান চালায় যৌথ বাহিনী। গ্রামবাসী নিজের চোখে দেখেছেন, যৌথ বাহিনীর সেই অভিযানে হারুন ও নুরইয়ের ঘর থেকে কারখানার বিপুল পরিমাণ চোরাই মালামাল উদ্ধার করা হয়েছিল। তবে অভিযানের সময় কৌশলে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয় এই দুই অপরাধী। এলাকাবাসীর মতে, সরকারি সম্পদ লুটের মাধ্যমে তারা এলাকায় এক ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে।

আসামিদের গ্রেপ্তারের বিষয়ে জানতে চাইলে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই রাহিম জানান, আমরা আসামিদের ধরার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। সম্ভাব্য সকল স্থানে আমাদের নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

ছাতক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান প্রতিবেদককে বলেন, আমাদের একাধিক টিম ও বিভিন্ন সোর্স কাজে লাগিয়ে পলাতক আসামিদের ধরতে সাঁড়াশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে। আশা করছি খুব দ্রুতই তারা ধরা পড়বে। কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।

এই সম্পর্কিত আরো

জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল সংশোধন বিল পাশ, জামায়াতের আপত্তি, এনসিপির সমর্থন

সরকারি কাজে সহায়তা করাই কাল হয়ে দাঁড়ালো ফয়েজের

সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু শুক্রবার

ফজল হত্যা: হারুন ও নুরইয়ের খোঁজ নেই, আতঙ্কে এলাকাবাসী

শাহ আরেফিন টিলায় ৯৬ হাজার ঘনফুট পাথর জব্দ

সংসদে ডা. জীবনের প্রথম বক্তব্য বানিয়াচং-আজমিরীগঞ্জের উন্নয়ন ও ৯ হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবি

দু'দিনের ব্যবধানে হামে আক্রান্ত আরেক শিশুর মৃত্যু

দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের বীভৎস রূপ জাতির সামনে পরিষ্কার: জামায়াত আমির

নিউজিল্যান্ড টিমের সফর উপলক্ষ্যে থাকবে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা: ডিএমপি কমিশনার

দেশব্যাপী কঠোর নিরাপত্তা পহেলা বৈশাখে সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে অনুষ্ঠান শেষের নির্দেশ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের