সিলেটে অনুমতি ছাড়াই নিজের ব্যাংক হিসাব থেকে অন্য এক ব্যক্তির অ্যাকাউন্টে ৩ লাখ টাকা স্থানান্তরের অভিযোগ তুলেছেন নগরীর আম্বরখানা বড় বাজার এলাকার ব্যবসায়ী মো. ইসমাইল হোসেন আজাদ চৌধুরী।
সোমবার (৩০ মার্চ) বিকেলে সিলেট জেলা প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই চাঞ্চল্যকর অভিযোগ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে ইসমাইল হোসেন জানান, ২৬ মার্চ তাঁর স্মার্টফোনটি সাময়িকভাবে তাঁর নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। এর কিছুক্ষণ পরই তিনি দেখতে পান তাঁর ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে অনুমতি ছাড়াই ৩ লাখ ১০ টাকা প্রিমিয়ার ব্যাংক লিমিটেডের একটি হিসাবে (হিসাব নং: ০১৭৫১২১০০০০১২৫৩) স্থানান্তর করা হয়েছে। তাৎক্ষণিকভাবে তিনি আতঙ্কিত হয়ে এয়ারপোর্ট থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি নং-১৩২৮, তারিখ: ২৬/০৩/২৬) করেন।
পরবর্তীতে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের সঙ্গে যোগাযোগ করে তিনি জানতে পারেন, উল্লিখিত অ্যাকাউন্টে আরও অনেকের টাকা একইভাবে অবৈধভাবে স্থানান্তর করা হয়েছে। ইসমাইল হোসেন জানান, ওই হিসাবের মালিকের নাম মো. সোহেল রানা। এই ব্যক্তির নামে ইস্টার্ন ব্যাংকেও একটি হিসাব রয়েছে (নং-১৫৫১৪৪০০০৫৮৫৩)। সোহেল রানা বিভিন্ন ব্যক্তির অ্যাকাউন্ট থেকে প্রতারণার মাধ্যমে টাকা গ্রহণ করে বিভিন্ন ব্যাংকে স্থানান্তর করছেন বলে তিনি অভিযোগ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী আরও বলেন, এটি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, বরং একটি সুসংগঠিত ও পরিকল্পিত প্রতারণা। ২৬ থেকে ২৮ মার্চ ব্যাংক বন্ধ থাকায় তাৎক্ষণিকভাবে হিসাবটি ব্লক করা সম্ভব হয়নি, যার ফলে আর্থিক ক্ষতি এড়ানো যায়নি। আমি ব্যাংকের কল সেন্টারে অভিযোগ দিলেও এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর প্রতিকার পাইনি।
ইসমাইল হোসেন আরও অভিযোগ করেন যে, এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক সিলেট শাখায় লিখিত অভিযোগ দিতে গেলেও তারা তা গ্রহণ করেনি। এমতাবস্থায় তিনি তাঁর কষ্টার্জিত অর্থ ফেরত পেতে এবং এই প্রতারক চক্রের বিরুদ্ধে সুষ্ঠু তদন্ত ও আইনি ব্যবস্থা গ্রহণে সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ ও সহযোগিতা কামনা করেছেন।