সিলেট পানি উন্নয়ন বিভাগের অধীনে কানাইঘাটের সুরমা নদীর বামতীরে বন্যা নিয়ন্ত্রন বাঁধ পাকা করার কাজের শুভ উদ্বোধন করেছেন সিলেট-৫ (কানাইঘাট-জকিগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য মুফতি মোহাম্মদ মাওঃ আবুল হাসান।
শনিবার (৪ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১১টায় কানাইঘাট পৌরসভার বায়মপুর খেয়াঘাট নামক স্থানে সুরমা নদীর তীরে এ পাকা করণ কাজের শুভ উদ্বোধন করেন তিনি।
জানা যায় পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের আওতায়, বন্যা পুর্ণগঠন জরুরী সহায়তা প্রকল্প হতে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড সিলেট অফিসের মাধ্যমে কানাইঘাটের সুরমা নদীর বাম তীরে বিশাল বন্যা নিয়ন্ত্রন বাঁধ নির্মাণ করা হয়। এ বন্যা নিয়ন্ত্রন বাধেঁর পাকা করণের কাজের উদ্বোধন করেছেন মুফতি আবুল হাসান এমপি।
উদ্বোধনকালে সংসদ সদস্য মুফতি আবুল হাসান বলেন কানাইঘাট ও জকিগঞ্জের প্রধান সমস্যা হচ্ছে নদী ভাঙ্গন। সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর অব্যাহত ভাঙ্গনে মানুষের বাড়ি-ঘর ও ফসলী জমি বিলীণ হচ্ছে এমনকি কুশিয়া নদীর ভাঙ্গনে বাংলাদেশের মানচিত্রের পরিবর্তন হচ্ছে। নদী ভাঙ্গনের বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তিনি মহান জাতীয় সংসদে উত্থাপন করেছেন এবং পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রীর সাথে দেখা করে নদী ভাঙ্গন বিষয়টি তুলে ধরায় ইতিমধ্যে সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর ভাঙ্গন প্রতিরোধে ৫ কিলোমিটার তীর রক্ষা বাঁেধর অনুমোদন দেয়া হয়েছে। পর্যায়ক্রর্মে এ জনপদের মানুষের দুঃখ র্দুদশা লাঘবে নদী ভাঙ্গন প্রতিরোধ কাজ অব্যাহত থাকবে। তিনি পানি উন্নয়ন বোর্ডের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বেড়িবাধের কাজ সুষ্ঠু ভাবে সম্পন্ন সহ কাজের অগ্রগতি সঠিক ভাবে তদারকী করার নির্দেশনা প্রদান করেন। পর্যায়ক্রমে এলাকার রাস্তা-ঘাটের উন্নয়ন, চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত সহ অন্যান্য সমস্যাগুলো সমাধান করা হবে বলে তিনি জানান।
উদ্বোধনকালে পানি উন্নয়ন বোর্ডের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা সহ উপস্থিত ছিলেন কানাইঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মেহদী হাসান শাকিল, থানার অফিসার ইনচার্জ আমিনুল ইসলাম, জেলা খেলাফত মজলিসের সাধারণ সম্পাদক মাওঃ দেলোয়ার হোসেন, সহ-সভাপতি মাওলানা আব্দুস ছালাম, সাংগঠনিক সম্পাদক হাফিজ শিব্বির আহমদ, অর্থ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর মাওলানা কামাল উদ্দিন, নায়েবে আমীর মাষ্টার ফয়ছল আহমদ, সেক্রেটারী মাওঃ তাজ উদ্দিন, উপজেলা খেলাফত মজলিসের সভাপতি মাওঃ আমানুর রশিদ চৌধুরী, এমপির একান্ত সহকারী মাওলানা মিসবাহুল ইসলাম, প্রবাসী খেলাফত মজলিস নেতা হুসন আহমদ সহ জামায়াত ও খেলাফত মজলিসের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।